নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে। সেকারণে বিয়েতে লোকজন নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে পারেননি। তাই ইচ্ছে ছিল, প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের বাড়িতে ডেকে খাওয়াবেন। সেইমতো নিমন্ত্রণও সেরে ফেলেছিলেন। কিন্তু বিবাহ বার্ষিকীর আগের দিন বেঁকে বসেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। জানিয়ে দেন, এখন কোনও অনুষ্ঠান করে লোকজন খাওয়ানো যাবে না। এনিয়ে রবিবার রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে বচসা হয় বধূর। পরিণামে স্বামী সহ শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ।
Advertisement
এমনকী আছাড় মেরে ভেঙে দেওয়া হয় ওই বধূর মোবাইল ফোনও। এই ‘অপমান’ সহ্য করতে পারেননি বধূ। সোমবার,প্রথম বিবাহ বার্ষিকীর দিন সকালে বাথরুমে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম ঝুমা বিশ্বাস (২১)। বধূর বাপেরবাড়ির লোকজনের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস মৃতার স্বামীকে আটক করেছে। লিখিত অভিযোগ দায়ের হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে পুলিস জানিয়েছে। জলপাইগুড়ির সুকান্তনগর এলাকার এ ঘটনায় আলোড়ন ছড়িয়েছে। জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের মর্গে এদিন ঝুমার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পুলিস জানিয়েছে, আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
শ্বশুরবাড়ির পাশেই ঝুমার বাপেরবাড়ি। সেই সূত্রেই দু’জনের প্রেম। তার পর বাড়ি থেকে পালিয়ে নদীয়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে বিয়ে। পরে অবশ্য মেনে নেয় শ্বশুরবাড়ির পরিবার। ঝুমার বাপেরবাড়ির তরফে সোনার গয়নাও দেওয়া হয়। সবই ঠিকঠাক চলছিল। সমস্যা তৈরি হয় দিন কয়েক আগে। পরিবার সূত্রে খবর, ঝুমা আবদার করেন, বিয়েতে কোনও লোকজন নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে পারিনি। তাই প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে অনুষ্ঠান করতে চাই। স্ত্রীর প্রস্তাবে প্রথমে নাকি সায় দিয়েছিলেন পেশায় দিনমজুর স্বামী। সোমবার ছিল বিবাহ বার্ষিকী। কিন্তু রবিবার রাতেও কোনও আয়োজন না দেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে বিষয়টি জানতে চান ঝুমা। সেসময় তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা জানিয়ে দেন, এখন টাকাপয়সা নেই। ফলে অনুষ্ঠান করা যাবে না।
এদিন জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল চত্বরে দাঁড়িয়ে মৃতার শ্বশুর পেশায় টোটোচালক বিশ্বনাথ মজুমদার বলেন, এখন ছেলের কাজকর্ম নেই। আমারও হাতে টাকাপয়সা নেই। তাই বউমাকে বলেছিলাম, ক’দিন পরে অনুষ্ঠান করতে। এনিয়ে রবিবার রাতে একটু ঝামেলা হয়। কথা না শোনায় বউমার গায়ে হাত তোলে ছেলে। আমি বা আমার স্ত্রী কিছু বলিনি। তাঁর দাবি, সোমবার ভোরে বউমা ঘুম থেকে উঠে বাইরে থেকে আমাদের ঘরের দরজা আটকে দেয়। আমার বাড়ির পাশেই ভাইপো থাকে। তাকে ফোন করে কোনওমতে দরজা খোলাই। তারপর বউমার খোঁজ করতে গিয়ে দেখি, ভাইপোর বাড়ির পরিত্যক্ত বাথরুমে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এমনটা যে ঘটবে আমরা ভাবতেই পারিনি। আমার ছেলেকে পুলিস আটক করেছে।
শ্বশুরবাড়ির পাশেই ঝুমার বাপেরবাড়ি। সেই সূত্রেই দু’জনের প্রেম। তার পর বাড়ি থেকে পালিয়ে নদীয়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে বিয়ে। পরে অবশ্য মেনে নেয় শ্বশুরবাড়ির পরিবার। ঝুমার বাপেরবাড়ির তরফে সোনার গয়নাও দেওয়া হয়। সবই ঠিকঠাক চলছিল। সমস্যা তৈরি হয় দিন কয়েক আগে। পরিবার সূত্রে খবর, ঝুমা আবদার করেন, বিয়েতে কোনও লোকজন নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে পারিনি। তাই প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে অনুষ্ঠান করতে চাই। স্ত্রীর প্রস্তাবে প্রথমে নাকি সায় দিয়েছিলেন পেশায় দিনমজুর স্বামী। সোমবার ছিল বিবাহ বার্ষিকী। কিন্তু রবিবার রাতেও কোনও আয়োজন না দেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে বিষয়টি জানতে চান ঝুমা। সেসময় তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা জানিয়ে দেন, এখন টাকাপয়সা নেই। ফলে অনুষ্ঠান করা যাবে না।
এদিন জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল চত্বরে দাঁড়িয়ে মৃতার শ্বশুর পেশায় টোটোচালক বিশ্বনাথ মজুমদার বলেন, এখন ছেলের কাজকর্ম নেই। আমারও হাতে টাকাপয়সা নেই। তাই বউমাকে বলেছিলাম, ক’দিন পরে অনুষ্ঠান করতে। এনিয়ে রবিবার রাতে একটু ঝামেলা হয়। কথা না শোনায় বউমার গায়ে হাত তোলে ছেলে। আমি বা আমার স্ত্রী কিছু বলিনি। তাঁর দাবি, সোমবার ভোরে বউমা ঘুম থেকে উঠে বাইরে থেকে আমাদের ঘরের দরজা আটকে দেয়। আমার বাড়ির পাশেই ভাইপো থাকে। তাকে ফোন করে কোনওমতে দরজা খোলাই। তারপর বউমার খোঁজ করতে গিয়ে দেখি, ভাইপোর বাড়ির পরিত্যক্ত বাথরুমে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এমনটা যে ঘটবে আমরা ভাবতেই পারিনি। আমার ছেলেকে পুলিস আটক করেছে।



