সংবাদদাতা,ইসলামপুর: ইসলামপুরের রামগঞ্জে ফের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসার গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ। শনিবার সতসকালে মৃতার পরিবার নার্সিংহোমের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃতা জ্যোৎস্না খাতুনের (২৫) বাড়ি চোপড়ার থানার লক্ষ্মীপুরে।
Advertisement
প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে শুক্রবার বিকেলে এই নার্সিংহোমে ভর্তি হন জ্যোৎস্না। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় সিজার হয়। একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। সিজারের দু’ঘণ্টা পর থেকে প্রসূতির শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। রাত ১ টা নাগাদ নার্সিংহোম থেকে প্রসূতিকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। রাতেই প্রসূতিকে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করার ১০ মিনিটের মধ্যেই মৃত্যু হয়।
মৃতার স্বামী আবুল আজাদ বলেন, সিজারের পর স্ত্রীকে বেডে দেয় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। ৮ টায় ফের তাকে চিকিৎসার জন্য ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। স্ত্রীর কী হয়েছে, জানতে চাইলে নার্সিংহোমের কর্মীরা বলেন, গ্যাসের সমস্যা হয়েছে। রাত ১ টা নাগাদ রেফার করা হয়। শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই স্ত্রীর মৃত্যু হয়।
আজাদের অভিযোগ, রামগঞ্জের নার্সিংহোমে সিজারের সময় কিছু গাফিলতি হয়েছে। নাহলে এমন হতে পারে না। আমি এর বিচার চাই। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ অবশ্য গাফিলতির অভিযোগ মানতে নারাজ। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের পক্ষে মোক্তার আলম বলেন, চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি হয়নি।
১ জানুয়ারি রামগঞ্জের অন্য একটি নার্সিংহোমে প্রসূতির মৃত্যুতে চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। সেদিনও রোগীর পরিজনরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এবার ফের একই ঘটনা রামগঞ্জের অন্য একটি নার্সিংহোমে। ফলে নার্সিংহোমগুলির পরিষেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নার্সিংহোমের পরিকাঠামোগত দিকগুলি প্রশাসন খতিয়ে দেখুক, দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা।
মৃতার স্বামী আবুল আজাদ বলেন, সিজারের পর স্ত্রীকে বেডে দেয় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। ৮ টায় ফের তাকে চিকিৎসার জন্য ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। স্ত্রীর কী হয়েছে, জানতে চাইলে নার্সিংহোমের কর্মীরা বলেন, গ্যাসের সমস্যা হয়েছে। রাত ১ টা নাগাদ রেফার করা হয়। শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই স্ত্রীর মৃত্যু হয়।
আজাদের অভিযোগ, রামগঞ্জের নার্সিংহোমে সিজারের সময় কিছু গাফিলতি হয়েছে। নাহলে এমন হতে পারে না। আমি এর বিচার চাই। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ অবশ্য গাফিলতির অভিযোগ মানতে নারাজ। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের পক্ষে মোক্তার আলম বলেন, চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি হয়নি।
১ জানুয়ারি রামগঞ্জের অন্য একটি নার্সিংহোমে প্রসূতির মৃত্যুতে চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। সেদিনও রোগীর পরিজনরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এবার ফের একই ঘটনা রামগঞ্জের অন্য একটি নার্সিংহোমে। ফলে নার্সিংহোমগুলির পরিষেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নার্সিংহোমের পরিকাঠামোগত দিকগুলি প্রশাসন খতিয়ে দেখুক, দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা।



