নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: পড়াশোনার চাপ আর বইয়ের বোঝায় নাভিশ্বাস খুদে পড়ুয়াদের। সেই বোঝার উপর আবার শাকের আঁটি প্রাইভেট টিউশন। তাই পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করে তুলতে চলছে নানা চেষ্টা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিজ্ঞান ভাবনা, সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল, ইতিহাস, ভূগোলের নবপাঠে মজছে জেলার স্কুল পড়ুয়ারা। পাঠ্য বইয়ের বিষয়কে সহজ সরলভাবে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরতে ঝাড়গ্রাম জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের প্রচেষ্টা শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রামের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের ‘আউটডোর পাবলিসিটি ও অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম’নিয়ে উৎসাহিত শিক্ষামহল। পাঠ্য বইয়ের নানা বিষয় সহজ সরল ভাষায় সংক্ষিপ্ত আকারে ছবি সহ সাজিয়ে বোর্ড বা চার্টের মাধ্যমে স্কুলগুলোকে দেওয়া হচ্ছে। তাতে স্কুল পড়ুয়ারা বিষয়ের সারবস্তু সহজে বুঝতে পারছে। রবীন্দ্রনাথের বিজ্ঞান ও পরিবেশ ভাবনা, হেঁয়ালিভরা সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল, সাঁওতাল বিদ্রোহ সহ সাহিত্য,বিজ্ঞান, ভূগোলের নানা বিষয়এইভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। জেলার নানা তথ্য তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কৃত্রিম মেধার মতো নতুন বিষয় নিয়ে জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের রিসার্চ টিম কাজ শুরু করেছে। পড়ুয়াদের উপযোগী সদ্য প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ নানা বইয়ের বিষয়বস্তুও পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরাহচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি পাঠ্যের সারমর্ম লেখা বোর্ড দপ্তর থেকে সংগ্রহ করছে।
জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছে। শিক্ষারপ্রসারে যুক্ত বেশ কয়েকটি সংগঠন ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে প্রদর্শনী করতে আগ্ৰহ দেখিয়েছে। পড়ুয়ারা প্রদর্শনীতে এসে সহজেই বুঝে নিতে পারবে পাঠ্য বইয়ের নানা জটিল বিষয়।ঝাড়গ্রাম নেতাজি আদর্শ হিন্দি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অপর্ণেশ মিশ্র বলেন,এই উদ্যোগে আমরা অনেক আগেই সাড়া দিয়েছি।পড়ুয়াদের কাছে বিষয়বস্তু বোঝা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।শিক্ষক শিক্ষিকারা এই বিষয়টির ওপরেই গুরুত্ব দেন। মনীষীদের জীবনী, কর্মকাণ্ড, আঞ্চলিক ইতিহাস থেকে আধুনিক সময়ের নতুন বিজ্ঞান ভাবনা পড়ুয়াদের আত্মস্থ করা দরকার।স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি পড়ুয়ারা এই ধরনের পাঠেও উপকৃত হবে। ঝাড়গ্রামের ননীবালা গার্ল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অরুন্ধতী সেন বলেন,আমাদের স্কুলে বিভিন্ন বিষয়ের সারবস্তু চার্টের মাধ্যমে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা হয়। যাতে তাঁরা বিষয়টি সহজে বুঝতে পারে। বর্তমান সময়ের পড়াশোনা সংক্রান্ত নতুন নতুন বিষয় সহজ ভাষায় তুলেধরলে পড়ুয়ারা আকর্ষিত হবে। প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হলে আর বেশি আকর্ষিত হবে। জেলার তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।ঝাড়গ্রাম তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক সন্তু বিশ্বাস বলেন,তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের তরফে স্কুল পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তুকে সহজসরল ভাষায় লিখে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছনোর কাজ চলছে। জেলার বেশ কিছু স্কুলএই উদ্যোগে এগিয়ে এসেছে।জেলার সাহিত্য,ইতিহাস,ভৌগলিক বৈচিত্র্যের পাশাপাশি জেলায় মনীষীদের জীবনী ও কর্মকাণ্ড নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হবে। আমাদের রিসার্চ টিম ইতিমধ্যেই এআই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করছে।কিছুদিনের মধ্যেই লিখিত বিষয়গুলো স্কুলগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। বিভিন্ন সংগঠন এই ধরনের কাজে এগিয়ে আসছে।
জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছে। শিক্ষারপ্রসারে যুক্ত বেশ কয়েকটি সংগঠন ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে প্রদর্শনী করতে আগ্ৰহ দেখিয়েছে। পড়ুয়ারা প্রদর্শনীতে এসে সহজেই বুঝে নিতে পারবে পাঠ্য বইয়ের নানা জটিল বিষয়।ঝাড়গ্রাম নেতাজি আদর্শ হিন্দি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অপর্ণেশ মিশ্র বলেন,এই উদ্যোগে আমরা অনেক আগেই সাড়া দিয়েছি।পড়ুয়াদের কাছে বিষয়বস্তু বোঝা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।শিক্ষক শিক্ষিকারা এই বিষয়টির ওপরেই গুরুত্ব দেন। মনীষীদের জীবনী, কর্মকাণ্ড, আঞ্চলিক ইতিহাস থেকে আধুনিক সময়ের নতুন বিজ্ঞান ভাবনা পড়ুয়াদের আত্মস্থ করা দরকার।স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি পড়ুয়ারা এই ধরনের পাঠেও উপকৃত হবে। ঝাড়গ্রামের ননীবালা গার্ল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অরুন্ধতী সেন বলেন,আমাদের স্কুলে বিভিন্ন বিষয়ের সারবস্তু চার্টের মাধ্যমে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা হয়। যাতে তাঁরা বিষয়টি সহজে বুঝতে পারে। বর্তমান সময়ের পড়াশোনা সংক্রান্ত নতুন নতুন বিষয় সহজ ভাষায় তুলেধরলে পড়ুয়ারা আকর্ষিত হবে। প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হলে আর বেশি আকর্ষিত হবে। জেলার তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।ঝাড়গ্রাম তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক সন্তু বিশ্বাস বলেন,তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের তরফে স্কুল পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তুকে সহজসরল ভাষায় লিখে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছনোর কাজ চলছে। জেলার বেশ কিছু স্কুলএই উদ্যোগে এগিয়ে এসেছে।জেলার সাহিত্য,ইতিহাস,ভৌগলিক বৈচিত্র্যের পাশাপাশি জেলায় মনীষীদের জীবনী ও কর্মকাণ্ড নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হবে। আমাদের রিসার্চ টিম ইতিমধ্যেই এআই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করছে।কিছুদিনের মধ্যেই লিখিত বিষয়গুলো স্কুলগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। বিভিন্ন সংগঠন এই ধরনের কাজে এগিয়ে আসছে।



