নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। পাটের দামের উপরে অনেকটাই নির্ভর করে নবাবি মুলুকের পুজোর বাজার। বিগত বছরগুলিতে দেখা গিয়েছে, পাটের দাম কম থাকলে তার প্রভাব পড়েছে পুজোর বাজারে। কেনাকাটা কম হয়েছে। তবে এ বছর পাটের দাম অনেকটাই ভালো। ফলে পুজোর বাজারে ভিড়ের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই পুজোর শাড়ি ও পোশাকের স্টক করছেন বস্ত্র ব্যবসায়ীরা। ভালো বিক্রির আশা করছেন দোকানের কর্মী থেকে মালিকরা। জেলা কৃষিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, মুর্শিদাবাদ জেলায় এক লক্ষ আশি হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ জমির পাট উঠে গিয়েছে। পাট পচানোর জলের অভাব না থাকায় পাট তন্তুর মানও বেশ ভালো। মরশুমের শুরু থেকেই খোলা বাজারে প্রতি কুইন্ট্যাল সাড়ে ছয় হাজার থেকে সাত হাজার টাকা পাটের দাম মিলেছে। প্রথম দিকে পাট বাজারজাত করে অনেক চাষির মুখে হাসি ফুটেছে। মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্সের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, এই জেলার অন্যতম অর্থকরী ফসল পাট। তার দামের উপরে পুজোর বাজার অনেকটাই নির্ভর করে। সেই পাটের দাম এবার ভালোই। এখন তো প্রতি কুইন্ট্যাল সাড়ে ছয় হাজার টাকা করে দাম পাচ্ছে চাষিরা। পাটের এই দামের উপর নির্ভর করে পুজোর বাজার ভালো হবে বলেই আশা করছি।



