Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পোষা মুরগি নিয়ে বচসা, কুড়ুলের কোপ

পোষা মুরগি নিয়ে বচসা, কুড়ুলের কোপ
  • ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: পোষা মুরগি অন্যের ঘরে ঢুকে গিয়েছিল। যা নিয়ে শুরু হয় বচসা। সেই সময় এক ব্যক্তিকে কুড়ুল দিয়ে কোপানো হয়। পাত্রসায়রের ধগড়িয়া গ্রামের ওই ঘটনায় তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম কাজলউদ্দিন শেখ, ফিরোজউদ্দিন শেখ ও আব্দুল সাত্তার শেখ। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে তিন প্রতিবেশীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় কুড়ুল দিয়ে কোপানো হয়। তিনি দুর্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, ধগড়িয়া গ্রামের রাজেশ মিদ্যার কয়েকটি পোষা মুরগি রয়েছে। খাবারের সন্ধানে দু’টি মুরগি প্রতিবেশী কাজলউদ্দিনদের বাড়িতে চলে যায়। তার জেরে কাজলউদ্দিন সহ তার পরিবারের লোকজন রাজেশের বাড়ির সামনে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। পরে যে যার বাড়ি চলে যায়। তার কিছুক্ষণ পরে কাজলউদ্দিন সহ তার পরিবারের বেশ কয়েকজন লাঠিসোঁটা, শাবল, কোদাল, কুড়ুল নিয়ে রাজেশের বাড়িতে চড়াও হয়। প্রথমে রাজেশকে যথেচ্ছভাবে কিল ও ঘুসি মারা হয়। তা দেখে রাজেশের  মা ও বাবা দু’জনেই বেরিয়ে আসেন। ওদের হাত থেকে ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তখন রাজেশের মা ঊর্মিলা বেগমকে রড দিয়ে মারা হয়। বাধা দিতে গেলে রডের আঘাতে তাঁর হাতের রক্ত মাংস বেরিয়ে যায়। রাজেশের বাবা সৈয়দ আলি মিদ্যাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে এলোপাথাড়ি লাথি মারা হয়। পরে কুড়ুল দিয়ে তাঁর মাথায় একাধিকবার আঘাত করা হয়। তাঁদের চিৎকার শুনে গ্রামের অন্যান্যরা চলে এলে আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ