সংবাদদাতা, বর্ধমান: চাকরির পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম অর্চিষ্মান ঘোষাল (৩১)। কলকাতার বেহালায় তাঁর বাড়ি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপুরে চাকরির পরীক্ষা দিয়ে বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে আসার সময় নবাবহাট এলাকায় একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা মেরে পালায়। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। পুলিস তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
Advertisement
অন্য একটি ঘটনায়, কুম্ভমেলা থেকে ফেরার পথে পথ দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন তাঁর সঙ্গীও। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর জখমকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মৃতের নাম তন্ময় সাপুই (৩৫)। হাওড়ার সাঁকরাইল থানার আন্দুলে তাঁর বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কুম্ভমেলা থেকে বাইকে সঙ্গীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তন্ময়। জাতীয় সড়ক ধরে ফেরার সময় গুড়াপের কাছে বাইকটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পুলিস দু’জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তন্ময়কে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর একটি ঘটনায়, বর্ধমান-হাওড়া রেলপথে গুড়াপে ট্রেন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সহদেব দাস (৭০)। হুগলির সিঙ্গুর থানার মামুদপুরে তাঁর বাড়ি। তিনি পেশায় সব্জি বিক্রেতা ছিলেন। জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোরে ট্রেনে সব্জি তোলার সময় তিনি পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, গলসি থানার পুরষায় এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে ঘরে সিলিং ফ্যানের হুকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। ওড়না কেটে নামিয়ে তড়িঘড়ি তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতার নাম প্রিয়া পাবি (২৫)। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান। তবে, তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি পরিবারের লোকজন।
অপরদিকে, পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনি থানার ন’ পাড়ায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে এক যুবতীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম সোনালী বাউড়ি (১৯)। দিনকয়েক আগে তিনি অগ্নিদগ্ধ হন। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান। উনোনে আগুন পোহানোর সময় তিনি পুড়ে যান বলে পরিবারের দাবি।
জলে ডুবে মৃত্যু: আউশগ্রাম থানার দিগনগরে সেচখালে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম হরপ্রসাদ পাল (২৭)। বুধবার সকালে সেচখালে স্নান করার সময় তিনি জলে তলিয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে তাঁকে জামতাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর একটি ঘটনায়, বর্ধমান-হাওড়া রেলপথে গুড়াপে ট্রেন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সহদেব দাস (৭০)। হুগলির সিঙ্গুর থানার মামুদপুরে তাঁর বাড়ি। তিনি পেশায় সব্জি বিক্রেতা ছিলেন। জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোরে ট্রেনে সব্জি তোলার সময় তিনি পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, গলসি থানার পুরষায় এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে ঘরে সিলিং ফ্যানের হুকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। ওড়না কেটে নামিয়ে তড়িঘড়ি তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতার নাম প্রিয়া পাবি (২৫)। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান। তবে, তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি পরিবারের লোকজন।
অপরদিকে, পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনি থানার ন’ পাড়ায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে এক যুবতীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম সোনালী বাউড়ি (১৯)। দিনকয়েক আগে তিনি অগ্নিদগ্ধ হন। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। বুধবার ভোরে তিনি মারা যান। উনোনে আগুন পোহানোর সময় তিনি পুড়ে যান বলে পরিবারের দাবি।
জলে ডুবে মৃত্যু: আউশগ্রাম থানার দিগনগরে সেচখালে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম হরপ্রসাদ পাল (২৭)। বুধবার সকালে সেচখালে স্নান করার সময় তিনি জলে তলিয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে তাঁকে জামতাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।



