সংবাদদাতা, কান্দি: পুরনো হস্টেল পরিত্যক্ত ঘোষণার পর পেরিয়ে গিয়েছে ১২ বছর। তারপরও কান্দি রাজ কলেজে নতুন হস্টেল তৈরি হয়নি। অগত্যা দূরে বেশি খরচ দিয়ে ছাত্রদের ভাড়া ঘরে বা মেসে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০১২সালে শহরের একমাত্র ছাত্র হস্টেলটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
Advertisement
কান্দি রাজ কলেজে প্রায় ২৮০০ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করেন। বিজ্ঞান ও কলা বিভাগ চালু রয়েছে এখানে। কলেজে দূরের ছাত্রের সংখ্যাই বেশি। এই মহকুমা এলাকায় রেল যোগাযোগ নেই। বাসে করেই দূরের ছাত্রছাত্রীদের কলেজে আসতে হয়। সেকারণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অনেকে ঘর ভাড়া নিয়ে বা কয়েকজন মিলে মেসে থেকে পড়াশোনা করছেন। অনেক ছাত্র ভাড়াঘরে থেকে পড়াশোনা করার ইচ্ছে থাকলেও পরিবারের আর্থিক সমস্যার কারণে পিছিয়ে যাচ্ছেন।
কান্দি মোহনবাগান মাঠের দক্ষিণে ১৯৬২সালে শহরের একমাত্র ছাত্রাবাসটি তৈরি হয়েছিল। সেখানে ১২০জন ছাত্রের থাকার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু ২০১২সালে ছাত্রাবাসের বেহাল অবস্থার কারণে সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে প্রশাসন। এখন ওই ছাত্রাবাস আগাছায় ভর্তি হয়ে রয়েছে। দেওয়ালে ফাটল ধরে যে কোনও সময় গোটা ছাত্রাবাসই ধসে পড়তে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা। তাই কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই ছাত্রাবাস এলাকায় কারও ঢোকা পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে। এরমধ্যে পেরিয়ে গিয়েছে প্রায় ১২বছর। কলেজ কর্তৃপক্ষ কয়েকবার নতুন ছাত্রাবাস তৈরির জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার ওই আবেদনে সাড়া দেয়নি। তাই ছাত্রদের বাধ্য হয়ে শহরে ঘরভাড়া নিয়ে পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে। কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১সালে শিক্ষাদপ্তরের কাছে হস্টেলের জন্য প্রথমবার আবেদন করা হয়। এরপর গত সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাদপ্তরের স্ট্যাডিং কমিটির সদস্যরা কলেজ পরিদর্শনে আসেন। সেই সময় ফের হস্টেলের বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত হস্টেলের অনুমোদন মেলেনি। কলেজের অধ্যক্ষা সোমা দত্ত বলেন, হস্টেল না থাকায় ছাত্রদের খুব সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু তা তৈরির মতো কলেজের কোনও ফান্ড নেই। তবে শিক্ষা দপ্তরের কাছে বারবার হস্টেলের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
কলেজের কলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সালারের বাসিন্দা মহম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, এখানে কলেজে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু হস্টেলের সুবিধা না থাকায় কয়েকজন মিলে মেসে থেকে পড়াশোনা চালাতে হয়। এতে খরচ বেশি হচ্ছে। আমাদের পরিবারের আয় কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। বাড়ির উপর চাপ পড়ছে। কান্দির জামনা গ্রামের কলা বিভাগের ছাত্র অলিম মির্জা জানান, তাঁর গ্রাম থেকে কলেজের দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। তাই বাধ্য হয়ে ঘর ভাড়া নিয়ে পড়াশুনা চালাচ্ছেন। ছাত্ররা জানিয়েছেন, পড়াশোনার জন্য শহরে অনেক ছাত্র ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছেন। প্রত্যেকের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব ছাত্রাবাস তৈরি হোক। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, ছাত্রাবাসের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনও অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
কান্দি মোহনবাগান মাঠের দক্ষিণে ১৯৬২সালে শহরের একমাত্র ছাত্রাবাসটি তৈরি হয়েছিল। সেখানে ১২০জন ছাত্রের থাকার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু ২০১২সালে ছাত্রাবাসের বেহাল অবস্থার কারণে সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে প্রশাসন। এখন ওই ছাত্রাবাস আগাছায় ভর্তি হয়ে রয়েছে। দেওয়ালে ফাটল ধরে যে কোনও সময় গোটা ছাত্রাবাসই ধসে পড়তে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা। তাই কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই ছাত্রাবাস এলাকায় কারও ঢোকা পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে। এরমধ্যে পেরিয়ে গিয়েছে প্রায় ১২বছর। কলেজ কর্তৃপক্ষ কয়েকবার নতুন ছাত্রাবাস তৈরির জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার ওই আবেদনে সাড়া দেয়নি। তাই ছাত্রদের বাধ্য হয়ে শহরে ঘরভাড়া নিয়ে পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে। কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১সালে শিক্ষাদপ্তরের কাছে হস্টেলের জন্য প্রথমবার আবেদন করা হয়। এরপর গত সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাদপ্তরের স্ট্যাডিং কমিটির সদস্যরা কলেজ পরিদর্শনে আসেন। সেই সময় ফের হস্টেলের বিষয়টি জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত হস্টেলের অনুমোদন মেলেনি। কলেজের অধ্যক্ষা সোমা দত্ত বলেন, হস্টেল না থাকায় ছাত্রদের খুব সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু তা তৈরির মতো কলেজের কোনও ফান্ড নেই। তবে শিক্ষা দপ্তরের কাছে বারবার হস্টেলের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
কলেজের কলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সালারের বাসিন্দা মহম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, এখানে কলেজে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু হস্টেলের সুবিধা না থাকায় কয়েকজন মিলে মেসে থেকে পড়াশোনা চালাতে হয়। এতে খরচ বেশি হচ্ছে। আমাদের পরিবারের আয় কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। বাড়ির উপর চাপ পড়ছে। কান্দির জামনা গ্রামের কলা বিভাগের ছাত্র অলিম মির্জা জানান, তাঁর গ্রাম থেকে কলেজের দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। তাই বাধ্য হয়ে ঘর ভাড়া নিয়ে পড়াশুনা চালাচ্ছেন। ছাত্ররা জানিয়েছেন, পড়াশোনার জন্য শহরে অনেক ছাত্র ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছেন। প্রত্যেকের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব ছাত্রাবাস তৈরি হোক। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, ছাত্রাবাসের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনও অনুমোদন পাওয়া যায়নি।



