সংবাদদাতা, ইটাহার: প্রথমে পথচারীকে পিষে দেওয়া। তারপর কালভার্টে বসে থাকা ব্যক্তিকে ধাক্কা। তারপর টোটোর পিছনে ধাক্কা। বেপরোয়া ট্রাকচালকের গাফিলতিতে অবাক স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতা ট্রাকচালককে ধরে বেধড়ক মার দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকচালককে উদ্ধার করে পুলিস। পরিস্থিতি সামাল দেয় ইটাহার থানার পুলিস।
Advertisement
শনিবার বিকেলে ইটাহারের কুরমানপুর এলাকায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম হামেদুর রহমান (৫৫)। তাঁর বাড়ি ইটাহারের কাশিবাড়িতে। নজরুল ইসলাম নামে আরেকজন আশঙ্কাজনক। তাঁর বাড়ি কুরমানপুরে।
হামেদুর শুক্রবার কুরমানপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে আসেন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। শনিবার বিকেলে জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন তিনি। হঠাৎ রায়গঞ্জমুখী পণ্যবোঝাই ট্রাকটি পিছন থেকে এসে প্রথমে হামেদুরকে ধাক্কা মারে। ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর।
এরপর ট্রাকটি রাস্তার ধারের কালভার্টের উপরে বসে থাকা নজরুলকে ধাক্কা মারে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নজরুলকে প্রথমে ইটাহার হাসপাতাল ও পরে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। টোটোটি ট্রাকের নীচে ঢুকে যায়। অল্পের জন্য রক্ষা পান টোটোচালক আব্দুল সাক্তার। দুর্ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিস জানায়, ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। - নিজস্ব চিত্র
হামেদুর শুক্রবার কুরমানপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে আসেন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। শনিবার বিকেলে জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন তিনি। হঠাৎ রায়গঞ্জমুখী পণ্যবোঝাই ট্রাকটি পিছন থেকে এসে প্রথমে হামেদুরকে ধাক্কা মারে। ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর।
এরপর ট্রাকটি রাস্তার ধারের কালভার্টের উপরে বসে থাকা নজরুলকে ধাক্কা মারে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নজরুলকে প্রথমে ইটাহার হাসপাতাল ও পরে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। টোটোটি ট্রাকের নীচে ঢুকে যায়। অল্পের জন্য রক্ষা পান টোটোচালক আব্দুল সাক্তার। দুর্ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিস জানায়, ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। - নিজস্ব চিত্র



