Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

থাইল্যান্ডের স্যাংচুয়ারি অব ট্রুথের আদলে মণ্ডপ দুর্গাপুর মার্কনি দক্ষিণপল্লি সর্বজনীনে

এবার থাইল্যান্ডের চোখধাঁধানো কারুকার্যে ভরা ‘স্যাংচুয়ারি অব ট্রুথ’ মিউজিয়াম উঠে আসবে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে। দুর্গাপুর মার্কনি দক্ষিণপল্লি সর্বজনীন পুজো কমিটি ওই মিউজিয়ামের আদলে প্রায় ১১০ফুট উঁচু মণ্ডপ গড়ে তুলছে।

থাইল্যান্ডের স্যাংচুয়ারি অব ট্রুথের আদলে মণ্ডপ দুর্গাপুর মার্কনি দক্ষিণপল্লি সর্বজনীনে
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: এবার থাইল্যান্ডের চোখধাঁধানো কারুকার্যে ভরা ‘স্যাংচুয়ারি অব ট্রুথ’ মিউজিয়াম উঠে আসবে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে। দুর্গাপুর মার্কনি দক্ষিণপল্লি সর্বজনীন পুজো কমিটি ওই মিউজিয়ামের আদলে প্রায় ১১০ফুট উঁচু মণ্ডপ গড়ে তুলছে। প্রায় তিনহাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে মণ্ডপটি তৈরি হচ্ছে। মেদিনীপুরের কাঁথির বিখ্যাত শিল্পী সুতানু মাইতি ওই মণ্ডপ গড়ে তুলছেন। পুজো উদ্যোক্তারা জানালেন, চোখধাঁধানো  মণ্ডপের পাশাপাশি সুন্দর দুর্গাপ্রতিমা ও আলোকসজ্জা দর্শনার্থীদের মন জয় করে নেবে। গত বছর কর্ণাটকের হাসন জেলার চেন্নাকেশব বিষ্ণুমন্দিরের আদলে মণ্ডপ গড়ে এই পুজো কমিটি দর্শনার্থীদের তাক লাগিয়েছিল। মণ্ডপ ও আলোকসজ্জা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছিল। তৃতীয়া থেকে দিনরাত দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়েছিল। এবার থাইল্যান্ডের পাতায়াতে অবস্থিত অসমাপ্ত মিউজিয়াম ‘স্যাংচুয়ারি অব ট্রুথ’-এর অনুকরণে মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। ১৯৮১ সালে ওই মিউজিয়ামের নকশা করেছিলেন থাই ব্যবসায়ী লেক ভিরিয়াফান। ১৩হেক্টর জমির উপর মিউজিয়ামের স্থাপত্যে মন্দির ও দুর্গের নির্মাণশৈলীর সংমিশ্রণ দেখা যায়। ওই মিউজিয়ামের অনুকরণে মণ্ডপ গড়ে এবার তাক লাগাতে চলেছে মার্কনি দক্ষিণপল্লি দুর্গাপুজো কমিটি। বাঁশ, প্লাইউড, কাঠ, বালি, কাঠে গুঁড়ো সহ নানা পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহার করে মণ্ডপ তৈরি হবে। মণ্ডপের ভিতরে বাটি, চামচ ও স্টিলের নানা সামগ্রী দিয়ে তৈরি নানা নকশা থাকবে।

Advertisement

পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক দেবাশিস তা ও অশোক ভট্টাচার্য জানান, এবছর আমাদের পুজো ৬৫তম বর্ষে পা দিতে চলেছে। বিশালাকার মণ্ডপে সুক্ষ কারুকার্য ও নকশা থাকবে। তাই প্রায় তিনমাস ধরে মণ্ডপ তৈরি চলছে। এবারও প্রতিমায় আধুনিকতার ছোঁয়া থাকবে। প্রায় ১৬ফুট উঁচু প্রতিমা গড়ছেন দুর্গাপুরের খ্যাতনামা মৃৎশিল্পী অরুণ পাল। আলোকসজ্জাতেও বিশেষত্ব থাকছে। পুজোর বাজেট প্রায় ৩০লক্ষ টাকা। তৃতীয়ার দিন পুজোর উদ্বোধন হবে। আমরা আটবার বিশ্ববাংলা সেরার শিরোপা পেয়েছি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রথমদিন কলকাতার দু’জন নামী সঙ্গীতশিল্পী আসবেন। এছাড়া, প্রতিদিন স্থানীয় শিল্পীদের সঙ্গীত, নৃত্য সহ বিচিত্রানুষ্ঠান রয়েছে।  তৈরি হচ্ছে প্যান্ডেল।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ