নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তারপর বেশ কয়েক বছর কেটে গিয়েছে। অ্যাকাউন্টে একটি টাকাও আসেনি। এখনও অনেকেই আশায় বসে আসছেন, হয়তো একদিন সেই আশ্বাস সত্যি হবে। সেই ‘আশা’কেই কাজে লাগাচ্ছে প্রতারকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারকরা পদ্মফুলের ছবি পোস্ট করেছে। উপরে লেখা রয়েছে ‘ফুলে ক্লিক করুন এবং ৬৮৯ টাকা পান’। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টোপ গিললেই অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যেতে পারে। ফুলে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই একটি লিঙ্ক খুলে যাবে। তাতেই সাইবার প্রতারকরা বাজিমাত করবে। বেশ কিছুদিন ধরেই এই ছবি ‘প্রমোট’ করা হচ্ছে। পদ্মফুল কোনও দলের প্রতীক সেটা কারও অজানা নয়। ভরসা পেয়ে অনেকেই তাতে ক্লিক করবেন, এমন প্রত্যাশা নিয়েই সাইবার প্রতারকরা ফাঁদ পেতেছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সরাসরি লিঙ্কে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার পদ্ধতি পুরনো হয়ে গিয়েছে। সাইবার অপরাধীরা কখনও চাকরি দেওয়ার নামে আবার কখনও অন্য কোনও সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে লিঙ্ক পাঠায়। অনেকে তাতে ক্লিক করে মোটা অঙ্কের টাকা খুইয়েছে। তাই অনেকে এখন লিঙ্কে ক্লিক করতে চায় না। সেই কারণে প্রতারকরা পদ্মফুল সামনে এনেছে। উপর থেকে সেখানে কোনও লিঙ্ক দেখা যাবে না। কিন্তু ফুলে ক্লিক করলেই লিঙ্ক খুলে যাবে। সেটি খোলার পর কিছু তথ্য চাওয়া হবে। সেসব দিয়ে দিলে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই অ্যাকাউন্টে থাকা টাকা অন্যত্র চলে যাবে।
পূর্ব বর্ধমানের এক পুলিস আধিকারিক বলেন, লাগাতার সচেতনতামূলক প্রচার করার পরও অনেকেই প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছে। ছবিতে ক্লিক করে টাকা পাওয়া যায় না। এটা যে কারও জানা উচিত। তারপরও লোভে পড়ে কেউ কেউ ক্লিক করছে। অনেকে আবার জেনেশুনেও ভুল করছে। সাইবার অপরাধীরা নতুন নতুন ফাঁদ পাতবে। সতর্ক থাকা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
তবে, প্রতারকদের এই কৌশল নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, কেউ প্রতরণার শিকার হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া উচিত। তিনিই সবার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। তাঁর ভুয়ো আশ্বাস প্রতারকরা কাজে লাগাচ্ছে। বিজেপি নেতা রাজু পাত্র বলেন, পদ্মফুলের প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও আমাদের দলের নাম লেখা নেই। সেটা হলে সাইবার থানায় অভিযোগ করতাম। প্রধানমন্ত্রীর কথার ভুল ব্যাখা বহুদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেস করে আসছে। তাঁর ভাষণের সঙ্গে এই বিষয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিস অবশ্য জানাচ্ছে, যেকোনও অজানা লিঙ্ক বিপজ্জনক। কোনও কিছুতে ক্লিক করার আগে ভাবা উচিত।
পূর্ব বর্ধমানের এক পুলিস আধিকারিক বলেন, লাগাতার সচেতনতামূলক প্রচার করার পরও অনেকেই প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছে। ছবিতে ক্লিক করে টাকা পাওয়া যায় না। এটা যে কারও জানা উচিত। তারপরও লোভে পড়ে কেউ কেউ ক্লিক করছে। অনেকে আবার জেনেশুনেও ভুল করছে। সাইবার অপরাধীরা নতুন নতুন ফাঁদ পাতবে। সতর্ক থাকা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
তবে, প্রতারকদের এই কৌশল নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, কেউ প্রতরণার শিকার হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া উচিত। তিনিই সবার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। তাঁর ভুয়ো আশ্বাস প্রতারকরা কাজে লাগাচ্ছে। বিজেপি নেতা রাজু পাত্র বলেন, পদ্মফুলের প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও আমাদের দলের নাম লেখা নেই। সেটা হলে সাইবার থানায় অভিযোগ করতাম। প্রধানমন্ত্রীর কথার ভুল ব্যাখা বহুদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেস করে আসছে। তাঁর ভাষণের সঙ্গে এই বিষয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিস অবশ্য জানাচ্ছে, যেকোনও অজানা লিঙ্ক বিপজ্জনক। কোনও কিছুতে ক্লিক করার আগে ভাবা উচিত।



