সংবাদদাতা, ঘাটাল: খুব শীঘ্রই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য প্রধান শিক্ষকের প্যানেল তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হবে। রবিবার দাসপুর-১ ব্লকের শিক্ষকদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এমনটাই আশ্বাস দিলেন জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান অনিমেষ দে। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য প্রধান শিক্ষকের প্যানেল তৈরি হয়নি। এর ফলে স্কুলের নানান প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হচ্ছে। আমরা দ্রুত সরকারি নিয়ম মেনে প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি।’
Advertisement
এক দশকের বেশি সময় ধরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের জন্য কোনও প্যানেল তৈরি হয়নি। ফলে যে সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক অবসর গ্রহণ করেছেন, তাঁদের পরিবর্তে আর নতুন প্রধান শিক্ষক দেওয়া যায়নি। এমনই অবস্থা জেলার ৬০-৭০ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, যাদের কোনও প্রধান শিক্ষক নেই। স্কুলের যাবতীয় দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের কোনও সহকারী শিক্ষককে। এর জন্য তাঁরা কোনও অতিরিক্ত পারিশ্রমিকও পান না। প্রধান শিক্ষক হিসেবে কেউ দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনি মাসে অতিরিক্ত ৪০০ টাকা করেও অতিরিক্ত সাম্মানিক পান। তাই প্রধান শিক্ষকহীন প্রত্যেক স্কুলই চাইছে অবিলম্বে স্কুলগুলিতে প্রধান শিক্ষকের পদে কাউকে পোস্টিং করা হোক। চেয়ারম্যান জানান, তাঁরাও একই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন। তাই অবিলম্বে সমস্ত স্কুলে প্রধান শিক্ষক দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।
ওই সম্মেলনে এসে চেয়ারম্যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যা দিয়েছে তা অপরিসীম। গুণে শেষ করা যাবে না।’ তাঁর সংযোজন, এক সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজেদের টাকায় স্পোর্টস করা হত। কিন্তু বর্তমানে সরকার বাৎসরিক স্পোর্টস করার জন্য টাকা দিচ্ছে। যদিও নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দাসপুর জোনাল সম্পাদক তথা সামাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিআইসি বিকাশ প্রামাণিক বলেন, ‘পাঁচটি পর্যায়ে বাৎসরিক খেলাটি হয়। গ্রামপঞ্চায়েত, সার্কেল, মহকুমা, জেলা ও রাজ্য। তারমধ্যে গ্রামপঞ্চায়েত স্তরে যে খেলাটি হয়, তারজন্য কোনও টাকা দেওয়া হয় না। ওই খেলাটি সম্পন্ন করতে এক একজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ৪০০-৫০০ টাকা করে দিতে হয়।’ বিকাশবাবু জানান, এছাড়াও স্কুলে সিলেবাস, পোশাক সহ নানা বিষয়ে বহু সমস্যা রয়েছে। সেগুলির বিষয়েও চেয়ারম্যান যদি অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন ভালো হত।
ওইদিন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নাড়াজোল-১ চক্রের ১৩তম বার্ষিক চক্র সম্মেলনটি পাচঁবেড়িয়া ইন্দুভূষণ মিশ্র স্মৃতি শিক্ষামন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। তবে সম্মেলনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতির হার দেখে কিছুটা হতাশ হয়েছেন চেয়ারম্যান। সংগঠনের ওই চক্রের সভাপতি সেবকরঞ্জন মাইতি বলেন, ‘কিছু শিক্ষক ভোটার লিস্টে নাম তোলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন, সেজন্য আসতে পারেননি। তা না হলে আমাদের কমবেশি ৮০ শতাংশ সদস্য উপস্থিত হয়েছিলেন।’
ওই সম্মেলনে এসে চেয়ারম্যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবি থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যা দিয়েছে তা অপরিসীম। গুণে শেষ করা যাবে না।’ তাঁর সংযোজন, এক সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজেদের টাকায় স্পোর্টস করা হত। কিন্তু বর্তমানে সরকার বাৎসরিক স্পোর্টস করার জন্য টাকা দিচ্ছে। যদিও নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দাসপুর জোনাল সম্পাদক তথা সামাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিআইসি বিকাশ প্রামাণিক বলেন, ‘পাঁচটি পর্যায়ে বাৎসরিক খেলাটি হয়। গ্রামপঞ্চায়েত, সার্কেল, মহকুমা, জেলা ও রাজ্য। তারমধ্যে গ্রামপঞ্চায়েত স্তরে যে খেলাটি হয়, তারজন্য কোনও টাকা দেওয়া হয় না। ওই খেলাটি সম্পন্ন করতে এক একজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ৪০০-৫০০ টাকা করে দিতে হয়।’ বিকাশবাবু জানান, এছাড়াও স্কুলে সিলেবাস, পোশাক সহ নানা বিষয়ে বহু সমস্যা রয়েছে। সেগুলির বিষয়েও চেয়ারম্যান যদি অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন ভালো হত।
ওইদিন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নাড়াজোল-১ চক্রের ১৩তম বার্ষিক চক্র সম্মেলনটি পাচঁবেড়িয়া ইন্দুভূষণ মিশ্র স্মৃতি শিক্ষামন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়। তবে সম্মেলনে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতির হার দেখে কিছুটা হতাশ হয়েছেন চেয়ারম্যান। সংগঠনের ওই চক্রের সভাপতি সেবকরঞ্জন মাইতি বলেন, ‘কিছু শিক্ষক ভোটার লিস্টে নাম তোলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন, সেজন্য আসতে পারেননি। তা না হলে আমাদের কমবেশি ৮০ শতাংশ সদস্য উপস্থিত হয়েছিলেন।’



