সংবাদদাতা, দিনহাটা: বিএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবসে আয়ুর্বেদিক বাগান তৈরি করল ১৩৮ নম্বর ব্যাটালিয়ন। পরিবেশ রক্ষায় আরও যত্নশীল হওয়ার জন্য জওয়ানদের বার্তা দিলেন আধিকারিকরা। নিজের সন্তানের মতো করে রোপণ করা চারাগুলি লালনপালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সীমান্ত রক্ষায় নিজেদের জীবন যেভাবে উৎসর্গ করেন সৈনিকরা সেভাবেই চারাগুলি রক্ষায় উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেন ১৩৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট ললিত কুমার।
Advertisement
রবিবার কোচবিহারের সোনারীতে বাগান তৈরির কাজের সূচনা করেন কোচবিহার সেক্টরে ডিআইজি জি এস ধালিয়াল। উপস্থিত ছিলেন ১৩৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার ললিত কুমার, ৯০ নম্বর ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট বিজয় কুমার সহ বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকরা। কোচবিহার সীমান্তজুড়ে একাধিক জায়গায় চারা রোপণ কর্মসূচি নেয় একাধিক ব্যাটালিয়ন।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, আমলা, জাম, নিম সহ একাধিক গাছের চারা লাগানো হয় ১৩৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের হেডকোয়ার্টার সোনারীতে। কোচবিহার সেক্টরের হেডকোয়ার্টারেও একাধিক চারা লাগান ডিআইজি জি এস ধালিয়াল। ওই সেক্টরের অধীনে ৯০ নম্বর ব্যাটালিয়নও গাছের চারা রোপণ করা হয়। কোচবিহার সেক্টরের অধীনে পাঁচ হাজারেরও বেশি চারা লাগানো হয়েছে এদিন। গোপালপুর সেক্টরের ডিআইজি কীর্তি দত্ত যাদবের নেতৃত্বে এক হাজারের বেশি চারা লাগানো হয় গোপালপুরে।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, আমলা, জাম, নিম সহ একাধিক গাছের চারা লাগানো হয় ১৩৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের হেডকোয়ার্টার সোনারীতে। কোচবিহার সেক্টরের হেডকোয়ার্টারেও একাধিক চারা লাগান ডিআইজি জি এস ধালিয়াল। ওই সেক্টরের অধীনে ৯০ নম্বর ব্যাটালিয়নও গাছের চারা রোপণ করা হয়। কোচবিহার সেক্টরের অধীনে পাঁচ হাজারেরও বেশি চারা লাগানো হয়েছে এদিন। গোপালপুর সেক্টরের ডিআইজি কীর্তি দত্ত যাদবের নেতৃত্বে এক হাজারের বেশি চারা লাগানো হয় গোপালপুরে।



