সংবাদদাতা, কালিয়াচক: ফের কালিয়াচকে সক্রিয় হয়ে উঠছে আগ্নেয়াস্ত্র কারবারিরা। উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক আগ্নেয়াস্ত্র। যা ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। নতুন বছরেই প্রায় দশটি আগ্নেয়াস্ত্র সহ বেশকিছু কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার কালিয়াচক থানা, মোথাবাড়ি থানা এবং মালদহ জেলা পুলিসের ক্রাইম মনিটরিং গ্রুপ কালিয়াচক থানা এলাকার খালতিপুরে অভিযান চালিয়ে একটি সেভেন এমএম পিস্তল ও সাত রাউন্ড কার্তুজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হল হাসিবুল শেখ, জাবান আলি ও আসকার আলি। হাসিবুল ও জাবান কালিয়াচকের বাসিন্দা হলেও আসকার মণিপুরের ইম্ফলের বাসিন্দা। এদিন খবর পাওয়া মাত্রই ক্রাইম মনিটরিং গ্রুপ কালিয়াচক এবং মোথাবাড়ি থানার পুলিসকে নিয়ে খালতিপুরে হাসিবুলের বাড়িতে অভিযান চালায়। পুরো বাড়ি তল্লাশি নেওয়ার পর হাসিবুলের ঘরের একটি বাক্স থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজগুলি উদ্ধার হয়। পাশাপাশি ১৬৯ বোতল কাফ সিরাপ পায় পুলিস। হাসিবুলের বাড়িতেই বাকি দু’জন উপস্থিত ছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই অসংলগ্ন কথা বলায় পুলিস তাদের গ্রেপ্তার করে। তবে এত কার্তুজ হাসিবুলরা কোথা থেকে পেল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। কালিয়াচককে কেন্দ্র করে ফের আন্তঃরাজ্য অস্ত্র ও মাদক কারবারীরা সক্রিয়তা বাড়াচ্ছে? এক পুলিস আধিকারিকের কথায়, কালিয়াচকে ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে অস্ত্র এবং মাদক কারবারিরা। আর এই বিষয়টি উঠে আসার পর থেকেই তাদের গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়াচ্ছে পুলিস। কাউকে সন্দেহ হলেই আটক করে তল্লাশি নেওয়া হচ্ছে। এমনকি সক্রিয় রয়েছে গোয়েন্দা বিভাগও। ফলে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে যথেষ্ট সাফল্য মিলছে। মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেছেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এদিন ধৃত তিনজনকে মালদহ জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ৭ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।



