নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: তিনি প্যাথলজির চিকিৎসক। অথচ তাঁকে নাকি সেই ডিপার্টমেন্ট ছাড়া অন্য সব বিভাগেই কাজ করানো হচ্ছে। এমনকী, ইচ্ছাকৃতভাবে মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপ, বিশ্রামহীন শিডিউলে ফেলা হচ্ছে। শেষ নয় এখানেও। প্রতিবাদ করতেই ওই মহিলা সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসককে দ্বিতীয় ‘অভয়া’ করে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল খোদ হাসপাতাল সুপারের বিরুদ্ধে। ভীত-সন্ত্রস্ত ওই মহিলা চিকিৎসক গোটা ঘটনাটি জানিয়ে শান্তিপুর থানা, নদীয়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং হেলথ সার্ভিসের ডিরেক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সুপার তারককুমার বর্মণের অবশ্য দাবি, ‘অভিযোগের পিছনে প্ররোচনা থাকতে পারে। অভিযোগ সর্বেব মিথ্যা।’ সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে শান্তিপুর হাসপাতালে সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক হিসেবে কাজে যোগ দেন সুকন্যা রায়। কিন্তু সেই হাসপাতালে প্রায় তিন মাসের বেশি পার হয়ে গেলেও তাঁর ডিপার্টমেন্ট অর্থাৎ, প্যাথলজিতেই তাঁকে পোস্টিং দেওয়া হয়নি। বরং আউটডোর, ইমারজেন্সিসহ অন্যান্য একাধিক জায়গায় তাঁকে ‘জেনারেল ফিজিশিয়ান’ হিসেবেই কাজে লাগানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। তিনি বলেন, প্রতিবাদ করাতে সুপার অভয়াকান্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। আমি আতঙ্কে রয়েছি।’



