সংবাদদাতা, সিউড়ি: পাঁচ বছর পর শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বভারতীর উদ্যোগে। তাই এবার বক্রেশ্বরে পর্যটকের ভিড় হওয়ার আশা করছেন সেখানকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা। শীতের মরশুমে উষ্ণ প্রস্রবনের জলে পুণ্যস্নান করতে প্রতিবছরই ভিড় জমান বহু পর্যটক। সাধারণত শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা দেখে অনেকেই বক্রেশ্বর ঘুরে যেতেন। কিন্তু মাঝে বেশ কয়েক বছর পৌষমেলা নিয়ে ডামাডোলের জেরে পর্যটকের ভিড় কমেছিল বক্রেশ্বরে। এবছর ফের বিশ্বভারতীর উদ্যোগে পৌষমেলা হওয়ায় খুশি বক্রেশ্বরের পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
২৩ ডিসেম্বর থেকে শান্তিনিকেতন আশ্রমপল্লির মাঠে শুরু হয়েছে পৌষমেলা। এবছরও পৌষমেলা ফেরত বহু পর্যটক বক্রেশ্বরে আসবেন বলে আশায় বুক বেঁধেছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। এদিকে পর্যটকদের আনাগোনা বৃদ্ধির আশায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উষ্ণ প্রস্রবণ ও সংলগ্ন অঞ্চল নতুন করে সংস্কার করা হয়েছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে উষ্ণ প্রস্রবণের স্নানের পুলগুলি। পীঠস্থানও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই পীঠস্থানের তোরণের কাছে প্রতিদিন অসংখ্য বাস দাঁড়ায়। সেখানে যাত্রী ওঠানামা করে। কিন্তু এই স্টপেজে নেই কোনও যাত্রী প্রতীক্ষালয়, শৌচালয় এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা। ফলে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে সমস্যায় পড়তে হয় বাসে করে আসা পর্যটকদের।
অন্যদিকে মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশের মতে শীত পড়তেই বক্রেশ্বরে ভিড় জমাচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। বোলপুর থেকে পৌষমেলা শুরুর আগেই অনেকে বক্রেশ্বরে হোটেল বুকিং করে রেখেছেন। একদিকে পৌষমেলা এবং অন্যদিকে বড়দিনের উৎসবের মুহূর্তে জমে উঠতে চলছে বক্রেশ্বর পীঠস্থান।
সোমবার উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করতে কাকদ্বীপ থেকে আসা পর্যটক বিমল দত্ত, কাশীনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা বছরে অন্তত একবার বক্রেশ্বর আসি। এবার বক্রেশ্বরে স্নান সেরে আগামীকাল যাব বোলপুর পৌষমেলায়। সেখানে দু’দিন থাকার পর তারাপীঠে পুজো দিয়ে ফিরে যাব।
বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির সেবায়েত মনোরঞ্জন আচার্য্য বলেন, শীতের মরশুমে প্রতিবারই দারুন ভিড় হয় এখানে। এবার আরও বেশি হবে। কারণে এবার ফের শান্তিনিকেতনে হচ্ছে পৌষমেলা। অনেক পর্যটক শান্তিনিকেতনের সঙ্গে বক্রেশ্বরেও বেড়াতে আসছেন। সেই সঙ্গে রয়েছে বড়দিনের ছুটি। তাই এবার আরও ভিড় হবে।
অন্যদিকে মন্দিরের সেবায়েতদের একাংশের মতে শীত পড়তেই বক্রেশ্বরে ভিড় জমাচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। বোলপুর থেকে পৌষমেলা শুরুর আগেই অনেকে বক্রেশ্বরে হোটেল বুকিং করে রেখেছেন। একদিকে পৌষমেলা এবং অন্যদিকে বড়দিনের উৎসবের মুহূর্তে জমে উঠতে চলছে বক্রেশ্বর পীঠস্থান।
সোমবার উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করতে কাকদ্বীপ থেকে আসা পর্যটক বিমল দত্ত, কাশীনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা বছরে অন্তত একবার বক্রেশ্বর আসি। এবার বক্রেশ্বরে স্নান সেরে আগামীকাল যাব বোলপুর পৌষমেলায়। সেখানে দু’দিন থাকার পর তারাপীঠে পুজো দিয়ে ফিরে যাব।
বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির সেবায়েত মনোরঞ্জন আচার্য্য বলেন, শীতের মরশুমে প্রতিবারই দারুন ভিড় হয় এখানে। এবার আরও বেশি হবে। কারণে এবার ফের শান্তিনিকেতনে হচ্ছে পৌষমেলা। অনেক পর্যটক শান্তিনিকেতনের সঙ্গে বক্রেশ্বরেও বেড়াতে আসছেন। সেই সঙ্গে রয়েছে বড়দিনের ছুটি। তাই এবার আরও ভিড় হবে।



