নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: আদিনা পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার পথে প্রায় তিনশো মিটার রাস্তা জবরদখল মুক্ত করল প্রশাসন। দাঁড়িয়ে থেকে একাধিক বাড়ি ও দোকানের বেআইনি অংশ আর্থমুভার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিলেন মালদহের সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং। মঙ্গলবার তিনি বলেন, মালদহকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তকমা এনে দেওয়ার জন্য প্রশাসন চেষ্টা করছে। আদিনা মসজিদ অন্যতম প্রাচীন। সেটিকে ঘিরেই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে কিছু জবরদখলকারী ছিল। তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গৌড় সহ মালদহে পাঁচশো থেকে ছ’শো বছরের পুরানো বহু স্থাপত্য রয়েছে। রাজ আমলের বহু নিদর্শন এখনও রয়ে গিয়েছে। প্রাচীন স্থাপত্যগুলির মধ্যে অন্যতম সাড়ে ছ’শো বছরের পুরনো আদিনা মসজিদ। এসব স্থাপত্যকে কেন্দ্র করেই মালদহকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে যুক্ত করতে উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। একই সঙ্গে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমার জন্যও চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। কিন্তু ইউনেস্কোর কিছু স্পষ্ট গাইডলাইন আছে। যার মধ্যে অন্যতম হল ঐতিহাসিক স্থানটিকে হতে হবে যানজটমুক্ত।
গাজোল ব্লকে জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে নেমে গিয়েছে আদিনা পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তা। পূর্ত দপ্তরের অধীনে সেই রাস্তার প্রায় তিনশো মিটার অংশে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল বেশকিছু বাড়ি এবং দোকান। বেআইনি দখলদারদের সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসন অনেক আগেই নোটিস জারি করে। এদিন সকালে গিয়ে সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেয় প্রশাসনের কর্তারা। ভাঙা পড়েছে তিনটি পাকা বাড়ির অনেকটা অংশ। ভাঙা হয়েছে পাকা দোকানের বারান্দা। যে রাস্তায় আগে একটি গাড়ি ঠিকমতো যাতায়াত করতে পারত না, সেখানে এখন পাশাপাশি দু’টি গাড়ি যাতায়াতের মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে।
গাজোল ব্লকে জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে নেমে গিয়েছে আদিনা পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তা। পূর্ত দপ্তরের অধীনে সেই রাস্তার প্রায় তিনশো মিটার অংশে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল বেশকিছু বাড়ি এবং দোকান। বেআইনি দখলদারদের সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসন অনেক আগেই নোটিস জারি করে। এদিন সকালে গিয়ে সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেয় প্রশাসনের কর্তারা। ভাঙা পড়েছে তিনটি পাকা বাড়ির অনেকটা অংশ। ভাঙা হয়েছে পাকা দোকানের বারান্দা। যে রাস্তায় আগে একটি গাড়ি ঠিকমতো যাতায়াত করতে পারত না, সেখানে এখন পাশাপাশি দু’টি গাড়ি যাতায়াতের মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে।



