নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কয়লা পাচার কাণ্ডে একসময় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সদরুদ্দিনের হাত থেকে সংবর্ধনা নিয়ে বিতর্কে পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরি। রবিবার জামুড়িয়ায় একটি গণবিবাহের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন জেলা সভাধিপতি। সেখানেই মঞ্চে তাঁকে সংবর্ধনা দেন জামুড়িয়ার বিতর্কিত কয়লা কারবারি সদরুদ্দিন। যা নিয়ে কটাক্ষ করছে বিরোধীরা।
Advertisement
জেলা সভাধিপতি বলেন, ২০টি দরিদ্র মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। তাঁদের মধ্যে আটটি ছিল আমাদের সম্প্রদায়ের। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জামুড়িয়ার আমাদের দলেরই কিছু কাউন্সিলার অনুরোধ করেছিলেন। সেই অনুরোধেই সেখানে গিয়েছিলাম। আমাকে যে সংবর্ধনা দিয়েছে আমি তাঁকে চিনি না। আমি জানতামও না তিনি কয়লা পাচারে অভিযুক্ত।
শেখ সদরুদ্দির জামুড়িয়ার অন্যতম প্রভাবশালী কয়লা কারবারি। সিবিআই কয়েকদফায় যে ৫০ জনের নামে কয়লা পাচার মামলায় চার্জশিট দিয়েছে তারমধ্যে অন্যতম জামুড়িয়ার দুই বড় কয়লা কারবারি বিকাশ গরাই ও শেখ সদরুদ্দিন। স্থানীয়দের দাবি, সিবিআইয়ে চার্জশিটে অভিযুক্ত হয়েও এলাকার কয়লা কারবারে তাঁদের প্রভাব অটুট। এমনকী, রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ট মহলে তাঁদের দেখা যায়। এবার সরাসরি সভাধিপতিকে সংবর্ধনা দেওয়ায় বিতর্ক বেড়েছে।
কংগ্রেস প্রদেশ সম্পাদক প্রসেনজিৎ পুইতণ্ডি বলেন, তৃণমূল ও কয়লা কারবারিরা মিলেমিশে আছে খনি অঞ্চলে। ওদের পৃথক করা সম্ভব নয়। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আমি সিবিআইকে অনুরোধ করব এই সংবর্ধনার বিষয়টিও তাঁরা খতিয়ে দেখুক।
শেখ সদরুদ্দির জামুড়িয়ার অন্যতম প্রভাবশালী কয়লা কারবারি। সিবিআই কয়েকদফায় যে ৫০ জনের নামে কয়লা পাচার মামলায় চার্জশিট দিয়েছে তারমধ্যে অন্যতম জামুড়িয়ার দুই বড় কয়লা কারবারি বিকাশ গরাই ও শেখ সদরুদ্দিন। স্থানীয়দের দাবি, সিবিআইয়ে চার্জশিটে অভিযুক্ত হয়েও এলাকার কয়লা কারবারে তাঁদের প্রভাব অটুট। এমনকী, রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ট মহলে তাঁদের দেখা যায়। এবার সরাসরি সভাধিপতিকে সংবর্ধনা দেওয়ায় বিতর্ক বেড়েছে।
কংগ্রেস প্রদেশ সম্পাদক প্রসেনজিৎ পুইতণ্ডি বলেন, তৃণমূল ও কয়লা কারবারিরা মিলেমিশে আছে খনি অঞ্চলে। ওদের পৃথক করা সম্ভব নয়। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আমি সিবিআইকে অনুরোধ করব এই সংবর্ধনার বিষয়টিও তাঁরা খতিয়ে দেখুক।



