সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে দলেরই এক কর্মীকে ডেকে নিয়ে এসে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলেই এলাকায় পরিচিত। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে তুফানগঞ্জ শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ টাউন পার্টি অফিসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাতে উত্তেজনা ছড়ায়। তুষার সাহা নামে জখম ওই তৃণমূল কর্মীকে রাতেই তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে কোচবিহার মেডিক্যালে রেফার করেন। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে।
Advertisement
এদিকে, আক্রান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে রাতেই তুফানগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তুফানগঞ্জ মহকুমা পুলিস আধিকারিক কান্নিধারা মনোজ কুমার বলেন, তদন্তে নেমে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আক্রান্ত তুষার সাহার বাবা তাপস সাহা সোমবার বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে ফোন করে পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যায় ওরা। সেখানে ছেলে গেলে প্রথমে অকথ্য ভাষায় ওকে গালিগালাজ করতে শুরু করে। ছেলে প্রতিবাদ করায় আচমকা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারে। এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারে। এমনকী পকেটে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকাও ওরা ছিনিয়ে নেয়। কোনও মতে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে ও। বেশকিছু দিন থেকেই ওরা হুমকি দিয়ে আসছিল।
আর এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই শাসক শিবিরকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু করেছে বিরোধীরা। বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের সহ আহ্বায়ক নিখিল গাবুয়া বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মূল কারণই কাটমানি। যার জেরে ওই ঘটনা। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে। সিপিএমের কোচবিহার জেলা কমিটির সদস্য অসীম সাহা বলেন, আসলে নিজেদের মধ্যে টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে যে এই দ্বন্দ্ব তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। যদিও তৃণমূলের তুফানগঞ্জ শহর ব্লক সভাপতি ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় হলেও বিরোধীরা যাই বলুক আমাদের দল এই কাজকে কখনই সমর্থন করে না।
আক্রান্ত তুষার সাহার বাবা তাপস সাহা সোমবার বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে ফোন করে পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যায় ওরা। সেখানে ছেলে গেলে প্রথমে অকথ্য ভাষায় ওকে গালিগালাজ করতে শুরু করে। ছেলে প্রতিবাদ করায় আচমকা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারে। এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারে। এমনকী পকেটে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকাও ওরা ছিনিয়ে নেয়। কোনও মতে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে ও। বেশকিছু দিন থেকেই ওরা হুমকি দিয়ে আসছিল।
আর এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই শাসক শিবিরকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু করেছে বিরোধীরা। বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের সহ আহ্বায়ক নিখিল গাবুয়া বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মূল কারণই কাটমানি। যার জেরে ওই ঘটনা। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে। সিপিএমের কোচবিহার জেলা কমিটির সদস্য অসীম সাহা বলেন, আসলে নিজেদের মধ্যে টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে যে এই দ্বন্দ্ব তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। যদিও তৃণমূলের তুফানগঞ্জ শহর ব্লক সভাপতি ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় হলেও বিরোধীরা যাই বলুক আমাদের দল এই কাজকে কখনই সমর্থন করে না।



