নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় রেকর্ড সংখ্যক শস্যবিমার আবেদন জমা পড়ল। শস্যবিমার আবেদন জমার নিরিখে রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করল এই জেলা। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এখনও পর্যন্ত ৭ লক্ষ ৭৮ হাজারের বেশি মানুষ শস্যবিমার আবেদন করেছে। গত বছরের তুলনায় যা দেড় লক্ষ বেশি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা উপকৃত হবেন। ফসল কাটার ১৫ দিনের মধ্যে ফসলের ক্ষতি হলেও মিলবে ক্ষতিপূরণের টাকা। নয়া এই নিয়মে খুশি জেলার চাষিরা। জেলায় ১০ লক্ষ চাষিকেই এই প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।
Advertisement
অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক মিশন ডিরেক্টর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলাশাসক (কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, জেলায় ১০ লক্ষের বেশি কৃষক রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য একশো শতাংশ কৃষককে এই প্রকল্পের আওতায় আনা।
দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক চাষি শস্যবিমার আবেদন জমা করেছেন। রাজ্যের অন্যান্য জেলার তুলনায় আমরা অনেকটাই এগিয়ে। শস্যবিমা নিয়ে লাগাতার প্রচার হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন চাষিরা।
প্রসঙ্গত, কৃষি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধান চাষ বাড়াতে চাষিদের উৎসাহ দিচ্ছে জেলা কৃষিদপ্তর। ইতিমধ্যেই জেলার প্রতিটি ব্লকে ধান ছাড়াও আলু ও অন্যান্য চাষের প্রবণতা বেড়েছে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন চাষিরা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কৃষিতে স্বনির্ভর হওয়ার কথা বলেছেন। জেলায় কৃষক বন্ধু সহ নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার চাষিরা। পাশাপাশি শস্যবিমা প্রকল্প কৃষিতে নতুন পথ দেখাচ্ছে। চাষে কোনও কারণে ক্ষয়ক্ষতি হলেও তাঁরা হতাশ হচ্ছেন না। চাষিদের কথায়,
বেশকিছু বছর আগেও কৃষকদের জন্য কোনও বিমার ব্যবস্থা ছিল না। কোনও মরশুমে চাষের ক্ষতি হলে চাষিদের পক্ষে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হতো না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় মোট ৭ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৩৮টি ফর্ম জমা পড়েছে। এরমধ্যে এখনও অবধি কৃষিদপ্তর থেকে অনুমোদন পেয়েছেন ৭ লক্ষ ২৭ হাজার ৫৫৮ চাষি। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে কেশপুর, সবং, ডেবরা, দাঁতন-১, দাঁতন-২, ঘাটাল, দাসপুর-১ ও দাসপুর-২ ব্লক থেকে। অতিবৃষ্টির ফলে এই সমস্ত এলাকায় চাষের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছিল।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বন্যা পরিস্থিতির জেরে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সমস্যায় পড়েছেন জেলার কয়েক লক্ষ চাষি। কিন্তু বন্যা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ডানা ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকাতেও শস্যবিমার লাগাতার প্রচার করার ফলে সাফল্য মিলতে শুরু করেছে। চাষিরাও শস্যবিমার সুফল জানতে পারছেন।
এদিন কেশপুর এলাকার চাষি প্রভাস মণ্ডল বলেন, শস্যবিমার জন্য আবেদন করেছি। সকলের এই প্রকল্পের আওতায় আসা উচিত।
দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক চাষি শস্যবিমার আবেদন জমা করেছেন। রাজ্যের অন্যান্য জেলার তুলনায় আমরা অনেকটাই এগিয়ে। শস্যবিমা নিয়ে লাগাতার প্রচার হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন চাষিরা।
প্রসঙ্গত, কৃষি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ধান চাষ বাড়াতে চাষিদের উৎসাহ দিচ্ছে জেলা কৃষিদপ্তর। ইতিমধ্যেই জেলার প্রতিটি ব্লকে ধান ছাড়াও আলু ও অন্যান্য চাষের প্রবণতা বেড়েছে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন চাষিরা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কৃষিতে স্বনির্ভর হওয়ার কথা বলেছেন। জেলায় কৃষক বন্ধু সহ নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার চাষিরা। পাশাপাশি শস্যবিমা প্রকল্প কৃষিতে নতুন পথ দেখাচ্ছে। চাষে কোনও কারণে ক্ষয়ক্ষতি হলেও তাঁরা হতাশ হচ্ছেন না। চাষিদের কথায়,
বেশকিছু বছর আগেও কৃষকদের জন্য কোনও বিমার ব্যবস্থা ছিল না। কোনও মরশুমে চাষের ক্ষতি হলে চাষিদের পক্ষে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হতো না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় মোট ৭ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৩৮টি ফর্ম জমা পড়েছে। এরমধ্যে এখনও অবধি কৃষিদপ্তর থেকে অনুমোদন পেয়েছেন ৭ লক্ষ ২৭ হাজার ৫৫৮ চাষি। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে কেশপুর, সবং, ডেবরা, দাঁতন-১, দাঁতন-২, ঘাটাল, দাসপুর-১ ও দাসপুর-২ ব্লক থেকে। অতিবৃষ্টির ফলে এই সমস্ত এলাকায় চাষের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছিল।
কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বন্যা পরিস্থিতির জেরে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সমস্যায় পড়েছেন জেলার কয়েক লক্ষ চাষি। কিন্তু বন্যা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ডানা ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকাতেও শস্যবিমার লাগাতার প্রচার করার ফলে সাফল্য মিলতে শুরু করেছে। চাষিরাও শস্যবিমার সুফল জানতে পারছেন।
এদিন কেশপুর এলাকার চাষি প্রভাস মণ্ডল বলেন, শস্যবিমার জন্য আবেদন করেছি। সকলের এই প্রকল্পের আওতায় আসা উচিত।



