Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পটাশপুরের স্কুলে অনুপস্থিত হলেই ১৫০ টাকা জরিমানা!

পটাশপুরের স্কুলে অনুপস্থিত হলেই ১৫০ টাকা জরিমানা!
  • ৪ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাঁথি: স্কুলে নিয়মিত ক্লাস করে না একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা। এই অবস্থায় উপস্থিতির হার বাড়াতে ছাত্রছাত্রীদের অনুপস্থিতির জন্য ১৫০ টাকা জরিমানা নেওয়ার অভিযোগ উঠল পটাশপুরের নৈপুর শান্তিসুধা ইনস্টিটিউশনের বিরুদ্ধে। এমনকী টাকা না দিলে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীদের অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।  আরও অভিযোগ, যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে জরিমানার টাকা নেওয়া হয়েছে, তাদের কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি। এই মর্মে কোনও নোটিসও টাঙানো হয়নি। অভিভাবকদের নিয়ে মিটিংও করা হয়নি। এমন সিদ্ধান্তে বিতর্কের মুখে পড়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষক এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি না, প্রশ্ন উঠেছে। সব মিলিয়ে  এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের স্কুলমুখী করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এই স্কুলে এক হাজারের কাছাকাছি ছাত্রছাত্রী। তার মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে সায়েন্স, আর্টস মিলিয়ে ৩০০ জন পড়াশোনা করে। তবে অনেকেই অনিয়মিত আসে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অ্যাটেন্ডেন্স খাতায় যার উপস্থিতি ৭৫ শতাংশের কম, তার কাছ থেকে ১৫০ টাকা করে জরিমানা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সুদীপ দাস অধিকারী নামে এক অভিভাবক বলেন,  এমনভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সরকারি নির্দেশিকা রয়েছে কি না, আমাদের জানা নেই। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, এটা স্কুল না আসার জন্য আর্থিক জরিমানা। স্কুলমুখী করার জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। তবে বিনা নোটিসে, বিনা রসিদে টাকা নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সঠিক নয় বলে আমরা মনে করছি। তবে এভাবে জরিমানা করে কিছু হবে না। ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করলে হয়তো সমাধান হবে। প্রধান শিক্ষককে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক বিকাশ বেরা বলেন, ছাত্রছাত্রীরা যাতে নিয়মিত স্কুলে আসে, তারজন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে অভিভাবকদের মিটিং ডেকেছি। তারপরও ছাত্রছাত্রীদের অনেকে স্কুলে আসে না। শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্লাস নিতে পারছেন না। টাকা নেওয়ার উদ্দেশ্য নেই। অভিভাবকদের চাপ সৃষ্টি করছি, যাতে টাকা দেওয়ার ভয়ে তাঁরা ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠান।  এবিষয়ে বিডিও বিধানচন্দ্র বিশ্বাস বলেন,  বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ