নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ২ লক্ষ ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। গত মরশুমের তুলনায় লক্ষ্যমাত্রা পাঁচহাজার হেক্টর জমি বাড়ানো হয়েছে। এবছর ১০০শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আশাবাদী কৃষিদপ্তর। বোরো ধান চাষে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে নজরদারি চলছে। কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা জানান, আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় মেদিনীপুর সদর, কেশপুর সহ একাধিক ব্লকে ধান চাষের পরিমাণ বাড়বে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এই মরশুমে ধান উৎপাদন বাড়বে। চাষিদের কথায়, আগে বহু এলাকায় জলের সমস্যায় চাষ হতো না। কিন্তু এখন বিভিন্ন এলাকায় জলের সমস্যার সমাধান হয়েছে। এর ফলে জেলায় ১০হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে চাষের পরিমাণ বেড়েছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক(কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, বিপুল পরিমাণ জমিতে বোরো ধান চাষ শুরু হয়েছে। এবছর উৎপাদনও বেশি হবে বলে আমরা আশাবাদী। জেলার চাষিরা বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন।
Advertisement
শিল্পের পাশাপাশি কৃষির উন্নয়নে রাজ্য সরকার নানা পদক্ষেপ করছে। ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন চাষিরা। এই জেলাতেও বহু চাষি কৃষকবন্ধু, শস্যবিমার সুবিধা পেয়েছেন। ফলে জেলার কৃষি পরিকাঠামো অনেকটাই উন্নত হয়েছে। চাষের পরিমাণও বেড়েছে।
জেলায় ইতিমধ্যে বোরো ধান চাষ শুরু হয়েছে। দেড় লক্ষ হেক্টরের বেশি জমিতে পুরোদমে বোরো চাষ শুরু হয়েছে। এই চাষ সেচনির্ভর। বিশেষজ্ঞরা জানালেন, মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলে ফলন ভালো হয়। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় চাষের সুবিধার্থে একাধিক পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিদপ্তর। এই জেলার ডেবরা, নারায়ণগড়, দাঁতন -১, সবং ও পিংলা ব্লকে বোরো ধান চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। আবহাওয়া ভালো থাকলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ১৫-১৮মন পর্যন্ত উৎপাদন হতে পারে বলে চাষিরা জানান। এক চাষি বলেন, গতবছর জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। লক্ষাধিক চাষি সমস্যায় পড়েছিলেন। তবে শস্যবিমার মতো সরকারি প্রকল্পের কারণে তাঁদের সমস্যা লাঘব হয়েছিল।
জেলায় ইতিমধ্যে বোরো ধান চাষ শুরু হয়েছে। দেড় লক্ষ হেক্টরের বেশি জমিতে পুরোদমে বোরো চাষ শুরু হয়েছে। এই চাষ সেচনির্ভর। বিশেষজ্ঞরা জানালেন, মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলে ফলন ভালো হয়। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় চাষের সুবিধার্থে একাধিক পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিদপ্তর। এই জেলার ডেবরা, নারায়ণগড়, দাঁতন -১, সবং ও পিংলা ব্লকে বোরো ধান চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। আবহাওয়া ভালো থাকলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ১৫-১৮মন পর্যন্ত উৎপাদন হতে পারে বলে চাষিরা জানান। এক চাষি বলেন, গতবছর জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। লক্ষাধিক চাষি সমস্যায় পড়েছিলেন। তবে শস্যবিমার মতো সরকারি প্রকল্পের কারণে তাঁদের সমস্যা লাঘব হয়েছিল।



