সংবাদদাতা, করণদিঘি: এক বছরের ব্যবধানে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বাড়ল ডালখোলা ১ গ্ৰাম পঞ্চায়েতে। গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায় যক্ষ্মা (টিবি) রোগীদের বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার দিচ্ছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, যক্ষ্মামুক্ত গ্ৰাম পঞ্চায়েত গড়ে তোলার লক্ষ্যে গত এক বছর ধরে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর এই গ্রাম পঞ্চায়েতে ১১ জন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করেছে। রোগীরা নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন কি না, নিশ্চিত করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পঞ্চায়েত প্রধান প্রার্থনা বিশ্বাস বলেন, যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা গত একবছর আগে ছিল ৪ জন। এবছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জন।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, যক্ষ্মা নিরাময়ে ওষুধের পাশাপাশি দরকার পুষ্টিকর খাবার। কিন্তু আর্থিক অনটনের কারণে রোগীদের একাংশ নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার পান না। সেজন্য পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ প্রতিমাসে যক্ষ্মা রোগীদের পুষ্টিকর খাবার সামগ্ৰী দেওয়া শুরু করেছে।
প্রথম ধাপে ১১ জন যক্ষ্মা রোগীকে ফল, ডিম, সোয়াবিন, ডাল, চাল তেল সহ পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। এজন্য পঞ্চায়েতের নিজস্ব ফান্ড থেকে টাকা খরচ করা হবে। করণদিঘি গ্ৰামীণ হাসপাতালের কর্মী গণেশ দত্ত জানান, করণদিঘি ব্লকের ডালখোলা ১ গ্ৰাম পঞ্চায়েতে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। নিঃক্ষয় মিত্র ও আশাকর্মীদের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন ওষুধ খাওয়ানো সহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হয়। বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ সহ যক্ষ্মা রোগীর জন্য কফ পরীক্ষা করা হয়। প্রধান সহ পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্ৰামগুলিতে সচেতনতামূলক শিবির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রথম ধাপে ১১ জন যক্ষ্মা রোগীকে ফল, ডিম, সোয়াবিন, ডাল, চাল তেল সহ পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। এজন্য পঞ্চায়েতের নিজস্ব ফান্ড থেকে টাকা খরচ করা হবে। করণদিঘি গ্ৰামীণ হাসপাতালের কর্মী গণেশ দত্ত জানান, করণদিঘি ব্লকের ডালখোলা ১ গ্ৰাম পঞ্চায়েতে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। নিঃক্ষয় মিত্র ও আশাকর্মীদের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন ওষুধ খাওয়ানো সহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হয়। বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ সহ যক্ষ্মা রোগীর জন্য কফ পরীক্ষা করা হয়। প্রধান সহ পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্ৰামগুলিতে সচেতনতামূলক শিবির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।



