Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পৌষমেলা নিয়ে ২৫ নভেম্বর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বিশ্বভারতী

পৌষমেলা নিয়ে ২৫ নভেম্বর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বিশ্বভারতী
  • ২১ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বোলপুর: পৌষমেলা নিয়ে আগামী ২৫ নভেম্বর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসার উদ্যোগ নিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বৈঠকটি হবে শান্তিনিকেতনের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির কনফারেন্স হলে। এমনটাই বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে। উপস্থিত থাকার জন্য মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, জেলাশাসক বিধান রায়, জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ, জেলা পুলিস সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় সহ জেলার প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বিশ্বভারতী। ‌ ২০১৯ সালের পর এই প্রথম শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট ও বিশ্বভারতী যৌথ উদ্যোগে মেলা হচ্ছে। কিন্তু এত বড় কর্মযজ্ঞ জেলা প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া করা সম্ভব নয়। তাই প্রশাসন যাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, সেজন্য প্রস্তাবিত বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও রাজ্য ও জেলার তরফে সব রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন জেলা সভাধিপতি। এবার মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও জেলাশাসক বিধান রায়ও মেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। বুধবার পূর্বপল্লির মাঠ পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন বিশ্বভারতী কর্মী পরিষদ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্যরাও। 
Advertisement
মেলায় পরিবেশবিধি মেনে চলার ব্যাপারে প্রথম থেকেই সতর্ক বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার পরিবেশবিদ সুভাষ দত্তের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয়কুমার সরেন।‌ সেই কারণেই মেলার মাঠের বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের আধিকারিকরা পূর্বপল্লিতে যান। সেখানে, স্টল বন্টন, বায়ো টয়লেট স্থাপন, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা প্রভৃতি জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ‌জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের মতো এবারও অনলাইনের মাধ্যমে স্টল বন্টন করা হবে।‌ সেই বিষয়টি আইআইটি খড়গপুরের প্রযুক্তিগত সহায়তায় হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ভবনের স্ট্যাটিসটিক বিভাগের অধ্যাপক অরিন্দম চক্রবর্তী। তিনিও এদিনের পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন।‌ তাঁদের সকলের উপস্থিতিতে স্টলের আকার, অবস্থান ও পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।‌ তবে, তার আগে প্রশাসনিক বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বভারতী কর্মী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক দেবাশিস রায় বলেন, ‘আমরা সকলেই জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের মুখাপেক্ষি হয়ে রয়েছি। বৈঠক ইতিবাচক হলে পরবর্তীতে মাঠ পরিষ্কার, স্টল বণ্টন প্রভৃতির কাজ শুরু হবে।’ যদিও বৈঠকের আগেই সব রকম প্রশাসনিক সহযোগিতার হাত বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও জেলাশাসক বিধান রায়। তারা বলেন, ‘বিশ্বভারতীর পৌষ উৎসব ও মেলা জেলার অন্যতম ঐতিহ্য। তা ধরে রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।’
(পৌষমেলার প্রাক্কালে বুধবার সকালে পূর্বপল্লির মাঠ পরিদর্শন আধিকারিক‌দের। -নিজস্ব চিত্র)
সম্পর্কিত সংবাদ