সংবাদদাতা, বালুরঘাট: শীত পড়তেই পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের সারেংবাড়ি পিকনিক স্পটে। যা আগের পিকনিক মরশুমের পরে বেহাল হয়ে পড়ে ছিল। আগামী ২৫ ডিসেম্বর পিকনিকের মরশুম শুরুর আগে ঢেলে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সারেংবাড়ি বন বিতান। জেলাজুড়ে বনদপ্তরের অধীনে থাকা ফরেস্টগুলিতে পিকনিক করার নিষেধাজ্ঞা বেশ কয়েক বছর ধরে রয়েছে। যার জেরে একমাত্র সারেংবাড়ির উপর জেলাবাসী শুধু নয়, প্রতিবেশী জেলার পর্যটকরাও ভিড় জমান। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে হিলি পঞ্চায়েত সমিতির তরফে সারেংবাড়ি নতুন রূপে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। জোরকদমে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পিকনিক স্পটটি সংস্কারের কাজ চলছে।
Advertisement
হিলির বিডিও চিরঞ্জিত সরকার বলেন, সারেংবাড়ি ফরেস্টে নতুন রূপে অতিথি নিবাস তৈরি করা হয়েছে। বোটিংয়ের ব্যবস্থা আগে থেকে থাকলেও আবার তা বাড়ানো হয়েছে। ঢোকার রাস্তাটি সংস্কার করা হচ্ছে। শিশুদের জন্য বিনোদনের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকছে।
গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা আকাশ দাস বলেন, বালুরঘাটে আগে দোগাছি, রঘুনাথপুর ফরেস্টে পিকনিক করা যেত। এখন তা বন্ধ। আমরা বড়দিন হোক বা নতুন বছরে সারেংবাড়ি পিকনিক স্পটকে মনোরঞ্জনের জন্য বেছে নিয়ে থাকি। তবে কিছু পরিষেবা খারাপ রয়েছে। সেগুলি যদি সংস্কার করে তবে খুবই ভালো হবে।
প্রশাসন জানিয়েছে, ঠান্ডা ও গরম পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নতুন শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। তিওর কালীবাড়ি থেকে সারেংবাড়ি পর্যন্ত রাস্তা বেহাল ছিল। তা সংস্কার করা হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য যে অতিথি নিবাস তৈরি করা হয়েছে তা অত্যাধুনিক মানের। সেখানে স্নানাগার, বিশ্রাম কক্ষ ও রান্না করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবারে প্রবেশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুরো সারেংবাড়ি রং করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা আকাশ দাস বলেন, বালুরঘাটে আগে দোগাছি, রঘুনাথপুর ফরেস্টে পিকনিক করা যেত। এখন তা বন্ধ। আমরা বড়দিন হোক বা নতুন বছরে সারেংবাড়ি পিকনিক স্পটকে মনোরঞ্জনের জন্য বেছে নিয়ে থাকি। তবে কিছু পরিষেবা খারাপ রয়েছে। সেগুলি যদি সংস্কার করে তবে খুবই ভালো হবে।
প্রশাসন জানিয়েছে, ঠান্ডা ও গরম পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নতুন শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। তিওর কালীবাড়ি থেকে সারেংবাড়ি পর্যন্ত রাস্তা বেহাল ছিল। তা সংস্কার করা হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য যে অতিথি নিবাস তৈরি করা হয়েছে তা অত্যাধুনিক মানের। সেখানে স্নানাগার, বিশ্রাম কক্ষ ও রান্না করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবারে প্রবেশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুরো সারেংবাড়ি রং করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।



