Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

প্রত্যাশার চেয়েও বেশি আয় কুম্ভ থেকে, মন্তব্য গাদকারির

প্রত্যাশার চেয়েও বেশি আয় কুম্ভ থেকে, মন্তব্য গাদকারির
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কুম্ভমেলায় অব্যবস্থা নিয়ে সরব বিরোধীরা। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ঠিক কত, সেই সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। মাঝে মধ্যেই আগুন লাগছে। শাহি স্নান ছাড়াও প্রায় প্রতিদিন কয়েকশো কিলোমিটার বিস্তৃত যানজটে  আটকে থাকতে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। প্রয়াগরাজমুখী যানবাহন এবং কুম্ভযাত্রীদের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদন করাও হচ্ছে যাতে তারা ফিরে যায়। সঙ্গমে স্নান করার চেষ্টা না করে যে কোনও গঙ্গার ঘাটেই স্নান করার নির্দেশিকা দেওয়া হচ্ছে। কুম্ভে অব্যবস্থার অভিযোগে বিরোধীরা যোগী আদিত্যনাথ এবং নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে চলেছে। কিন্তু এই অভিযোগ এবং আক্রমণ সত্ত্বেও উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়ে দিয়েছে, কুম্ভমেলায় এ পর্যন্ত ৩ লক্ষ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে। প্রত্যাশার চেয়েও যার পরিমাণ অনেকটাই বেশি। 
Advertisement
শুক্রবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারি বলেছেন, ধর্মীয় স্থানের পর্যটন কোন পর্যায়ে যেতে পারে তার প্রমাণ কুম্ভমেলা। জিডিপিতে ৩ লক্ষ কোটি টাকা যুক্ত করেছে কুম্ভ। আরও একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, আমরা প্রয়াগরাজকে সাজাতে কিংবা কুম্ভের আয়োজনে কেন হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছি, এই প্রশ্ন তুলে বিরোধীরা বহু আক্রমণ করেছে। কুম্ভ আয়োজনে আমাদের পরিকাঠামো খাতে ব্য‌য় হয়েছে ১৫০০ কোটি টাকা। আর আয় হয়েছে ৩ লক্ষ কোটি টাকা। এ পর্যন্ত ৫ কোটি মানুষ ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করেছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে কুম্ভমেলায়। যোগী আদিত্যনাথের সুরেই নীতিন  গাদকারি বলেছেন, এই যে ৩ লক্ষ কোটি টাকা আয় হল, এটা রাজ্যের প্রভূত উন্নতি সাধন করবে। কুম্ভমেলাকে সাধারণ মানুষের জন্য একটি ধর্মীয় স্থল হিসেবে নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ প্রয়াসে। আর তাই এই রেকর্ড আয়। সুতরাং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অথবা মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, মাত্র এক মাসের মধ্যেই কুম্ভ ইকনমির উদ্দেশ্য সফল।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ