সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: পুরুলিয়া জেলার পর্যটন মানচিত্রে সাঁতুড়ি ব্লকের বরন্তি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে। অথচ গত প্রায় ১০ বছর ধরে পর্যটন কেন্দ্রে কোন উন্নয়নের কাজ হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ১০ বছরে বরন্তিতে জেলা পরিষদের ২৫ লক্ষ টাকা খরচে একটি কমিউনিটি টয়লেট ছাড়া উন্নয়নের কোনও কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পর্যটন কেন্দ্রটির তেমন উন্নয়ন না হওয়ায় পর্যটকেরা অনেকে বিমুখ হয়ে পড়েছেন। ঘুরতে আসার পর্যটকেরা বরন্তি নিয়ে একাধিক সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তাঁরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, পর্যটন কেন্দ্রটি আকর্ষণ করতে হলে রাস্তাঘাট সংস্কার, আলো ও পানীয় জলের ব্যবস্থা সহ জলাধারের চারপাশে বসার জন্য প্রশাসনকে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
Advertisement
সাঁতুড়ি ব্লকের বিডিও পার্থ দাস বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির তরফ থেকে যত সম্ভব উন্নয়ন করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে পর্যটনকেন্দ্রকে নির্ভর করে যে সব গেস্ট হাউস গড়ে উঠেছে পঞ্চায়েত সমিতির তরফ থেকে তাদের কাছে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ফি চাওয়া হলে তারা দিতে নারাজ। বিষয়টি নিয়ে অনেকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। গেস্ট হাউস কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। পিচ রাস্তাটির বিষয়ে জেলাকে জানানো হয়েছে। জলাধারের চারপাশে আলো লাগানোর বিষয়েও চিন্তা ভাবনা চলছে।
বাদুড়িয়া থেকে আসা পর্যটকদের মধ্যে অসীম চট্টোপাধ্যায়, কাকুলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, নিতুড়িয়ার পঞ্চকোট থেকে সুভাষ রোড হয়ে বরন্তি এসেছি। আসার মাঝে একাধিক রাস্তা রয়েছে। কোন রাস্তা হয়ে বরন্তি আসা যায় তাই নিয়ে দিক নির্দেশক বোর্ড নেই। পাশাপাশি মুরাডি থেকে বরন্তি পর্যন্ত আসার পিচ রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।
দুর্গাপুর থেকে ঘুরতে আসা একটি পর্যটক দলের শাশ্বত সরকার, অন্তরা ঘোষ বলেন, মূলত বরন্তির সূর্যাস্ত অত্যন্ত সুন্দর। সেটা দেখার জন্য এসেছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যা নেমে আসতেই সমস্ত এলাকাটি ঘন অন্ধকারে ঢেকে যায়। পর্যটন কেন্দ্রের চারপাশে কোথাও কোনও আলোর ব্যবস্থা নেই। তাই প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে জলাধারের চারিপাশে আলোর ব্যবস্থা করা।
ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পিকনিক করতে আসা একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষদের মধ্যে অসিত বসু, সুমন কবিরাজ বলেন, পিকনিক স্পট হলেও এলাকায় পানীয় জলের তেমন ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক পিকনিক পার্টি বাধ্য হয়ে জলাধারের জল ব্যবহার করছে।
একাধিক পর্যটকরা বলেন, সমস্ত জলাধারটি প্রায় ২ কিমি লম্বা। ফলে সমস্ত এলাকাটি হেঁটে দেখতে খুব অসুবিধা হয়। তাই জলধারের দুইদিকে কিছু অংশে বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে ভালো হয়। জলাধারে নেই কোনও বোটিং ব্যবস্থা। বোটিং এর ব্যবস্থা করলে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে। পাশাপাশি কোনও পার্কিং জোন নেই। নেই কোনও গার্ডেন। অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়ন হলেও বরন্তি নিয়ে গত ১০ বছর ধরে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। সাঁতুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি রামপ্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, একটি পর্যটন কেন্দ্রকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হলে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের তরফ থেকে পর্যটন কেন্দ্রটি নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাদুড়িয়া থেকে আসা পর্যটকদের মধ্যে অসীম চট্টোপাধ্যায়, কাকুলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, নিতুড়িয়ার পঞ্চকোট থেকে সুভাষ রোড হয়ে বরন্তি এসেছি। আসার মাঝে একাধিক রাস্তা রয়েছে। কোন রাস্তা হয়ে বরন্তি আসা যায় তাই নিয়ে দিক নির্দেশক বোর্ড নেই। পাশাপাশি মুরাডি থেকে বরন্তি পর্যন্ত আসার পিচ রাস্তাটির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।
দুর্গাপুর থেকে ঘুরতে আসা একটি পর্যটক দলের শাশ্বত সরকার, অন্তরা ঘোষ বলেন, মূলত বরন্তির সূর্যাস্ত অত্যন্ত সুন্দর। সেটা দেখার জন্য এসেছিলাম। কিন্তু সন্ধ্যা নেমে আসতেই সমস্ত এলাকাটি ঘন অন্ধকারে ঢেকে যায়। পর্যটন কেন্দ্রের চারপাশে কোথাও কোনও আলোর ব্যবস্থা নেই। তাই প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে জলাধারের চারিপাশে আলোর ব্যবস্থা করা।
ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পিকনিক করতে আসা একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষদের মধ্যে অসিত বসু, সুমন কবিরাজ বলেন, পিকনিক স্পট হলেও এলাকায় পানীয় জলের তেমন ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক পিকনিক পার্টি বাধ্য হয়ে জলাধারের জল ব্যবহার করছে।
একাধিক পর্যটকরা বলেন, সমস্ত জলাধারটি প্রায় ২ কিমি লম্বা। ফলে সমস্ত এলাকাটি হেঁটে দেখতে খুব অসুবিধা হয়। তাই জলধারের দুইদিকে কিছু অংশে বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হলে ভালো হয়। জলাধারে নেই কোনও বোটিং ব্যবস্থা। বোটিং এর ব্যবস্থা করলে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে। পাশাপাশি কোনও পার্কিং জোন নেই। নেই কোনও গার্ডেন। অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়ন হলেও বরন্তি নিয়ে গত ১০ বছর ধরে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। সাঁতুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি রামপ্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, একটি পর্যটন কেন্দ্রকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হলে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের তরফ থেকে পর্যটন কেন্দ্রটি নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।



