সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বেপরোয়া গতিতে চলা পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মৃত্যু হল তিনজনের। জখম হয়েছেন চালক সহ আরও একজন। শনিবার ভোরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুরগামী ৩১ নং জাতীয় সড়কে কালীমন্দিরের সামনে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মুহূর্তে শোরগোল পড়ে যায়। মৃত তিনব্যক্তির নাম দিলীপ সাহা (৪৯), সুরেশ খৈতান ( ৬০) ও ফেকনলাল রাম (৬৫)। আহত হয়েছেন মৃত দিলীপ সাহার স্ত্রী শ্রাবণী সাহা (৪০)। প্রত্যেকের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটায়। গুরুতর জখম হয়েছেন গাড়িচালক মহম্মদ হেলালও (২৫)। তাঁর বাড়ি চাঁচলের বিষ্টপুর এলাকায়।
Advertisement
প্রতিদিনের মতো শনিবার ভোরেও তুলসীহাটার পাঁচজন প্রাতঃভ্রমণে বের হন। ৩১ নং জাতীয় সড়কের ধারে দাঁড়িয়ে ব্যায়াম করছিলেন তিনজন। শঙ্করপদ কর্মকার মন্দিরের ভিতরে গিয়ে শরীরচর্চা করছিলেন। শ্রাবণী বসে ছিলেন মন্দিরের ধাপে।
হঠাত্ সেসময় তুলসীহাটার দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসা একটি পিকআপ ভ্যান রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ওই তিনজনকে ধাক্কা মারে। গাড়িটিও রাস্তার ধারে খালে পড়ে যায়।
গাড়িটি এতটাই জোরে ধাক্কা মারে যে, দেহগুলি রাস্তা থেকে ৫০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিস। দেহ তিনটি উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে। গাড়ি চালককেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসকরা চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করে দেন। তিনজনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম। কান্নায় ভেঙে পড়েছে নিহতদের পরিবার। নিহতদের পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন চাঁচল মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায়, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দেন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি বলেন, গাড়িটি আটক করা হয়েছে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তদন্ত শুরু হয়েছে।
হঠাত্ সেসময় তুলসীহাটার দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসা একটি পিকআপ ভ্যান রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ওই তিনজনকে ধাক্কা মারে। গাড়িটিও রাস্তার ধারে খালে পড়ে যায়।
গাড়িটি এতটাই জোরে ধাক্কা মারে যে, দেহগুলি রাস্তা থেকে ৫০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিস। দেহ তিনটি উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে। গাড়ি চালককেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসকরা চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করে দেন। তিনজনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম। কান্নায় ভেঙে পড়েছে নিহতদের পরিবার। নিহতদের পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন চাঁচল মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায়, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দেন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি বলেন, গাড়িটি আটক করা হয়েছে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তদন্ত শুরু হয়েছে।



