সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: প্রশাসনের তরফে পুরাতন মালদহ এবং রতুয়া-২ ব্লকের বলরামপুর-পীরগঞ্জ গ্রামে মহানন্দা নদীর উপর কংক্রিটের সেতু তৈরি নিয়ে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও ওই সেতু নির্মাণ হয়নি। ওই এলাকায় পাকা সেতু নির্মাণের দাবিতে দু’দিন ধরে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনে বিক্ষোভ অন্য মাত্রা নিল। বিক্ষুব্ধরা বাঁশের সাঁকোর টেন্ডারে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তির বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ দেখায়। এমনকী তারা পুলিসকে আটকে রাখেও বলে অভিযোগ।
Advertisement
আন্দোলনকারীদের দাবি, সাধারণ মানুষদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। এখানে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের আসতে হবে। দ্রুত কংক্রিটের সেতু তৈরি করতে হবে। না হলে স্থানীয় সড়ক এবং রেল অবরোধ করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দা উদয় মণ্ডল এবং জিসান আহমেদ বলেন, একটা কথা বলতে বলতে আমরা বিরক্ত। আজ তৃতীয় দিনে আন্দোলন। কিছু ব্যক্তি ঘাটে বাঁশের সাঁকোর টেন্ডারে অংশ নেন। তাঁদের বলেছিলাম টেন্ডারে অংশ নেবেন না। তবুও তাঁরা অংশ নিয়েছেন।
আমরা তাঁর বাড়ি ঘেরাও করেছিলাম। তিনি কথা দিয়েছেন টাকা জমা করবেন না। আমরা চাই মানুষ বিনামূল্যে পারাপার হবে। প্রশাসন কিছু বলছে না। পুলিসকেও এদিন আমরা আটকে রেখেছিলাম। জেলা প্রশাসনকে পাকা সেতু তৈরির লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
পুরাতন মালদহের বিডিও সেঁজুতি পাল মাইতি বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখছে, আমাদের কিছু বলার নেই। মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা হবে। পাকা সেতু তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, পুলিসকে আটকে রাখা হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে পুলিস সেখানে ডিউটিতে রয়েছে।
আমরা তাঁর বাড়ি ঘেরাও করেছিলাম। তিনি কথা দিয়েছেন টাকা জমা করবেন না। আমরা চাই মানুষ বিনামূল্যে পারাপার হবে। প্রশাসন কিছু বলছে না। পুলিসকেও এদিন আমরা আটকে রেখেছিলাম। জেলা প্রশাসনকে পাকা সেতু তৈরির লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
পুরাতন মালদহের বিডিও সেঁজুতি পাল মাইতি বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখছে, আমাদের কিছু বলার নেই। মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা হবে। পাকা সেতু তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, পুলিসকে আটকে রাখা হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে পুলিস সেখানে ডিউটিতে রয়েছে।



