নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর ও সংবাদদাতা তেহট্ট, নবদ্বীপ: মাধ্যমিকের প্রথম দিনের বাংলা পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হল। জেলার কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শুধু তেহট্টে এক পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তার জন্য হাসপাতালে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এদিনের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে মেটায় জেলা শিক্ষাদপ্তর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। কারণ অতীতে দেখা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র সময়মতো কেন্দ্রে না পৌঁছনোয় পরীক্ষা শুরু হতে দেরি হয়েছে।
Advertisement
নদীয়া জেলার ডিআই শুভ্রকান্তি নন্দী বলেন, কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রতিটি জায়গাতেই আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আগামী দিনের পরীক্ষার জন্য সুব্যবস্থা করা হয়েছে।
তেহট্ট থানার আশরাফপুরের পরীক্ষার্থী রবিনা খাতুন রবিবারই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। সেদিন হঠাৎ তার জ্বর, পেটব্যথা শুরু হয়। শরীর এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে, তাকে তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। সেদিন সন্ধ্যা থেকে সে সেখানেই ভর্তি। সোমবার বোর্ডের নির্দেশে সে হাসপাতালে বসেই মাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা দেয়। রবিনা সিদ্ধেশ্বরীতলা ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া। অ্যাডমিট ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। অবশেষে মুশকিল আসান করে পুলিস। তাদের অ্যাডমিট সহ পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেয় তারা। এতে খুশি দুই পড়ুয়া ও তাদের পরিবার।
পুলিস জানিয়েছে, বার্নিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী রেখা প্রামাণিক স্কুল থেকে অ্যাডমিটই তোলেনি। হাঁসপুকুরিয়া বিদ্যাপীঠে তার পরীক্ষাকেন্দ্র। এদিন অ্যাডমিট ছাড়া স্কুলে গিয়ে সে আর ঢুকতে পারেনি। বার্নিয়া পুলিস ক্যাম্পের ইনচার্জ মানব ঘোষ তা জানতে পেরে ওই পড়ুয়াকে নিয়ে বার্নিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে পৌঁছন। সেখান থেকে অ্যাডমিট নিয়ে ওই ছাত্রীকে হাঁসপুকুরিয়া বিদ্যাপীঠে পৌঁছে দেন।
আবার, হাঁসপুকুরিয়া বিদ্যাপীঠের ছাত্রী লতিকা বিশ্বাসের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল বার্নিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে। সে অ্যাডমিট বাড়িতেই রেখে এসেছিল। লতিকার বাড়ি হাঁসপুকুরিয়া গ্রামের বেশ কিছুটা ভিতরে। একথা জেনে পুলিসকর্মী মানববাবু তাকে নিজের গাড়িতে নিয়ে রওনা দেন। অ্যাডমিট নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে লতিকার চার মিনিট দেরি হয়। সে বলে, পরীক্ষা ভালোই হয়েছে। পুলিস আমাকে খুব সাহায্য করেছে।
রবিবার রাতেই তার পরিবার ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিনারুল শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করে। প্রধান শিক্ষক বলেন, আমি সকালে মাধ্যমিকের তেহট্ট মহকুমার কনভেনারকে বিষয়টি জানাই। এরপর বোর্ডের নির্দেশে হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন কনভেনার।
এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পানীয় জল, ফুল ও কলম দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল তৃণমূল। বার্নিয়ায় এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। কৃষ্ণনগর শহরের বিভিন্ন জায়গাতেও শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়। নবদ্বীপের বিভিন্ন রাস্তায় ফেরিঘাট এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে পুলিসি নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস পঞ্চায়েতের উদ্যোগে শিবনিবাস মোহনানন্দ উচ্চবিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পানীয় জল ও পেন দেওয়া হয়। অভিভাবকদেরও পানীয় জল দেওয়া হয়। নদীয়া জেলায় এবছর প্রায় ৬০হাজার পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছে। জেলার ১৭২টি ভেন্যুতে এই পরীক্ষা হবে। যার মধ্যে প্রধান ভেন্যুর সংখ্যা ৪৬। সাব ভেন্যু রয়েছে ১২৬টি। জেলার ২৮ হাজার ৬১৬জন ছাত্র ও ৩০ হাজার ৭২৭জন ছাত্রী পরীক্ষা দিচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র
তেহট্ট থানার আশরাফপুরের পরীক্ষার্থী রবিনা খাতুন রবিবারই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। সেদিন হঠাৎ তার জ্বর, পেটব্যথা শুরু হয়। শরীর এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে, তাকে তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। সেদিন সন্ধ্যা থেকে সে সেখানেই ভর্তি। সোমবার বোর্ডের নির্দেশে সে হাসপাতালে বসেই মাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা দেয়। রবিনা সিদ্ধেশ্বরীতলা ইনস্টিটিউটের পড়ুয়া। অ্যাডমিট ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। অবশেষে মুশকিল আসান করে পুলিস। তাদের অ্যাডমিট সহ পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেয় তারা। এতে খুশি দুই পড়ুয়া ও তাদের পরিবার।
পুলিস জানিয়েছে, বার্নিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী রেখা প্রামাণিক স্কুল থেকে অ্যাডমিটই তোলেনি। হাঁসপুকুরিয়া বিদ্যাপীঠে তার পরীক্ষাকেন্দ্র। এদিন অ্যাডমিট ছাড়া স্কুলে গিয়ে সে আর ঢুকতে পারেনি। বার্নিয়া পুলিস ক্যাম্পের ইনচার্জ মানব ঘোষ তা জানতে পেরে ওই পড়ুয়াকে নিয়ে বার্নিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে পৌঁছন। সেখান থেকে অ্যাডমিট নিয়ে ওই ছাত্রীকে হাঁসপুকুরিয়া বিদ্যাপীঠে পৌঁছে দেন।
আবার, হাঁসপুকুরিয়া বিদ্যাপীঠের ছাত্রী লতিকা বিশ্বাসের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল বার্নিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে। সে অ্যাডমিট বাড়িতেই রেখে এসেছিল। লতিকার বাড়ি হাঁসপুকুরিয়া গ্রামের বেশ কিছুটা ভিতরে। একথা জেনে পুলিসকর্মী মানববাবু তাকে নিজের গাড়িতে নিয়ে রওনা দেন। অ্যাডমিট নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে লতিকার চার মিনিট দেরি হয়। সে বলে, পরীক্ষা ভালোই হয়েছে। পুলিস আমাকে খুব সাহায্য করেছে।
রবিবার রাতেই তার পরিবার ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিনারুল শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করে। প্রধান শিক্ষক বলেন, আমি সকালে মাধ্যমিকের তেহট্ট মহকুমার কনভেনারকে বিষয়টি জানাই। এরপর বোর্ডের নির্দেশে হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন কনভেনার।
এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পানীয় জল, ফুল ও কলম দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল তৃণমূল। বার্নিয়ায় এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। কৃষ্ণনগর শহরের বিভিন্ন জায়গাতেও শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়। নবদ্বীপের বিভিন্ন রাস্তায় ফেরিঘাট এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে পুলিসি নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস পঞ্চায়েতের উদ্যোগে শিবনিবাস মোহনানন্দ উচ্চবিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পানীয় জল ও পেন দেওয়া হয়। অভিভাবকদেরও পানীয় জল দেওয়া হয়। নদীয়া জেলায় এবছর প্রায় ৬০হাজার পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছে। জেলার ১৭২টি ভেন্যুতে এই পরীক্ষা হবে। যার মধ্যে প্রধান ভেন্যুর সংখ্যা ৪৬। সাব ভেন্যু রয়েছে ১২৬টি। জেলার ২৮ হাজার ৬১৬জন ছাত্র ও ৩০ হাজার ৭২৭জন ছাত্রী পরীক্ষা দিচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র



