সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ শহরের মির্জাপুর নিচু এলাকায় মহানন্দা নদীর ধারে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিল পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই মাঠ তৈরির কাজের শিলান্যাস হল। এতে উপস্থিত ছিলেন পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলার শক্রঘ্ন সিনহা বর্মা, শ্যাম মণ্ডল সহ অন্যান্যরা। পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ফান্ড থেকে এজন্য ২৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ওই অর্থে মাঠ জুড়ে আগে সীমানা প্রাচীর তৈরি হবে। তারপর মাঠ সমান করে খেলার উপযুক্ত করা হবে। কাজ শেষ হলে আগামী দিনে ওই মাঠ জুড়ে বসার শেড সহ সৌন্দর্যায়ন করা হবে। এই উদ্যোগকে বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
Advertisement
পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় খেলার পরিবেশ নেই। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খেলার মাঠ করে দেওয়ার জন্য। পুরসভার পক্ষ থেকে সেটার শিলান্যাস হল। মাঠে বাউন্ডারি ওয়াল সহ সমান করা হবে। স্থানীয়রা শরীর চর্চা করতে পারবেন।
পুরাতন মালদহ শহরের মহানন্দা নদীর ধারে মঙ্গলবাড়িতে প্রচুর বসতি গড়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা শরীর চর্চার জন্য নদীর ধারের মাঠ ব্যবহার করে থাকেন। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে বেশ কয়েক বছর আগে শহরের স্কুলপাড়াতে একটি মাঠ সংস্কার করা হয়। তবে শহরের মির্জাপুরে নদীর ধারে মাঠ উন্মুক্ত রয়েছে। খেলার পরিবেশ নেই। মাঠে গোরু ছাগল বিচরণ করে। সেজন্য এলাকায় আরও একটি মাঠের দাবি ওঠে। বিশেষ করে সেখানকার মহিলারা শরীরচর্চার জন্য দূরের মাঠে যেতে পারতেন না। অনেকে রাস্তায়, সংস্কার বিহীন মাঠ ব্যবহার করতেন। এবার থেকে তাঁরা নতুন মাঠ ব্যবহার করতে পারবেন বলে পুরসভা জানিয়েছে।
মঙ্গলবাড়ির বাসিন্দা রানা দাস বলেন, আগে ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ স্কুলপাড়া মাঠ এবং স্থানীয় এলাকায় বেশি হাঁটাহাঁটি করতেন। পুরসভার উদ্যোগ বেশ ভালো।
পুরাতন মালদহ শহরের মহানন্দা নদীর ধারে মঙ্গলবাড়িতে প্রচুর বসতি গড়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা শরীর চর্চার জন্য নদীর ধারের মাঠ ব্যবহার করে থাকেন। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে বেশ কয়েক বছর আগে শহরের স্কুলপাড়াতে একটি মাঠ সংস্কার করা হয়। তবে শহরের মির্জাপুরে নদীর ধারে মাঠ উন্মুক্ত রয়েছে। খেলার পরিবেশ নেই। মাঠে গোরু ছাগল বিচরণ করে। সেজন্য এলাকায় আরও একটি মাঠের দাবি ওঠে। বিশেষ করে সেখানকার মহিলারা শরীরচর্চার জন্য দূরের মাঠে যেতে পারতেন না। অনেকে রাস্তায়, সংস্কার বিহীন মাঠ ব্যবহার করতেন। এবার থেকে তাঁরা নতুন মাঠ ব্যবহার করতে পারবেন বলে পুরসভা জানিয়েছে।
মঙ্গলবাড়ির বাসিন্দা রানা দাস বলেন, আগে ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ স্কুলপাড়া মাঠ এবং স্থানীয় এলাকায় বেশি হাঁটাহাঁটি করতেন। পুরসভার উদ্যোগ বেশ ভালো।



