সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বামাখ্যাপার সাধনস্থল হয়ে উঠেছে জমি হাঙরদের মুক্তাঞ্চল। দিনে দিনে তারাপীঠ মন্দিরের আকর্ষণ যত বেড়েছে, পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে, ততই এই অঞ্চলে বেড়েছে হোটেল ও লজের সংখ্যা। স্বভাবতই ব্যবসায়ীদের নজর পড়েছে তারাপীঠে। শুধু ব্যবসায়ীরাই নয়, এই সুযোগে জমি মাফিয়ারাও সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই অঞ্চলে।
Advertisement
কোথাও সরকারি জমি দখল করে হয়েছে বেআইনি নির্মাণ। কোথাও আবার পাট্টা পাওয়া জমি ‘বোঝাপড়া’-র মাধ্যমে দখল করেছে মাফিয়ারা। সরকারি অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই গড়ে উঠছে বহুতল। বিপদ জেনেও নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে লজ। তীর্থভূমিতে জমি মাফিয়াদের দাপট যে দিন দিন বাড়ছে, তা স্বীকার করেছেন টিআরডিএর ভাইস চেয়ারম্যান তথা এলাকার তৃণমূল নেতা সুকুমার মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি দেখতে হবে।
তারাপীঠ মন্দিরের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে দ্বারকা নদ। নদের উপরে থাকা প্রধান ব্রিজের ওপার তারাপীঠ থানার অর্ন্তগত। এপার রামপুরহাট থানার অধীনে। একই ভাবে ব্লকও ভাগ হয়েছে। মন্দিরকে কেন্দ্র করে এখানে ক্রমশ হোটেল, লজের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাতেই পোয়াবারো জমি হাঙরদের। তারা দাপটের সঙ্গে জবরদখল চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এই মাফিয়াদের অধিকাংশই তারাপীঠ লাগোয়া গ্রামের দুষ্কৃতী। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহসটুকু দেখাচ্ছেন না। আর জমির দালালি করে ফুলেফেঁপে উঠছে এই দুষ্কৃতীরা। এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, তারাপীঠ থেকে আটলা ও রামপুরহাট যাওয়ার সরকারি রাস্তার জায়গা, খাসজমি দখল করে গড়ে উঠেছে লজ, হোটেল, রিসর্ট। কোথাও লজের সামনে পাট্টা পাওয়া জমি ‘সেটিং’ করে মোটা টাকার বিনিময়ে লজ মালিকদের হাতে তুলে দিচ্ছে মাফিয়ারা। সেইসব জমিতে বৈধ প্ল্যান ছাড়াই নির্মাণ হচ্ছে। কোথাও আবার জমির চরিত্র বদল করে, কোথাও রেকর্ডে নাম পরিবর্তন করে চলেছে কেনাবেচা। আটলা গ্রামের এক যুবক বলেন, তারাপীঠ থেকে আটলা যাওয়ার রাস্তার ধারে কয়েক শতক জমির পাট্টা পেয়েছিলেন বাবা। জমি মাফিয়াদের অত্যাচারে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হই। নইলে আমাকে ‘জিন্দা’ দেখতে পেতেন না।
জমি মাফিয়াদের থাবা পড়েছে দ্বারকার পাড়েও। দু’ পাড় দখল করে বেশকিছু লজ ও হোটেল গড়ে উঠেছে। এছাড়া বাণ্যিজিক প্রতিষ্ঠান, দোকান বা লজ, হোটেল নির্মাণের উদ্দেশে কিছু সংঘবদ্ধ চক্র পুকুর ভরাট করছে। নাগরিকদের প্রশ্ন, মাথায় প্রশাসনের হাত না থাকলে কি এই দাপট দেখাতে পারত মাফিয়ারা।
যদিও রামপুরহাট ১ ব্লকের বিএলএলআরও নীলেশ্বর ভট্টাচার্য বলেন, দ্বারকার বেশিরভাগ অংশ ২ ব্লকের অধীনে। কিছুদিন আগে আমাদের অংশের একটি লজ নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল। সেখানে গিয়ে মাপজোখ করে দেখা যায়, ঠিক আছে। পাড় ভেঙে নদী লজের গায়ে চলে এসেছে। তবে তারাপীঠ সরকারি কোনও জায়গা দখল হয়েছে কিনা সেটা দেখতে দু’টি ব্লক মিলিয়ে যৌথ পরিদর্শনে নামা হবে।
অন্যদিকে ২ ব্লকের বিডিও তাপস পাল বলেন, পাট্টার জায়গা বিক্রি বা দখল করা যায় না। অভিযোগ পেলে সরকার পাট্টাদারের পক্ষে থাকবে। নদীর পাড়, খাসজমি দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগ না এলে তো আমরা দেখতে পারি না। স্থানীয় প্রশাসন সেটি আগে দেখতে পাবে। আর পুকুরের ভরাট যাতে না হয়, সেদিকে নজর রাখি। এলাকার বাসিন্দারা অবশ্য বলছেন, বিএলএলআরও মিথ্যা কথা বলছে। পূর্ব সাগর পুকুর ক্রমশ ভরাট করে অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ভূমিদপ্তর কোনও পদক্ষেপ করেনি। যদিও তাপসবাবু বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে পুকুরটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে গত জুলাই মাসে ভরাটকারীদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। এরপর বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখবেন।
তারাপীঠ মন্দিরের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে দ্বারকা নদ। নদের উপরে থাকা প্রধান ব্রিজের ওপার তারাপীঠ থানার অর্ন্তগত। এপার রামপুরহাট থানার অধীনে। একই ভাবে ব্লকও ভাগ হয়েছে। মন্দিরকে কেন্দ্র করে এখানে ক্রমশ হোটেল, লজের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাতেই পোয়াবারো জমি হাঙরদের। তারা দাপটের সঙ্গে জবরদখল চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এই মাফিয়াদের অধিকাংশই তারাপীঠ লাগোয়া গ্রামের দুষ্কৃতী। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহসটুকু দেখাচ্ছেন না। আর জমির দালালি করে ফুলেফেঁপে উঠছে এই দুষ্কৃতীরা। এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, তারাপীঠ থেকে আটলা ও রামপুরহাট যাওয়ার সরকারি রাস্তার জায়গা, খাসজমি দখল করে গড়ে উঠেছে লজ, হোটেল, রিসর্ট। কোথাও লজের সামনে পাট্টা পাওয়া জমি ‘সেটিং’ করে মোটা টাকার বিনিময়ে লজ মালিকদের হাতে তুলে দিচ্ছে মাফিয়ারা। সেইসব জমিতে বৈধ প্ল্যান ছাড়াই নির্মাণ হচ্ছে। কোথাও আবার জমির চরিত্র বদল করে, কোথাও রেকর্ডে নাম পরিবর্তন করে চলেছে কেনাবেচা। আটলা গ্রামের এক যুবক বলেন, তারাপীঠ থেকে আটলা যাওয়ার রাস্তার ধারে কয়েক শতক জমির পাট্টা পেয়েছিলেন বাবা। জমি মাফিয়াদের অত্যাচারে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হই। নইলে আমাকে ‘জিন্দা’ দেখতে পেতেন না।
জমি মাফিয়াদের থাবা পড়েছে দ্বারকার পাড়েও। দু’ পাড় দখল করে বেশকিছু লজ ও হোটেল গড়ে উঠেছে। এছাড়া বাণ্যিজিক প্রতিষ্ঠান, দোকান বা লজ, হোটেল নির্মাণের উদ্দেশে কিছু সংঘবদ্ধ চক্র পুকুর ভরাট করছে। নাগরিকদের প্রশ্ন, মাথায় প্রশাসনের হাত না থাকলে কি এই দাপট দেখাতে পারত মাফিয়ারা।
যদিও রামপুরহাট ১ ব্লকের বিএলএলআরও নীলেশ্বর ভট্টাচার্য বলেন, দ্বারকার বেশিরভাগ অংশ ২ ব্লকের অধীনে। কিছুদিন আগে আমাদের অংশের একটি লজ নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল। সেখানে গিয়ে মাপজোখ করে দেখা যায়, ঠিক আছে। পাড় ভেঙে নদী লজের গায়ে চলে এসেছে। তবে তারাপীঠ সরকারি কোনও জায়গা দখল হয়েছে কিনা সেটা দেখতে দু’টি ব্লক মিলিয়ে যৌথ পরিদর্শনে নামা হবে।
অন্যদিকে ২ ব্লকের বিডিও তাপস পাল বলেন, পাট্টার জায়গা বিক্রি বা দখল করা যায় না। অভিযোগ পেলে সরকার পাট্টাদারের পক্ষে থাকবে। নদীর পাড়, খাসজমি দখল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগ না এলে তো আমরা দেখতে পারি না। স্থানীয় প্রশাসন সেটি আগে দেখতে পাবে। আর পুকুরের ভরাট যাতে না হয়, সেদিকে নজর রাখি। এলাকার বাসিন্দারা অবশ্য বলছেন, বিএলএলআরও মিথ্যা কথা বলছে। পূর্ব সাগর পুকুর ক্রমশ ভরাট করে অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ভূমিদপ্তর কোনও পদক্ষেপ করেনি। যদিও তাপসবাবু বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে পুকুরটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে গত জুলাই মাসে ভরাটকারীদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। এরপর বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখবেন।



