সংবাদদাতা, হলদিয়া: মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতাতে এবার নয়া কৌশল অবলম্বন করছে প্রতারকরা। সম্প্রতি হলদিয়া টাউনশিপে এমনই একটি ঘটনা পুলিসের গোচরে এসেছে। প্রতারকরা টাকা খরচ করে সংবাদপত্রে কর্মখালির বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। তারপর কর্মপ্রার্থীরা সেই বিজ্ঞাপন দেখে আবেদন করলেই অনলাইনে তাঁদের থেকে যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য যেমন, আধার কার্ড, ছবি, ফোন নম্বর ইত্যাদি চাওয়া হচ্ছে। সঙ্গে টাকাও নেওয়া হচ্ছে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা যাচ্ছে পুরোটাই ভুয়ো। ওই তথ্য প্রতারণা কিংবা দেশবিরোধী কাজেও ব্যবহার করার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। হলদিয়ার টাউনশিপের এক তরুণী এভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি পোর্টালে আবেদন করতে গিয়ে সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়েছেন বলে হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ওই তরুণীর বাবা পুলিসে অভিযোগ করেছেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুল প্রচলিত একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় কর্মখালি সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল। সেই বিজ্ঞাপন দেখে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘গ্রামীণ উদ্যমিতা বিকাশ নিগম’-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখায় চাকরির জন্য আবেদন করেন ওই তরুণী। তিনি ওই সংক্রান্ত একটি পোর্টালের মাধ্যমে ৪৩৫ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা করার পাশাপাশি নিজের পাসপোর্ট সাইজ ছবি, নিজের সইয়ের ফটো কপি, আধার নম্বর সহ যাবতীয় তথ্য আপলোড করেন। টাকা জমা দেওয়ার যে কিউআর কোড ছিল, তা একজন ব্যক্তির নামে। রেজিস্ট্রেশনের পর ওই সাইটে কোনও নম্বর জেনারেট হয়নি বলে তরুণীর অভিযোগ। পরে ওই পোর্টাল এবং ওয়েবসাইট নিয়ে খোঁজ করতে তাঁরা জানতে পারেন সেটি ভুয়ো। এরপরই ওই তরুণীর বাবা পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, মেয়ের সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য অজানা কারও হাতে চলে গিয়েছে, কোনও অপরাধমূলক কাজে সেটি ব্যবহৃত হতে পারে। পুলিস এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, ফের বাড়তি আয়ের লোভে সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে হলদিয়া ও মহিষাদলের দুই তরুণ তিন লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন। হলদিয়া ও মহিষাদল থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে অ্যাপে আসা লিঙ্কের মাধ্যমে গ্রুপে যুক্ত হয়েছেন প্রথমে। এরপর আয়ের আশায় টাকা বিনিয়োগ করতে গিয়েই তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। পুলিস জানিয়েছে, পবিত্র শাসমল নামে হলদিয়ার পীতাম্বরচকের এক যুবক প্রায় এক লক্ষ খুইয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই যুবক প্রথমে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং পরে টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন। ওই যুবক প্রথমে ২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে লাভের মুখ দেখেন। এরপর ধাপে ধাপে প্রায় এক লক্ষ টাকা জমা করে আর ফেরত পাননি বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, মহিষাদলের লক্ষ্যার বাসিন্দা রাজকুমার সাহু একইভাবে টাকা বিনিয়োগ করে ভার্চুয়াল সোনা কিনতে গিয়ে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা খুইয়েছেন বলে অভিযোগ। দু’টি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিস।
এদিকে, ফের বাড়তি আয়ের লোভে সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে হলদিয়া ও মহিষাদলের দুই তরুণ তিন লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন। হলদিয়া ও মহিষাদল থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে অ্যাপে আসা লিঙ্কের মাধ্যমে গ্রুপে যুক্ত হয়েছেন প্রথমে। এরপর আয়ের আশায় টাকা বিনিয়োগ করতে গিয়েই তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ। পুলিস জানিয়েছে, পবিত্র শাসমল নামে হলদিয়ার পীতাম্বরচকের এক যুবক প্রায় এক লক্ষ খুইয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই যুবক প্রথমে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং পরে টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন। ওই যুবক প্রথমে ২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে লাভের মুখ দেখেন। এরপর ধাপে ধাপে প্রায় এক লক্ষ টাকা জমা করে আর ফেরত পাননি বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, মহিষাদলের লক্ষ্যার বাসিন্দা রাজকুমার সাহু একইভাবে টাকা বিনিয়োগ করে ভার্চুয়াল সোনা কিনতে গিয়ে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা খুইয়েছেন বলে অভিযোগ। দু’টি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিস।



