নিজস্ব প্রতিনিধি, মুকুটমণিপুর: প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে মুকুটমণিপুর জলাধারে সন্ধ্যা নামার পরেও বোটিং চলছে। পর্যটকদের নিয়ে অন্ধকারে জলাশয়ে নৌকা ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারফলে যে কোনও দিন দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন। এব্যাপারে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
Advertisement
পর্যটনের মরশুম শুরু হলেও মুকুটমণিপুর জলাধারের ঘাটে এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা প্রশাসন করতে পারেনি। ফলে বিকেলের পর ঘাট সংলগ্ন গোটা চত্বর অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে। ভরা পর্যটন মরশুমে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়তে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। দ্রুত আলো লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য পর্যটকরা প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন।
খাতড়ার মহকুমা শাসক শুভম মৌর্য বলেন, বিকেল ৫টার পর মুকুটমণিপুর জলাধারে বোটিং করার উপর নিষেধাজ্ঞা আছে। ওই সময়ের মধ্যে ড্যামে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকবোঝাই নৌকা, শিকারাগুলিকে ঘাটে আসতে হবে। তারপরে কোনওভাবেই নতুন করে পর্যটকদের নিয়ে জলাধারে নামা যাবে না। প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট নৌকার মাঝির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের সুবিধার্থে প্রতিবারই ঘাটে প্রশাসন পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করে থাকে। জলস্তর নেমে যাওয়ার পর চর বা ডাঙা এলাকায় আমরা আলো লাগিয়ে থাকি। এবার ড্যামের জলস্তর অনেকটা বেশি ছিল। ফলে এবার তা করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। অস্থায়ী খুঁটি পুঁতে দ্রুত লাইট লাগানোর চেষ্টা চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাঝি বলেন, পর্যটকরা রোমাঞ্চিত হওয়ার জন্য সন্ধ্যার মুখে নৌকা ভ্রমণ করেন। তাঁরা আমাদের জলাধারে নৌকা ভাসানোর জন্য জোর করেন। আমরাও দু’টো বেশি টাকা পাই। তবে প্রশাসন নজরদারি বাড়ালে পর্যটকরাও আমাদের অনুরোধ করবেন না। আমরাও তখন বিকেল ৫টার মধ্যে নৌকা ঘাটে বেঁধে দেব।
উল্লেখ্য, পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মাটির বাঁধ মুকুটমণিপুর। আগে শুধুমাত্র পিকনিক স্পট হিসেবেই সকলে মুকুটমণিপুরকে চিনত। তবে গত কয়েকবছরে সরকারের তরফে উদ্যোগ নেওয়ার ফলে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে মুকুটমণিপুর জায়গা করে নিয়েছে। ফি বছর কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকরা মুকুটমণিপুরে আসেন। শীতের পাশাপাশি অনেকে বর্ষাতেও ওই পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় জমান। ওইসময় জলাধার থেকে কংসাবতী নদী ও ক্যানালে জল ছাড়া হয়। তা দেখার জন্য বহু মানুষ মুকুটমণিপুরে ভিড় করেন। এবার অবশ্য স্কুল-কলেজের পরীক্ষা সহ অন্যান্য কারণে এখনও পর্যন্ত মুকুটমণিপুরে পর্যটকদের সেভাবে আনাগোনা শুরু হয়নি। লজ, হোটেলগুলিও খালি পড়ে রয়েছে। তবে বড়দিনের ছুটি থেকে পর্যটকদের ভিড় বৃদ্ধি পাবে বলে অনেকে মনে করছেন। তার আগে জলাধারে আলোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
খাতড়ার মহকুমা শাসক শুভম মৌর্য বলেন, বিকেল ৫টার পর মুকুটমণিপুর জলাধারে বোটিং করার উপর নিষেধাজ্ঞা আছে। ওই সময়ের মধ্যে ড্যামে ঘুরে বেড়ানো পর্যটকবোঝাই নৌকা, শিকারাগুলিকে ঘাটে আসতে হবে। তারপরে কোনওভাবেই নতুন করে পর্যটকদের নিয়ে জলাধারে নামা যাবে না। প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট নৌকার মাঝির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের সুবিধার্থে প্রতিবারই ঘাটে প্রশাসন পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করে থাকে। জলস্তর নেমে যাওয়ার পর চর বা ডাঙা এলাকায় আমরা আলো লাগিয়ে থাকি। এবার ড্যামের জলস্তর অনেকটা বেশি ছিল। ফলে এবার তা করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। অস্থায়ী খুঁটি পুঁতে দ্রুত লাইট লাগানোর চেষ্টা চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাঝি বলেন, পর্যটকরা রোমাঞ্চিত হওয়ার জন্য সন্ধ্যার মুখে নৌকা ভ্রমণ করেন। তাঁরা আমাদের জলাধারে নৌকা ভাসানোর জন্য জোর করেন। আমরাও দু’টো বেশি টাকা পাই। তবে প্রশাসন নজরদারি বাড়ালে পর্যটকরাও আমাদের অনুরোধ করবেন না। আমরাও তখন বিকেল ৫টার মধ্যে নৌকা ঘাটে বেঁধে দেব।
উল্লেখ্য, পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মাটির বাঁধ মুকুটমণিপুর। আগে শুধুমাত্র পিকনিক স্পট হিসেবেই সকলে মুকুটমণিপুরকে চিনত। তবে গত কয়েকবছরে সরকারের তরফে উদ্যোগ নেওয়ার ফলে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে মুকুটমণিপুর জায়গা করে নিয়েছে। ফি বছর কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকরা মুকুটমণিপুরে আসেন। শীতের পাশাপাশি অনেকে বর্ষাতেও ওই পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় জমান। ওইসময় জলাধার থেকে কংসাবতী নদী ও ক্যানালে জল ছাড়া হয়। তা দেখার জন্য বহু মানুষ মুকুটমণিপুরে ভিড় করেন। এবার অবশ্য স্কুল-কলেজের পরীক্ষা সহ অন্যান্য কারণে এখনও পর্যন্ত মুকুটমণিপুরে পর্যটকদের সেভাবে আনাগোনা শুরু হয়নি। লজ, হোটেলগুলিও খালি পড়ে রয়েছে। তবে বড়দিনের ছুটি থেকে পর্যটকদের ভিড় বৃদ্ধি পাবে বলে অনেকে মনে করছেন। তার আগে জলাধারে আলোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।



