সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ২ জানুয়ারি ছিল স্টুডেন্ট উইকের বুক ডে। ওইদিন নতুন শিক্ষাবর্ষের বই বিলির পর স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু, জানুয়ারি শেষ হতে চললেও ফরাক্কা সার্কেলের বিভিন্ন স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির বহু পড়ুয়া বই পায়নি। নতুন বই না পেয়ে তারা পড়াশোনাও শুরু করতে পারেনি। রোজ বইয়ের জন্য স্কুলে এসে তাদের খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। অভিভাবকরা তাড়াতাড়ি বই দেওয়ার দাবি তুলেছেন।
Advertisement
ফরাক্কা সার্কেলের সহকারী স্কুল পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিভিন্ন হাইস্কুলে আগেই বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুনভাবে যে সমস্ত স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি চালু হয়েছে, সেখানকার পড়ুয়া সংখ্যার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। ওই সমস্ত স্কুল থেকে অনেক পড়ুয়া হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছে। যারা বই পায়নি, তাদের তাড়াতাড়ি বই দেওয়া হবে।
ফরাক্কার অর্জুনপুর হাইস্কুলে এবছর পঞ্চম শ্রেণিতে ১৬১৯জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়। বই দিবসে তাদের কারও হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দিতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে ধাপে ধাপে একহাজার ছাত্রছাত্রীকে বই দেওয়া হয়। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত ৬১৯ জন ছাত্রছাত্রী বই পায়নি। ওই স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি আহাসান হাবিব পারভেজ বলেন, বইপত্র এসে না পৌঁছনোয় তা বিলি করা যায়নি। খুব তাড়াতাড়ি বই দেওয়া হবে।
জানা গিয়েছে, সেই সঙ্গে সার্কেলের আরও ১৭টি স্কুলের পড়ুয়া বই পায়নি। চলতি শিক্ষাবর্ষে আচমকা জেলার বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করে শিক্ষাদপ্তর। সূত্রের খবর, এসব স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে কত পড়ুয়া ভর্তি হচ্ছে, সেই বিষয়ে সঠিক তথ্য ছিল না। ওই সমস্ত স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি চালু হলেও অনেক পড়ুয়া হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছে। ফলে সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে প্রয়োজনমতো বই পাঠাতে পারেনি শিক্ষাদপ্তর।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রিহান শেখ বলে, স্যাররা শুধু বলেন, সামনের সপ্তাহে বই দেওয়া হবে। কিন্তু, এখনও বই পেলাম না। এখন খাতা নিয়ে স্কুলে আসি। বই না থাকায় পড়ায় মন বসছে না।
এক ছাত্রের মা রুকসা খাতুন বলেন, একমাস হতে চলল, এখনও বই দেয়নি স্কুল। বইয়ের জন্য দু’দিন স্কুলে গিয়ে দরবার করেছি। বই না থাকায় ছেলের ঠিকমতো লেখাপড়া হচ্ছে না।
অর্জুনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ষষ্ঠীপদ সাহা বলেন, বই না থাকলেও নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্লাসে বই নিয়ে পড়া বোর্ডে লিখে দেন। পড়ুয়ারা তা খাতায় নোট করে। এখনও বই না আসার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
ফরাক্কার অর্জুনপুর হাইস্কুলে এবছর পঞ্চম শ্রেণিতে ১৬১৯জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়। বই দিবসে তাদের কারও হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দিতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে ধাপে ধাপে একহাজার ছাত্রছাত্রীকে বই দেওয়া হয়। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত ৬১৯ জন ছাত্রছাত্রী বই পায়নি। ওই স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি আহাসান হাবিব পারভেজ বলেন, বইপত্র এসে না পৌঁছনোয় তা বিলি করা যায়নি। খুব তাড়াতাড়ি বই দেওয়া হবে।
জানা গিয়েছে, সেই সঙ্গে সার্কেলের আরও ১৭টি স্কুলের পড়ুয়া বই পায়নি। চলতি শিক্ষাবর্ষে আচমকা জেলার বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করে শিক্ষাদপ্তর। সূত্রের খবর, এসব স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে কত পড়ুয়া ভর্তি হচ্ছে, সেই বিষয়ে সঠিক তথ্য ছিল না। ওই সমস্ত স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি চালু হলেও অনেক পড়ুয়া হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছে। ফলে সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে প্রয়োজনমতো বই পাঠাতে পারেনি শিক্ষাদপ্তর।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রিহান শেখ বলে, স্যাররা শুধু বলেন, সামনের সপ্তাহে বই দেওয়া হবে। কিন্তু, এখনও বই পেলাম না। এখন খাতা নিয়ে স্কুলে আসি। বই না থাকায় পড়ায় মন বসছে না।
এক ছাত্রের মা রুকসা খাতুন বলেন, একমাস হতে চলল, এখনও বই দেয়নি স্কুল। বইয়ের জন্য দু’দিন স্কুলে গিয়ে দরবার করেছি। বই না থাকায় ছেলের ঠিকমতো লেখাপড়া হচ্ছে না।
অর্জুনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ষষ্ঠীপদ সাহা বলেন, বই না থাকলেও নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা ক্লাসে বই নিয়ে পড়া বোর্ডে লিখে দেন। পড়ুয়ারা তা খাতায় নোট করে। এখনও বই না আসার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।



