সংবাদদাতা, চাঁচল: কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা শ্রমিক রাজ্য সড়কের ধারে ইটভাটায় কাজ করতে ব্যস্ত। পাশেই খেলাধুলোয় মগ্ন শিশুরা। তখন ঠিক স্কুল টাইম। এই দৃশ্য দেখে গাড়ি থামিয়ে চাঁচলের পাকুরতলায় ইটভাটায় ঢুকে পড়েন মালদহ জেলা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাইমারি) মলয় মণ্ডল। তিনি দেখেন কয়েকজন শ্রমিক সন্তানদের কর্মস্থলে নিয়ে এসেছেন। ডিআইয়ের প্রশ্নের জবাবে শ্রমিকেরা বলেন, সন্তানরা স্কুলে যেতে চায় না, সেজন্য সঙ্গে নিয়ে আসি। ইটভাটার শ্রমিক মেহেদি খাতুন আধিকারিকদের জানান, স্বামী উপার্জনের খোঁজে যায়। আমিও কাজ করতে আসি। তাই ছেলেকে একা রাখতে পারছি না।
Advertisement
এদিন চাঁচলের বিভিন্ন প্রাইমারি স্কুলে মিড ডে মিলের খাবার ও পড়াশোনার মান খতিয়ে দেখতে আসেন জেলা শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। জেলা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের (প্রাইমারি) পাশাপাশি ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর বন্দনা ঘোষ, জেলা প্রাইমারি কাউন্সিলের ফিনান্স অফিসার দীপঙ্কর রায় ও খরবা-১ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দেবলীনা ধর। মলয় মণ্ডল বলেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলিতে আমরা দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছি। আমাদের উদ্দেশ্য, কেউ যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। এদিন খরবা-১ চক্রের আশাপুর শক্তিহার প্রাইমারি স্কুল পরিদর্শন করা হয়। পড়াশোনার মান যাচাইয়ে ১৫ মিনিট সেখানে ক্লাস নেন জেলা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক। দেবলীনা ধর বলেন, এই চক্রে ৪৯ টি স্কুলে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা এলাকায় গিয়ে সচেতন করার ফলে স্কুলছুট নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।



