সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: প্রশাসনের তরফে পুরাতন মালদহ এবং রতুয়া-২ ব্লকের বলরামপুর-পিরগঞ্জ গ্রামে মহানন্দা নদীর উপর কংক্রিটের সেতু তৈরি নিয়ে একাধিক বার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজও সেই সেতু নির্মাণ হয়নি। এনিয়ে ওই দুই ব্লক সহ গাজোলের আদিনার একাংশ ভুক্তভোগীদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। তাঁরা আগামী দিনে দ্রুত কংক্রিটের সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
Advertisement
পুরাতন মালদহের বাসিন্দা জিসান আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে তৎকালীন এক মন্ত্রী এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ৩৬৫ দিনের মধ্যে পাকা সেতু হবে। কিন্তু হয়নি।
তারপর দেখলাম ২০২২ সালে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা এবং জেলা পুলিসের পদস্থ কর্তারা গ্রামে এসেছিলেন। তাঁরা বলে যান কাজ হবে। ওই সময় জেলার এক বিধায়ক বলেছিলেন মাটি পরীক্ষা হয়ে গেলে কাজ এগবে। এখনও পর্যন্ত কিছুই হয়নি। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। আগামী দিনে কাজ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনfহবে। উল্লেখ্য, বলরামপুর- পিরগঞ্জ মহানন্দা নদীর উপর পাকা সেতুর দাবি বামফ্রন্টের আমল থেকেই রয়েছে। নদী সংলগ্ন এলাকায় অনেক কৃষকের জমি রয়েছে। আমের বাগান রয়েছে। এই অবস্থায় তাঁরা জমি সহ বিভিন্ন কাজের দিনভর জুড়ে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে। সেখানে বাঁশের সাঁকো ভরসা হয়ে রয়েছে। বর্ষার সময় মহানন্দা নদীর জল ফুলে ওঠে। তখন পারাপারের জন্য সাঁকো ব্যবহার করা যায় না। নৌকার উপর ভরসা করতে হয়। স্থানীয় কৃষকদের মালপত্র নিয়ে যেতে ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।
মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কংগ্রেসের নবনীতা মণ্ডল বলেন, আমরা জন্মলগ্ন থেকে শুনে আসছি সেতু হবে। কিন্তু কবে হবে কেউ জানে না। আমারও চাই সেতু নির্মাণ হোক। গ্রাম পঞ্চায়েতের এত ফান্ড থাকে না। আমরা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি। আগামী দিনে জানানো হবে। পুরাতন মালদহের বিডিও সেঁজুতি পাল মাইতি বলেন, ভুক্তভোগীদের স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে চিঠি দিতে বলা হয়েছে। সেতুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
তারপর দেখলাম ২০২২ সালে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা এবং জেলা পুলিসের পদস্থ কর্তারা গ্রামে এসেছিলেন। তাঁরা বলে যান কাজ হবে। ওই সময় জেলার এক বিধায়ক বলেছিলেন মাটি পরীক্ষা হয়ে গেলে কাজ এগবে। এখনও পর্যন্ত কিছুই হয়নি। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। আগামী দিনে কাজ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনfহবে। উল্লেখ্য, বলরামপুর- পিরগঞ্জ মহানন্দা নদীর উপর পাকা সেতুর দাবি বামফ্রন্টের আমল থেকেই রয়েছে। নদী সংলগ্ন এলাকায় অনেক কৃষকের জমি রয়েছে। আমের বাগান রয়েছে। এই অবস্থায় তাঁরা জমি সহ বিভিন্ন কাজের দিনভর জুড়ে ওই পথ দিয়ে চলাচল করে। সেখানে বাঁশের সাঁকো ভরসা হয়ে রয়েছে। বর্ষার সময় মহানন্দা নদীর জল ফুলে ওঠে। তখন পারাপারের জন্য সাঁকো ব্যবহার করা যায় না। নৌকার উপর ভরসা করতে হয়। স্থানীয় কৃষকদের মালপত্র নিয়ে যেতে ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।
মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কংগ্রেসের নবনীতা মণ্ডল বলেন, আমরা জন্মলগ্ন থেকে শুনে আসছি সেতু হবে। কিন্তু কবে হবে কেউ জানে না। আমারও চাই সেতু নির্মাণ হোক। গ্রাম পঞ্চায়েতের এত ফান্ড থাকে না। আমরা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি। আগামী দিনে জানানো হবে। পুরাতন মালদহের বিডিও সেঁজুতি পাল মাইতি বলেন, ভুক্তভোগীদের স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে চিঠি দিতে বলা হয়েছে। সেতুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।



