নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ডাক বিভাগের নকল পাসবই, সিল বানিয়ে অভিনব কায়দায় লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার ঘটনা ঘটল তমলুকে। প্রতারণার ঘটনা সামনে আসতেই অভিযুক্ত পোস্টাল এজেন্ট বেপাত্তা। তার মোবাইলও বন্ধ। ওই ঘটনায় তমলুক থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিস। নোনাকুড়ি বাজার পোস্ট অফিসে টার্ম ডিপোজিট, কিষাণ বিকাশ পত্র, ফিক্সড ডিপোজিটের নাম করে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের নানাপ্রান্ত থেকে টাকা তুলে প্রতারণা হয়েছে। তমলুক ডিভিশনের পোস্টাল সুপার অসিতকুমার মহান্তি বলেন, এই ঘটনা পোস্ট অফিসের মধ্যে ঘটেনি। পোস্ট অফিসের কোনও কর্মী জড়িত নন। এজেন্টকে ভরসা করে টাকা দিয়ে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। পুলিস নিশ্চয়ই এই ঘটনায় আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে।
Advertisement
গত ২৭ জানুয়ারি শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের পাঁচবেড়িয়া গ্রামের কৃষ্ণপদ সিংহ ডাক বিভাগের ওই এজেন্টের বিরুদ্ধে তমলুক থানায় এফআইআর করেন। অভিযুক্ত এজেন্টের নাম শুভেন্দুশেখর মাইতি। ওই ব্লকে ডুমরা গ্রামে তার বাড়ি। কাঁকটিয়া বাজারে তার একটি অফিসঘর ছিল। সেখানে পোস্টাল এজেন্ট এবং এলআইসি এজেন্ট হিসেবে কাজ করতো। লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার পর ওই অফিসে ঝাঁপ বন্ধ। বাড়িতেও নেই অভিযুক্ত এজেন্ট। তার মোবাইলের সুইচ অফ।
অভিযোগকারী কৃষ্ণপদবাবু নিজে ও মেয়ের নামে তিনটি অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ওই এজেন্টকে দেড় লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। কিষাণ বিকাশ পত্র(কেভিপি) ও টার্ম ডিপোজিটে(টিডি) স্কিমে টাকা জমা করার পাসবইও পেয়েছিলেন। সেই বইতে পোস্ট অফিসের মতো সিল ও সই ছিল। গত ২৭ জানুয়ারি টাকার প্রয়োজন হলে কৃষ্ণপদবাবু নোনাকুড়ি পোস্ট অফিসে যান। পাসবই দেখিয়ে টাকা তোলার আবেদন করেন। পোস্ট অফিস থেকে জানানো হয়, ওইসব পাসবই জাল। তাতে থাকা সই এবং সিলও নকল।
শুধু কৃষ্ণপদবাবু নন, তাঁর মতো আরও অনেকেই ওই এজেন্টের মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন। চাঠরা গ্রামের অসিত শাসমল একইভাবে ৮০ হাজার টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন। পাইকপাড়ি গ্রামের রানা বিশ্বাস পাঁচ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করে প্রতারিত হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন ফিক্সড ডিপোজিট করতে পাঁচ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ওই এজেন্টকে দিয়েছিলেন। তাঁরাও প্রতারিত হয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই প্রতারিত গ্রাহকরা নোনাকুড়ি বাজার পোস্ট অফিসে জড়ো হন। বিষয়টি পোস্ট অফিসের বাইরে ঘটেছে। তাই পোস্টাল বিভাগের করণীয় কিছু নেই বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শুভেন্দুশেখর মাইতি দীর্ঘদিন ধরে কাঁকটিয়া বাজারে অফিস খুলে এলআইসি এবং পোস্টাল বিভাগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল। এলাকায় তাঁর পরিচিতিও বেড়েছিল। সেটাকে ব্যবহার করেই প্রচুর লোকজনের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। পোস্ট অফিসের নকল পাসবই, স্ট্যাম্প, সিল ছাপিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতারণা করা হয়েছে।
কৃষ্ণপদবাবু বলেন, আমি দক্ষিণেশ্বরে কাজ করি। ওই এজেন্টের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ ছিল। বিশ্বাস করেই টাকা দিয়েছিলাম। এভাবে প্রতারণার শিকার হব ভাবতে পারিনি। আমার মতো কয়েকশো গ্রাহক এভাবে টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ কোটি ছাপিয়ে যাবে। অভিযুক্ত এজেন্ট বেপাত্তা। তাই বাধ্য হয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছি। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।
অভিযোগকারী কৃষ্ণপদবাবু নিজে ও মেয়ের নামে তিনটি অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ওই এজেন্টকে দেড় লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। কিষাণ বিকাশ পত্র(কেভিপি) ও টার্ম ডিপোজিটে(টিডি) স্কিমে টাকা জমা করার পাসবইও পেয়েছিলেন। সেই বইতে পোস্ট অফিসের মতো সিল ও সই ছিল। গত ২৭ জানুয়ারি টাকার প্রয়োজন হলে কৃষ্ণপদবাবু নোনাকুড়ি পোস্ট অফিসে যান। পাসবই দেখিয়ে টাকা তোলার আবেদন করেন। পোস্ট অফিস থেকে জানানো হয়, ওইসব পাসবই জাল। তাতে থাকা সই এবং সিলও নকল।
শুধু কৃষ্ণপদবাবু নন, তাঁর মতো আরও অনেকেই ওই এজেন্টের মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন। চাঠরা গ্রামের অসিত শাসমল একইভাবে ৮০ হাজার টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন। পাইকপাড়ি গ্রামের রানা বিশ্বাস পাঁচ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করে প্রতারিত হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজন ফিক্সড ডিপোজিট করতে পাঁচ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ওই এজেন্টকে দিয়েছিলেন। তাঁরাও প্রতারিত হয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই প্রতারিত গ্রাহকরা নোনাকুড়ি বাজার পোস্ট অফিসে জড়ো হন। বিষয়টি পোস্ট অফিসের বাইরে ঘটেছে। তাই পোস্টাল বিভাগের করণীয় কিছু নেই বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শুভেন্দুশেখর মাইতি দীর্ঘদিন ধরে কাঁকটিয়া বাজারে অফিস খুলে এলআইসি এবং পোস্টাল বিভাগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল। এলাকায় তাঁর পরিচিতিও বেড়েছিল। সেটাকে ব্যবহার করেই প্রচুর লোকজনের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। পোস্ট অফিসের নকল পাসবই, স্ট্যাম্প, সিল ছাপিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতারণা করা হয়েছে।
কৃষ্ণপদবাবু বলেন, আমি দক্ষিণেশ্বরে কাজ করি। ওই এজেন্টের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ ছিল। বিশ্বাস করেই টাকা দিয়েছিলাম। এভাবে প্রতারণার শিকার হব ভাবতে পারিনি। আমার মতো কয়েকশো গ্রাহক এভাবে টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ কোটি ছাপিয়ে যাবে। অভিযুক্ত এজেন্ট বেপাত্তা। তাই বাধ্য হয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছি। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।



