নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: জেলা বিজেপির অন্দরে ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনায় ঘুম উড়েছে গেরুয়া নেতাকর্মীদের। নাওয়া খাওয়া ছেড়ে প্রত্যেকেই জানতে চাইছেনে, ‘লিস্টে নাম আদৌ আছে তো?’ রাজনৈতিক মহল সূত্রে খবর, জেলা সভাপতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু নতুন জেলা সভাপতি কে হবে, তা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই একাধিক নাম সামনে আসতে শুরু করেছে। এক বিজেপি নেতার কথায়, সারা বছর কাজের ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিকে জেলা সভাপতি করা হতে পারে। না হলে গোষ্ঠী কোন্দল বাড়বে। জেলা সাংগঠনিক পদ নিয়ে দলের অন্দরে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির বর্তমান সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন, আমরা দলের সৈনিক। দল যা নির্দেশ দেবে সেভাবেই চলব।
Advertisement
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির একাংশ বর্তমান জেলা সভাপতিকে পছন্দ করছে না। দলের একাংশ বরাবর তাঁর কাজের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এমনকী মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। তাই দলের একটা বড় অংশের কর্মী সমর্থক চাইছেন, জেলা সভাপতি বদল হোক। বিজেপির অন্দরে নতুন সভাপতি হিসেবে ঘুরপাক খাচ্ছে বেশকিছু নাম। জানা গিয়েছে, নতুন জেলা সভাপতি হতে পারেন বর্তমান জেলা সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত। শঙ্করবাবুর জনসংযোগ ভালো। অপরদিকে, জেলা সভাপতি হিসেবে জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাসের নামও উঠে আসছে। শহর এলাকায় তাঁর পরিচিতি ভালোই। পাশাপাশি মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়ের নামও কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে। উপ নির্বাচনে হেরে গেলেও তিনি ভালো সংখ্যক ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, জেলা বিজেপির যুব সভাপতি আশীর্বাদ ভৌমিকের নাম নিয়েও আলোচনা চলছে দলীয় বৃত্তে। দলের একাংশ চাইছে কম বয়সিদের হাতেই থাক দলের রাশ। আবার একাংশের দাবি, স্বচ্ছতার উপর ভিত্তি করে জেলা সভাপতি বেছে নেওয়া হোক।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ভালো ফলাফলের পর বিজেপির আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। অনেকেই মনে করেছিলেন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে মসনদে বসবে বিজেপি। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নেতৃত্বের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যায় গেরুয়া বাহিনী। পরে পুরসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন, এমনকী গত লোকসভা নির্বাচনেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বিজেপি।
তার অন্যতম কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা। এছাড়া ক্ষমতায় না এসেই গোষ্ঠী কোন্দল দেখা দিয়েছে দলের অন্দরে, যা ভালো চোখে দেখেনি সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি বিজেপি নেতাদের জনসংযোগে ঘাটতি রয়েছে। বিজেপির এক নেতা বলেন, দলের উচ্চ নেতৃত্বের একাংশ আলোচনা না করেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন। একইসঙ্গে গোষ্ঠী কোন্দলকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অনেকেই ভিতরে ভিতরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
জেলা বিজেপির সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, পদ পাওয়ার জন্য দল করি না। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেভাবেই চলতে হবে। এনিয়ে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক কটাক্ষের সুরে বলেন, বিজেপির যেই পদে আসুন না কেন, মানুষের জন্য কাজ তো করবেন না। একশো দিনের টাকা কি ফেরত পাবেন সাধারণ মানুষ। বিজেপি দলটাই উঠে যাবে খুব তাড়াতাড়ি।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ভালো ফলাফলের পর বিজেপির আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। অনেকেই মনে করেছিলেন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে মসনদে বসবে বিজেপি। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নেতৃত্বের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তে বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যায় গেরুয়া বাহিনী। পরে পুরসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন, এমনকী গত লোকসভা নির্বাচনেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বিজেপি।
তার অন্যতম কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা। এছাড়া ক্ষমতায় না এসেই গোষ্ঠী কোন্দল দেখা দিয়েছে দলের অন্দরে, যা ভালো চোখে দেখেনি সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি বিজেপি নেতাদের জনসংযোগে ঘাটতি রয়েছে। বিজেপির এক নেতা বলেন, দলের উচ্চ নেতৃত্বের একাংশ আলোচনা না করেই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন। একইসঙ্গে গোষ্ঠী কোন্দলকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অনেকেই ভিতরে ভিতরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
জেলা বিজেপির সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, পদ পাওয়ার জন্য দল করি না। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেভাবেই চলতে হবে। এনিয়ে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক কটাক্ষের সুরে বলেন, বিজেপির যেই পদে আসুন না কেন, মানুষের জন্য কাজ তো করবেন না। একশো দিনের টাকা কি ফেরত পাবেন সাধারণ মানুষ। বিজেপি দলটাই উঠে যাবে খুব তাড়াতাড়ি।



