নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: জেলাজুড়ে সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে পশ্চিম মেদিনপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের ‘বুথ’ সম্মেলন হতে চলেছে। এতে কর্মীদের সঙ্গেও জনসংযোগ বাড়বে বলে মত জেলা নেতৃত্বের। পাশাপাশি বুথ এলাকায় দলের কী ভুলত্রুটি রয়েছে, তাও জানা যাবে। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে দল। সারা বছর ধরেই দলের তরফে নানা কর্মসূচি করা হবে। সকলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দল বন্ধ করতেও একগুচ্ছ পদক্ষেপ করবে দল। অপরদিকে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল বাড়াতেও নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে। বুথ সম্মেলনের মাধ্যমেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতে চলেছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
Advertisement
তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, সামনে বড় লড়াই আসছে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। খুব তাড়াতাড়ি বুথ সম্মেলন শুরু হবে। এই বুথ সম্মেলনের মাধ্যমেই সংগঠন আরও মজবুত হবে। আমাদের লক্ষ্য, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে একশো শতাংশ আসনে জয়। কর্মীদের পাশে দল সব সময় থাকবে।
প্রসঙ্গত, বুথ স্তরে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। যা প্রতিটি নির্বাচনে এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে। পাশাপাশি গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিরোধীদের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার। প্রথমে পঞ্চায়েত ও পরে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল তার প্রমাণ। কিন্তু প্রতিটি নির্বাচনেই কিছু কিছু বুথে তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। যা একেবারেই ভালো চোখে দেখেছে না জেলা নেতৃত্ব। একইসঙ্গে বুথ এলাকায় কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল নেতাদের বুথ স্তরে জনসংযোগে ঘাটতি থাকায় ভোট বাক্সে তার প্রভাব পড়ছে। এই সমস্যার সমাধান করতেই হবে বুথ সম্মেলন।
জানা গিয়েছে, গত মেদিনীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনে মেদিনীপুর শহরে প্রায় ৩০টি বুথে হেরেছে তৃণমূল। এছাড়াও শালবনী ব্লক ও মেদিনীপুর সদর ব্লকের বেশকিছু বুথে অনেকটাই পিছিয়ে ঘাসফুল শিবির। এক তৃণমূল নেতা বলেন, সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ গোষ্ঠী কোন্দল। এক গোষ্ঠীর নেতারা অপর গোষ্ঠীর নেতাকর্মীদের একেবারে পছন্দ করছে না। যার কিছুটা প্রভাব পড়ছে ভোট বাক্সে। এত দিন বুথ স্তরে সংগঠন বৃদ্ধিতে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। তবে নতুন বছরে জেলার প্রতিটি বুথে বিশেষ নজর দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই বুথ সম্মেলনে কর্মীদের দোষ ত্রুটি সর্বসমক্ষে উঠে আসবে। জেলায় দ্রুত রদবদল হবে বলেই শুনেছি। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, বুথ আগলে রাখতেই হবে। বুথস্তরে সংগঠন বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা নেতৃত্ব। নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে গ্রুপ বাজি করা যাবে না। কটাক্ষের সুরে জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, দলটাই তোলাবাজি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত। বুথস্তরে আরও তোলাবাজি করতেই এই পরিকল্পনা।
প্রসঙ্গত, বুথ স্তরে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। যা প্রতিটি নির্বাচনে এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে। পাশাপাশি গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিরোধীদের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার। প্রথমে পঞ্চায়েত ও পরে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল তার প্রমাণ। কিন্তু প্রতিটি নির্বাচনেই কিছু কিছু বুথে তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। যা একেবারেই ভালো চোখে দেখেছে না জেলা নেতৃত্ব। একইসঙ্গে বুথ এলাকায় কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল নেতাদের বুথ স্তরে জনসংযোগে ঘাটতি থাকায় ভোট বাক্সে তার প্রভাব পড়ছে। এই সমস্যার সমাধান করতেই হবে বুথ সম্মেলন।
জানা গিয়েছে, গত মেদিনীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনে মেদিনীপুর শহরে প্রায় ৩০টি বুথে হেরেছে তৃণমূল। এছাড়াও শালবনী ব্লক ও মেদিনীপুর সদর ব্লকের বেশকিছু বুথে অনেকটাই পিছিয়ে ঘাসফুল শিবির। এক তৃণমূল নেতা বলেন, সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ গোষ্ঠী কোন্দল। এক গোষ্ঠীর নেতারা অপর গোষ্ঠীর নেতাকর্মীদের একেবারে পছন্দ করছে না। যার কিছুটা প্রভাব পড়ছে ভোট বাক্সে। এত দিন বুথ স্তরে সংগঠন বৃদ্ধিতে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। তবে নতুন বছরে জেলার প্রতিটি বুথে বিশেষ নজর দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই বুথ সম্মেলনে কর্মীদের দোষ ত্রুটি সর্বসমক্ষে উঠে আসবে। জেলায় দ্রুত রদবদল হবে বলেই শুনেছি। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, বুথ আগলে রাখতেই হবে। বুথস্তরে সংগঠন বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা নেতৃত্ব। নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে গ্রুপ বাজি করা যাবে না। কটাক্ষের সুরে জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, দলটাই তোলাবাজি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত। বুথস্তরে আরও তোলাবাজি করতেই এই পরিকল্পনা।



