সংবাদদাতা, বোলপুর: সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষজনদের জন্য সুখবর। এবছর ছ’দিন ধরে হবে শান্তিনিকেতন পৌষমেলা। আর এই ছ’দিনই পূর্বপল্লির মেলার মাঠের বাউল মঞ্চে হবে বিভিন্ন লোকসংস্কৃতির অনুষ্ঠান। মূলত, এই আয়োজন বিশ্বভারতীর উদ্যোগেই হয়। তবে, এবছর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে আগ্রহী হয়েছে। চারদিন বিশ্বভারতী ও শেষ দু’দিন আউল-বাউল, ফকিরি সহ বীরভূমের বিভিন্ন লোকসংস্কৃতি তুলে ধরবে জেলা প্রশাসন। বিশ্বভারতীর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেলার অন্যতম উদ্যোক্তা বিশ্বভারতী কর্মী পরিষদ। অনুষ্ঠান আয়োজন করার কথা স্বীকার করেছেন জেলাশাসক বিধান রায়। তিনি বলেন, বিশ্বভারতীর পাশাপাশি বীরভূম জেলার লোকসংস্কৃতির নিজস্ব ভাবধারা রয়েছে। সেগুলিকেই পৌষমেলায় যথাযথ মর্যাদায় তুলে ধরা হবে। মেলা মানেই মিলন উৎসব। মানুষের সঙ্গে মানুষ, সংস্কৃতির সঙ্গে শিল্প—সবকিছু যেন মিলেমিশে একাকার। আর বিশ্বভারতীর পৌষমেলা মানে গ্রামীণ হস্তশিল্পের পাশাপাশি সংস্কৃতি, খেলাধুলা, প্রদর্শনী। মূলত, শিল্প সামগ্রী বিকিকিনির পাশাপাশি লোকসংস্কৃতি পৌষমেলার অন্যতম বড় ঐতিহ্য। বিশ্বভারতী আয়োজিত পৌষমেলায় বাউল, ফকির, রাইবেশে, যাত্রাপালা, কীর্তন প্রভৃতি দেখতে মেলার বাউল মঞ্চে কাতারে কাতারে মানুষজন আসেন। এবং এটিই বিশ্বভারতীর রীতি এবং ঐতিহ্য।
Advertisement
গতবছরেই পূর্বপল্লির মাঠে হয় পৌষমেলা। সেখানেও বীরভূমের লোকসংস্কৃতিকেও প্রাধান্য দেওয়া হয়। এবারেও তার অন্যথা হবে না। বরং চারদিনের পরিবর্তে ছ’দিন ধরে আয়োজিত হবে বিভিন্ন রকমের লোকসংস্কৃতি অনুষ্ঠান। বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবীণ বাউল শিল্পী তরুণ ক্ষ্যাপা ও ফকির নুর আলী শেখ। তাঁরা বলেন, গুরুদেবের পৌষমেলায় লোকসংস্কৃতি বরাবরই প্রাধান্যের সঙ্গে ঠাঁই পেয়েছে। তবে, বিশ্বভারতীর পাশাপাশি জেলা প্রশাসন যেভাবে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে, সেজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। মেলায় প্রতিদিন অনুষ্ঠান হবে ভেবে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
এদিকে, পৌষমেলায় স্টল বুকিং নিয়ে জালিয়াতি ও দুর্নীতি রুখতে সোমবার বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সরেনকে স্মারকলিপি দিলেন বোলপুরের ব্যবসায়ীরা। এদিন বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি ও শান্তিনিকেতন কবিগুরু হস্তশিল্প সমিতির সদস্যরা শান্তিনিকেতনের সেন্ট্রাল অফিসে এই উদ্দেশ্যে সমবেত হন। ব্যবসায়ীদের পক্ষে সুনীল সিং ও আমিনুল হুদা বলেন মেলা কমিটির সঙ্গে জড়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ কর্মী সৎ নন। তাঁরা, পুরনো রসিদ দেখিয়ে ভিন্ন ভিন্ন আধার কার্ড দিয়ে একাধিক স্টল অনলাইনে বুকিং করেন। এরপর সেগুলিকে গরিব ব্যবসায়ীদের কাছে চড়ামূল্যে স্টল বিক্রি করেন। মেলা কমিটির অনেকে বিষয়টি জেনেও মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন। আমরা দুর্নীতি রুখতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনের নজরে এনেছি। আশা করি, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ মেলা হবে। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সরেন বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে।
এদিকে, পৌষমেলায় স্টল বুকিং নিয়ে জালিয়াতি ও দুর্নীতি রুখতে সোমবার বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সরেনকে স্মারকলিপি দিলেন বোলপুরের ব্যবসায়ীরা। এদিন বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি ও শান্তিনিকেতন কবিগুরু হস্তশিল্প সমিতির সদস্যরা শান্তিনিকেতনের সেন্ট্রাল অফিসে এই উদ্দেশ্যে সমবেত হন। ব্যবসায়ীদের পক্ষে সুনীল সিং ও আমিনুল হুদা বলেন মেলা কমিটির সঙ্গে জড়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ কর্মী সৎ নন। তাঁরা, পুরনো রসিদ দেখিয়ে ভিন্ন ভিন্ন আধার কার্ড দিয়ে একাধিক স্টল অনলাইনে বুকিং করেন। এরপর সেগুলিকে গরিব ব্যবসায়ীদের কাছে চড়ামূল্যে স্টল বিক্রি করেন। মেলা কমিটির অনেকে বিষয়টি জেনেও মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন। আমরা দুর্নীতি রুখতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনের নজরে এনেছি। আশা করি, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ মেলা হবে। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সরেন বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে।



