সকাল থেকে শুরু পুজো, দুপুরে রশিতে টান! রথযাত্রার উৎসবে সামিল হবে সৈকত নগরী
রথযাত্রার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ দীঘার জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
২৬ জুন, ২০২৫ ২০:০৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দীঘা: রথযাত্রার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ দীঘার জগন্নাথ মন্দির পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামীকাল, শুক্রবার রথ কোন পথে এগোবে, কী ভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ হবে, তা নিয়ে একটি বৈঠকও করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ছাড়াও রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, ইসকনের রাধারমন দাসও।
Advertisement
রথের প্রস্তুতি বৈঠকের পর চারিদিক ঘুরে সমস্ত ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দীঘা জগন্নাথ মন্দির থেকে নিমকাঠের প্রভুর মূর্তি রথে তোলা হবে। আর পাথরের মূর্তি মন্দিরেই থাকবে।” পাশাপাশি তিনি জানান, “জগন্নাথ মন্দিরে প্রায় প্রায় এক লক্ষ মানুষ ঢুকতে পারবেন। রাত থেকেই মন্দিরের সামনে রথ লাগিয়ে দেওয়া হবে। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পুরোহিতরা পুজোপাঠ করবেন। সাড়ে ৯টার পর রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে তোলা হবে। সাড়ে ৯টা থেকেই রথ দর্শন করা যাবে।”
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ২টো নাগাদ এখানে আসব। ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত আরতি হবে। ঠিক আড়াইটায় রথযাত্রা শুরু হবে। কিন্তু রাস্তার উপর লোকজন থাকবেন না। ব্যারিকেডের মধ্যে তাঁরা থাকবেন। রথ যেতে যেতে মাঝে থামবে। কারণ, মন্দির থেকে মাসির বাড়ি দূরত্ব মাত্র পৌনে এক কিলোমিটার। ব্যারিকেডের সঙ্গে রশি ছোঁয়ানো থাকবে। রথযাত্রার পুণ্যতিথিতে মাসির বাড়ি পর্যন্ত রথ যাবে। উল্টো রথে আবার মাসির বাড়ি থেকে রথ মন্দিরে আসবে।”
গোটা রথযাত্রার প্রক্রিয়া সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সাধারণ মানুষের কাছেও আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, "আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমরা এবার দীঘার জগন্নাথ ধামেও রথযাত্রা শুরু করছি। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার মানুষ এতে অংশ নেবেন। আমিও এবার দীঘাতেই সকল মানুষের সঙ্গে মিশে রথের রশি টানব।"