সংবাদদাতা, কাঁথি: পাঁচ বছর বয়সে দিল্লিতে গিয়ে হারিয়ে গিয়েছিল ছেলেটি। সেসময় থেকে জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখন পড়াশোনা, খেলাধুলো, সংস্কৃতি চর্চায় ব্লক ও জেলাস্তরে সাফল্য পেয়েছে সে। এই লড়াইয়ে স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বীরপুরুষ’ সম্মান পেল দেশপ্রাণ ব্লকের ফরিদপুরের বোধোদয় শিশু হোমের আবাসিক বাবু সোরেন। বুধবার কলকাতার রবীন্দ্রসদনে ‘এসো সবুজ পৃথিবী গড়ি’ অনুষ্ঠানে নানা জেলার ৩৬জন আবাসিকের সঙ্গে বাবুকে পুরস্কৃত করা হয়।
Advertisement
রাজ্য শিশু সুরক্ষা আয়োগ, নারী ও শিশুবিকাশ দপ্তর ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের মিলিত উদ্যোগে বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠান হয়। সেখানে বিভিন্ন জেলার চাইল্ড কেয়ার হোমের ৫০০ আবাসিক উপস্থিত ছিল। ১৭বছর বয়সী বাবু এই সম্মান পাওয়ায় হোমে ছড়িয়েছে খুশির হাওয়া।
দিল্লিতে গিয়ে কোনওভাবে হারিয়ে গিয়েছিল বাবু। তখন তার বয়স ছিল পাঁচ। স্থানীয় পুলিস তাকে সেখানকার ‘আশিয়ানা বাল ঘর’ হোমে ভর্তি করে। সেই হোমে বাবু দু’বছর ছিল। তখন তার নাম ছিল বাবুজি। তবে তার বাড়ি কোথায়, দিল্লিতে কেন, কাদের সঙ্গে গিয়েছিল, তার কোনও স্পষ্ট তথ্য সে জানাতে পারেনি। দিল্লির হোমে থাকাকালীন একদিন ছোট্ট ছেলেটি অস্ফুট স্বরে জানিয়েছিল, তার নাম বাবু সোরেন। তখন থেকে সেই নামই থেকে গিয়েছে।
পরে বাবু হুগলির কল্যাণভারতী অবজার্ভেশন হোমে পাঁচ বছর ছিল। ২০১৭সালে ফরিদপুরের বিবেকানন্দ লোকশিক্ষা নিকেতন পরিচালিত বোধোদয় হোমে আসে। এরপর এখানকার স্কুলে তাকে ভর্তি করা হয়। আগে কোথাও তার পড়াশোনা হয়নি। এখন সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। এর আগে অন্য আবাসিকদের সঙ্গে বাবুকে খেলাধুলা, নাটক, নাচ, যোগব্যায়াম প্রভৃতি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন ক্রীড়া ও যোগব্যায়াম প্রতিযোগিতায় সে দক্ষতা প্রদর্শন করে। ব্লক ও জেলাস্তরে খেলাধুলা, ছবি আঁকা, নাটক, নাচ ও যোগব্যায়াম প্রতিযোগিতায় অনেক পুরস্কার পায়। পরবর্তীকালে বাবুর কেস হিস্ট্রি রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে পাঠানো হয়। এরপর তাকে ‘বীরপুরুষ’ সম্মানের জন্য বেছে নেওয়া হয়। হোমের সুপার তাপস জানা বলেন, বাবু এই পুরস্কার পেয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে গর্বিত করেছে। হোমের তরফে তাকে সংবর্ধিত করা হবে। আগামিদিনে সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সমাজ গঠনে সক্রিয় হবে বলে আমরা আশাবাদী।
বিবেকানন্দ লোকশিক্ষা নিকেতনের কর্ণধার ব্রজগোপাল সাহু বলেন, বাবুর জীবন আর পাঁচটা ছেলের মতো নয়। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে এই সম্মান পেয়েছে সে। আমরা তাকে কুর্নিশ জানাই।
দিল্লিতে গিয়ে কোনওভাবে হারিয়ে গিয়েছিল বাবু। তখন তার বয়স ছিল পাঁচ। স্থানীয় পুলিস তাকে সেখানকার ‘আশিয়ানা বাল ঘর’ হোমে ভর্তি করে। সেই হোমে বাবু দু’বছর ছিল। তখন তার নাম ছিল বাবুজি। তবে তার বাড়ি কোথায়, দিল্লিতে কেন, কাদের সঙ্গে গিয়েছিল, তার কোনও স্পষ্ট তথ্য সে জানাতে পারেনি। দিল্লির হোমে থাকাকালীন একদিন ছোট্ট ছেলেটি অস্ফুট স্বরে জানিয়েছিল, তার নাম বাবু সোরেন। তখন থেকে সেই নামই থেকে গিয়েছে।
পরে বাবু হুগলির কল্যাণভারতী অবজার্ভেশন হোমে পাঁচ বছর ছিল। ২০১৭সালে ফরিদপুরের বিবেকানন্দ লোকশিক্ষা নিকেতন পরিচালিত বোধোদয় হোমে আসে। এরপর এখানকার স্কুলে তাকে ভর্তি করা হয়। আগে কোথাও তার পড়াশোনা হয়নি। এখন সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। এর আগে অন্য আবাসিকদের সঙ্গে বাবুকে খেলাধুলা, নাটক, নাচ, যোগব্যায়াম প্রভৃতি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন ক্রীড়া ও যোগব্যায়াম প্রতিযোগিতায় সে দক্ষতা প্রদর্শন করে। ব্লক ও জেলাস্তরে খেলাধুলা, ছবি আঁকা, নাটক, নাচ ও যোগব্যায়াম প্রতিযোগিতায় অনেক পুরস্কার পায়। পরবর্তীকালে বাবুর কেস হিস্ট্রি রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে পাঠানো হয়। এরপর তাকে ‘বীরপুরুষ’ সম্মানের জন্য বেছে নেওয়া হয়। হোমের সুপার তাপস জানা বলেন, বাবু এই পুরস্কার পেয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে গর্বিত করেছে। হোমের তরফে তাকে সংবর্ধিত করা হবে। আগামিদিনে সে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সমাজ গঠনে সক্রিয় হবে বলে আমরা আশাবাদী।
বিবেকানন্দ লোকশিক্ষা নিকেতনের কর্ণধার ব্রজগোপাল সাহু বলেন, বাবুর জীবন আর পাঁচটা ছেলের মতো নয়। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে এই সম্মান পেয়েছে সে। আমরা তাকে কুর্নিশ জানাই।



