লখনউ: আইপিএল কি এবার নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে ২৫ মে পর্যন্ত। কিন্তু শুরুতে যে ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে, তাতে তথাকথিত ফেভারিট মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, চেন্নাই সুপার কিংসের অবস্থা মোটেও ভালো নয়। সেই তুলনায় নবাগত লখনউ সুপার জায়ান্টস হোক কিংবা একবারও ট্রফির স্বাদ না পাওয়া পাঞ্জাব কিংসকে বেশ জমাট দেখাচ্ছে। বুধবার একানা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল। উপভোগ্য ম্যাচের আশায় ক্রিকেটমহল।
প্রথম ম্যাচ হারলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে লখনউ। গত ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারানোর ফলে ঋষভ পন্থদের মনোবল তুঙ্গে। তবে এই দলের সাফল্য অনেকাংশেই মিচেল মার্শ ও নিকোলাস পুরানের ব্যাটিংয়ের উপর নির্ভরশীল। দুই বিদেশিই রয়েছেন ছন্দে। ফলে তাঁদের তাড়াতাড়ি ডাগ-আউটে ফেরাতে না পারলে দুঃখ রয়েছে পাঞ্জাবের বোলারদের। তুলনায় আইডেন মার্করাম নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না। ঋষভ পন্থও চেনা মেজাজে নেই। ফলে শুরুটা খারাপ হলে লখনউ কিন্তু চাপে পড়ে যাবে। তখন আয়ূষ বাদোনি, ডেভিড মিলার কিংবা আব্দুল সামাদদের ঘাড়ে চাপবে গুরুদায়িত্ব।
লখনউয়ের পিচে বল ঘুরবে। স্পিনারদের ভূমিকা তাই গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে রবি বিষ্ণোই হয়ে উঠতে পারেন লখনউয়ের তুরুপের তাস।
তবে পাঞ্জাব কিংসকে গত ১৭ বছরের খতিয়ান দিয়ে মেলাতে গেলে ভুল হবে। কারণ, শ্রেয়সের মতো তারকার অন্তর্ভুক্তির পর শক্তিশালী হয়েছে ব্যাটিং। দলের মনোবলও তুঙ্গে। তার প্রমাণ মিলেছে প্রথম ম্যাচে। গুজরাতের বিরুদ্ধে ২৪৩ রান তুলে জিতেছিল পাঞ্জাব। নবাগত প্রিয়াংশ আর্য ওপেন করতে নেমে ঝড় তুলতে পারেন। সঙ্গী হিসেবে প্রভসিমরণ সিংও কম যান না। তবে শ্রেয়স দ্রুত আউট হয়ে গেলে, সেই ধাক্কা পাঞ্জাব কীভাবে সামাল দেয় সেটাই দেখার। কারণ পরের দিকে ম্যাক্সওয়েল, স্টোইনিস, আজমাতুল্লাহরা রয়েছেন। তবে তাঁরা পরীক্ষিত নন।
পাঞ্জাবের বোলিং বেশ শক্তিশালী। পেসার অর্শদীপের সঙ্গী হতে পারেন মার্কো জানসেন, বিজয়কুমার বিশাক। গত ম্যাচে তিনি দুর্দান্ত বল করেছিলেন। আর স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল ও ম্যাক্সওয়েলের ঘূর্ণি পাঞ্জাবকে দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ এনে দিতেই পারে।