নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর ও কলকাতা: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় শনিবারও উত্তাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। এদিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যদপ্তরের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এদিনকার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। অভিযোগ এসেছে যে, ঘটনার দিন দুপুর থেকে পরদিন পর্যন্ত একজন আরএমও চিকিৎসকের অধীনে ১৬ জন মায়ের প্রসব করার কথা ছিল! রাতে সেই চিকিৎসক ডিউটি রুমে ঘুমোচ্ছিলেন। তখন স্ত্রী রোগ ও প্রসূতি বিভাগের কয়েকজন তৃতীয় এবং দ্বিতীয় বর্ষের পিজিটি সিনিয়রদের তত্ত্বাবধান ছাড়াই মায়েদের সিজার করেন। প্রসূতিদের অবস্থা সঙ্কটজনক হলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্যালাইন এবং অন্যান্য ওষুধপত্র নিয়ে হইচই শুরু করেন। এমনকী আসল বিষয়টি চেপে যাওয়ার জন্য হাসপাতালে কর্মী এবং নার্সদের ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ। এ বিষয়ে বেশ কয়েকজন নার্স এবং কর্মীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।
Advertisement
একদিকে যখন এইসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে আসছে, অন্যদিকে তখন রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে অভিযুক্ত এক সংস্থার স্যালাইন সহ দশ ধরনের ওষুধ, ইনজেকশন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এদিকে চিকিৎসকদের যৌথ মঞ্চ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ওয়ার্ড থেকে নিম্নমানের স্যালাইন লুকিয়ে ফেলা হচ্ছে।
এদিন তদন্ত কমিটির সদস্যরা জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর ও মেডিক্যাল কলেজের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি অসুস্থ প্রসূতিদের অবস্থা খতিয়ে দেখেন। ঘুরে দেখেন হাসপাতাল, ওয়ার্ডের অবস্থাও। তাঁদের দাবি, প্রসূতিদের অবস্থা স্থিতিশীল। দপ্তরের পক্ষ থেকে মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানায় এফআইআর করা হয়। জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের সুপার তথা উপাধ্যক্ষ ডাক্তার জয়ন্ত রাউত বলেন, অপারেশন থিয়েটারের আশপাশের এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্যতম প্রধান রাজ্য পরিবার কল্যাণ আধিকারিক ডাক্তার অসীম দাস মালাকার বলেন, প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছি আমরা। এর বেশি কিছু বলব না। সূত্রের খবর, আজ তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্য স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।
বুধবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পাঁচ প্রসূতিকে। সিজারিয়ান পদ্ধতিতে তাঁদের অস্ত্রোপচার হয়। প্রথমে তাঁরা ভালো ছিলেন। কিন্তু, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুক্রবার ভোরে মামণি রুইদাস (২২) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়।
এদিনও মেডিক্যাল কলেজে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই, কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। দুপুরে এসএফআই নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি হয়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী কয়েকজন এসএফআই নেতাকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিস।
শনিবার মেডিক্যাল কলেজের আইসিইউ-র সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ইনসান আলি। প্রসূতি নাসরিন খাতুন তাঁদের পরিবারের সদস্য। তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। ইনসান বলেন, ওর অবস্থা আগের থেকে কিছুটা ভালো। শিশুকে আমরা কেশপুরে নিয়ে গিয়েছি।
এদিন তদন্ত কমিটির সদস্যরা জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর ও মেডিক্যাল কলেজের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি অসুস্থ প্রসূতিদের অবস্থা খতিয়ে দেখেন। ঘুরে দেখেন হাসপাতাল, ওয়ার্ডের অবস্থাও। তাঁদের দাবি, প্রসূতিদের অবস্থা স্থিতিশীল। দপ্তরের পক্ষ থেকে মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানায় এফআইআর করা হয়। জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের সুপার তথা উপাধ্যক্ষ ডাক্তার জয়ন্ত রাউত বলেন, অপারেশন থিয়েটারের আশপাশের এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্যতম প্রধান রাজ্য পরিবার কল্যাণ আধিকারিক ডাক্তার অসীম দাস মালাকার বলেন, প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছি আমরা। এর বেশি কিছু বলব না। সূত্রের খবর, আজ তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্য স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।
বুধবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পাঁচ প্রসূতিকে। সিজারিয়ান পদ্ধতিতে তাঁদের অস্ত্রোপচার হয়। প্রথমে তাঁরা ভালো ছিলেন। কিন্তু, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুক্রবার ভোরে মামণি রুইদাস (২২) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়।
এদিনও মেডিক্যাল কলেজে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই, কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। দুপুরে এসএফআই নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি হয়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী কয়েকজন এসএফআই নেতাকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিস।
শনিবার মেডিক্যাল কলেজের আইসিইউ-র সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ইনসান আলি। প্রসূতি নাসরিন খাতুন তাঁদের পরিবারের সদস্য। তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। ইনসান বলেন, ওর অবস্থা আগের থেকে কিছুটা ভালো। শিশুকে আমরা কেশপুরে নিয়ে গিয়েছি।



