নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: সাইকেলে মাছের গাড়ির ধাক্কা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুরে পাঁশকুড়ার পুরুষোত্তমপুরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজনকে মারধর করা হয়। যার প্রতিবাদে প্রায় চার ঘণ্টা পাঁশকুড়া-তমলুক রাজ্য সড়ক অবরোধ করে। তাতে ভোগান্তি চরমে ওঠে। অবরোধ উপেক্ষা করে দু’-একটি গাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা যানবাহনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কয়েকশো মানুষ প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় অসহায় হয়ে পড়ে পুলিস। পাঁশকুড়া থানা ও জেলা পুলিস লাইন থেকে প্রচুর বাহিনী পুরুষোত্তপুরে পৌঁছয়। সন্ধ্যা ৫টা নাগাদ অবরোধ তোলা হয়। দুর্ভোগে নাকাল হয় বহু মানুষ।
Advertisement
শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ পুরুষোত্তমপুরে বাজারে রাস্তার পাশে স্ট্যান্ড করে রাখা একটি সাইকেলে মাছের গাড়ি ধাক্কা মারে। পিকআপ ভ্যান ঘোরানোর সময় সাইকেলে ধাক্কা লাগে। তখনই স্থানীয় দোকানদের সঙ্গে ওই পিকআপ ভ্যানের চালক তথা মালিকের বাদানুবাদ হয়। মাছের গাড়ির চালক নিজের এলাকা থেকে লোকজন ডেকে এনে তিনজন দোকানদারকে বেদম পেটায় বলে অভিযোগ। তারপরই ওই পিকআপ ভ্যান পুরুষোত্তমপুর থেকে চলে যায়।
দোকানদারদের মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয় লোকজন এবং দোকানদাররা জোট বাঁধেন। দোকানদারের উপর হামলায় ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে পুরুষোত্তমপুরে অবরোধ শুরু হয়। সময় গত গড়িয়েছে অবরোধকারীর সংখ্যা তত বেড়েছে। অবরোধ চলাকালীন মাঝেমধ্যেই প্রবল উত্তেজনা ছড়ায়। বিশেষ করে যানবাহন জোর করে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা বাড়ে।
জানা গিয়েছে, ময়না ও পাঁশকুড়া সহ পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিকআপ ভ্যানে জলভর্তি করে রুই, কাতলা, মৃগেল মাছ অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। দ্রুত গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে চালকদের অনেকেই বেপরোয়া গতিতে মাছের গাড়ি চালান বলে অভিযোগ। এরআগে ময়নায় এক স্কুল পড়ুয়াকে পিষে দিয়েছিল। হামেশাই মাছের গাড়ির জন্য দুর্ঘটনা ঘটছে। তাছাড়া গাড়ি থেকে আঁশটে জল ছিটকে রাস্তায় পড়ে। সেই জল পথচারী গায়ে পড়ে। এজন্য মাছের গাড়ি নিয়ে সাধারণ মানুষজনের ক্ষোভ রয়েছে। শুক্রবারের স্বতঃস্ফূর্ত অবরোধ ও প্রতিবাদ সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।
পুরুষোত্তমপুর পঞ্চায়েতের প্রধান সত্যজিৎ ত্রিপাঠী বলেন, পুরুষোত্তমপুরে একটি সাইকেলকে ধাক্কা মারার ঘটনা থেকে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। ওই মাছের গাড়ির চালক লোকজন জুটিয়ে তিন দোকানদারকে মারধর করে। তারপরই সেই গাড়ি এলাকা ছাড়ে। এরপর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকার লোকজন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে অবরোধে নামে। আমরা পুলিসের সঙ্গে সহযোগিতা করে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করি। ওই পিকআপ ভ্যানের রেজিস্ট্রেশন নম্বর রয়েছে। আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। পাঁশকুড়া থানার আইসি সমর দে বলেন, কিছুক্ষণ অবরোধ ছিল। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
দোকানদারদের মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয় লোকজন এবং দোকানদাররা জোট বাঁধেন। দোকানদারের উপর হামলায় ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে পুরুষোত্তমপুরে অবরোধ শুরু হয়। সময় গত গড়িয়েছে অবরোধকারীর সংখ্যা তত বেড়েছে। অবরোধ চলাকালীন মাঝেমধ্যেই প্রবল উত্তেজনা ছড়ায়। বিশেষ করে যানবাহন জোর করে যাওয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা বাড়ে।
জানা গিয়েছে, ময়না ও পাঁশকুড়া সহ পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিকআপ ভ্যানে জলভর্তি করে রুই, কাতলা, মৃগেল মাছ অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। দ্রুত গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে চালকদের অনেকেই বেপরোয়া গতিতে মাছের গাড়ি চালান বলে অভিযোগ। এরআগে ময়নায় এক স্কুল পড়ুয়াকে পিষে দিয়েছিল। হামেশাই মাছের গাড়ির জন্য দুর্ঘটনা ঘটছে। তাছাড়া গাড়ি থেকে আঁশটে জল ছিটকে রাস্তায় পড়ে। সেই জল পথচারী গায়ে পড়ে। এজন্য মাছের গাড়ি নিয়ে সাধারণ মানুষজনের ক্ষোভ রয়েছে। শুক্রবারের স্বতঃস্ফূর্ত অবরোধ ও প্রতিবাদ সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।
পুরুষোত্তমপুর পঞ্চায়েতের প্রধান সত্যজিৎ ত্রিপাঠী বলেন, পুরুষোত্তমপুরে একটি সাইকেলকে ধাক্কা মারার ঘটনা থেকে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। ওই মাছের গাড়ির চালক লোকজন জুটিয়ে তিন দোকানদারকে মারধর করে। তারপরই সেই গাড়ি এলাকা ছাড়ে। এরপর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকার লোকজন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে অবরোধে নামে। আমরা পুলিসের সঙ্গে সহযোগিতা করে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করি। ওই পিকআপ ভ্যানের রেজিস্ট্রেশন নম্বর রয়েছে। আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। পাঁশকুড়া থানার আইসি সমর দে বলেন, কিছুক্ষণ অবরোধ ছিল। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।



