নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকায় নাম নেই কোনও বাসিন্দার। এনিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত হল সাহাপুর, মহিষবাথানি ও মুচিয়া। তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতই পুরাতন মালদহ ব্লকের অন্তর্গত।
Advertisement
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ছ’বছর আগে যখন সার্ভে হয়েছিল তখনও সেই তালিকায় কোনও গ্রামবাসীর নাম ছিল না। এবার যখন সার্ভে করে তালিকা প্রকাশিত হল সেখানেও নাম নেই। কারসাজি করে সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধানদের দাবি, এবারের সার্ভের সঙ্গে তাঁদের কেউ জড়িত ছিলেন না। পুরোটাই প্রশাসন সার্ভে করেছে। এখানে প্রশাসন কোনও সার্ভে করতে আসেনি।
পুরাতন মালদহের বিডিও সেঁজুতি পাল মাইতি অবশ্য বলেন, বিষয়টি প্রথম থেকেই চিঠি দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সার্ভে হয়। তখনই কোনও কারণে পুরাতন মালদহের এই তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত বাদ পড়ে। নতুন করে সার্ভে না হলে আর কোনও নাম ঢোকার জায়গা নেই।
তবে প্রশাসনের একাংশের দাবি, আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রকাশিত খসড়া তালিকার উপরে ক্লেইমস অ্যান্ড অবজেকশন জানানো যাবে।
তারপরেও গ্রাম সভা, ব্লক লেভেল কমিটি এবং জেলা পর্যায়ের বৈঠকেও এনিয়ে আলোচনা করে উপভোক্তা তালিকা চূড়ান্ত হবে। যদিও এই তিনটি পঞ্চায়েতের কোনও বাসিন্দার নাম নতুন করে সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে কি না তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।
সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বাম-কংগ্রেসের সমর্থনে বিজেপি বোর্ড গঠন করেছে। সাহাপুর পঞ্চায়েতে মোট ৩০ জন সদস্যের মধ্যে ১৫ জন বিজেপি, ৯ জন তৃণমূল, ৩ জন কংগ্রেস এবং দু’জন বামফ্রন্টের। এছাড়াও একজন নির্দল সদস্য রয়েছেন। সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাম্পি সাহা বলেন, আমাদের এখানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকায় কারোর নাম নেই। কিন্তু কেন নাম নেই, জানতে চাওয়া হলে প্রধান বলেন, হতে পারে বিজেপির বোর্ড বলে।
মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৫ জন সদস্যের মধ্যে তৃণমূল ও কংগ্রেসের ন’জন করে সদস্য রয়েছে। বিজেপির পাঁচ জন ও দু’জন নির্দল সদস্য রয়েছেন। যদিও মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ২১ টি। যারমধ্যে ১২টি আসন পেয়ে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। এছাড়া সাতটি তৃণমূল ও দু’টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। প্রধান বলেন, আমাদের রাজনৈতিকভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে।
পুরাতন মালদহের বিডিও সেঁজুতি পাল মাইতি অবশ্য বলেন, বিষয়টি প্রথম থেকেই চিঠি দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সার্ভে হয়। তখনই কোনও কারণে পুরাতন মালদহের এই তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত বাদ পড়ে। নতুন করে সার্ভে না হলে আর কোনও নাম ঢোকার জায়গা নেই।
তবে প্রশাসনের একাংশের দাবি, আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রকাশিত খসড়া তালিকার উপরে ক্লেইমস অ্যান্ড অবজেকশন জানানো যাবে।
তারপরেও গ্রাম সভা, ব্লক লেভেল কমিটি এবং জেলা পর্যায়ের বৈঠকেও এনিয়ে আলোচনা করে উপভোক্তা তালিকা চূড়ান্ত হবে। যদিও এই তিনটি পঞ্চায়েতের কোনও বাসিন্দার নাম নতুন করে সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে কি না তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।
সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বাম-কংগ্রেসের সমর্থনে বিজেপি বোর্ড গঠন করেছে। সাহাপুর পঞ্চায়েতে মোট ৩০ জন সদস্যের মধ্যে ১৫ জন বিজেপি, ৯ জন তৃণমূল, ৩ জন কংগ্রেস এবং দু’জন বামফ্রন্টের। এছাড়াও একজন নির্দল সদস্য রয়েছেন। সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাম্পি সাহা বলেন, আমাদের এখানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকায় কারোর নাম নেই। কিন্তু কেন নাম নেই, জানতে চাওয়া হলে প্রধান বলেন, হতে পারে বিজেপির বোর্ড বলে।
মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৫ জন সদস্যের মধ্যে তৃণমূল ও কংগ্রেসের ন’জন করে সদস্য রয়েছে। বিজেপির পাঁচ জন ও দু’জন নির্দল সদস্য রয়েছেন। যদিও মহিষবাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ২১ টি। যারমধ্যে ১২টি আসন পেয়ে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। এছাড়া সাতটি তৃণমূল ও দু’টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। প্রধান বলেন, আমাদের রাজনৈতিকভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে।



