নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মোহবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটির উদ্যোগে সার্কিট ট্যুরিজম তৈরির পরিকল্পনা করা হল। এরফলে ক্ষুদিরামের জন্মভিটে মোহবনীতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে বলে মত স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মোহবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটির উদ্যোগে প্রায় ৯ কোটি টাকা খরচ করে একাধিক প্রকল্পের কাজ হচ্ছে। এছাড়া আগামী অর্থবর্ষে আরও ১৫ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরফলে উপকৃত হবেন গড়বেতা-৩ ও কেশপুর ব্লকের বহু সংখ্যক গ্রামের মানুষ। এদিন জেলা পরিষদের সভাধিপতি দলনেতা মহম্মদ রফিক বলেন, বাম আমলে এই এলাকার মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। গ্রামের সাধারণ মানুষ সামান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধাটুকু পেতেন না। কিন্তু আজ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভিটে এলাকায় বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ২০২২ সাল নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষুদিরাম বসুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মোহবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটি তৈরি হয়। প্রথম বছর থেকেই এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়। কেশপুর, গড়বেতা-৩ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ২০২৩-২৪ সালে ২ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ করা হয়েছিল। সেই টাকা খরচ করে এই অথরিটির উদ্যোগে শিশু উদ্যান, রাস্তার সংস্কার সহ একাধিক কাজ হয়েছে। এরপর চলতি অর্থবর্ষে ৯ কোটি ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণে টাকা খরচ করে গড়বেতা-৩ ব্লকে ৬টি রাস্তা, কেশপুর জুড়ে প্রায় ১৫টি নিকাশি নালা তৈরি হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী অর্থ বছরেও একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী অর্থবর্ষে ১৫ কোটি টাকা ব্যয় করে বাজার এলাকার উন্নয়ন, ফুটপাত রূপায়ণ সহ একাধিক কাজের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ঝাড়েশ্বর, কামেশ্বর, বটেশ্বর, রসকুণ্ডু মন্দিরের পুনঃসংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই মন্দিরগুলোকে ঢেলে সাজানো হবে। জেলায় আসা পর্যটকরা বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করার পাশাপাশি মোহবনীতে ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভিটে পরিদর্শন করবেন। পর্যটন শিল্পের উন্নতি হলে কর্মসংস্থানও বাড়বে। মোহবনী এলাকায় পর্যটন টানতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এতে উপকৃত হবেন বহু সাধারণ মানুষ। এদিন মোহবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটির টাউন প্ল্যানার রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায় ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সৌভিক রায় বলেন, একাধিক এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য মানুষকে উন্নতমানের পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের উন্নতিসাধন।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ঝাড়েশ্বর, কামেশ্বর, বটেশ্বর, রসকুণ্ডু মন্দিরের পুনঃসংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই মন্দিরগুলোকে ঢেলে সাজানো হবে। জেলায় আসা পর্যটকরা বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করার পাশাপাশি মোহবনীতে ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভিটে পরিদর্শন করবেন। পর্যটন শিল্পের উন্নতি হলে কর্মসংস্থানও বাড়বে। মোহবনী এলাকায় পর্যটন টানতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এতে উপকৃত হবেন বহু সাধারণ মানুষ। এদিন মোহবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটির টাউন প্ল্যানার রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায় ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সৌভিক রায় বলেন, একাধিক এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য মানুষকে উন্নতমানের পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের উন্নতিসাধন।



