সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: চালু হওয়ার ৫ বছরের মধ্যেই শিক্ষকের অভাবে বন্ধলাভপুরের আবাডাঙ্গা শ্রীধর জুনিয়র হাইস্কুল। সেই সুযোগে স্কুল চত্বরে রমরমিয়ে বসছে মদের আসর। স্কুল চত্বরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে মদের বোতল। সেই খবর বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। বুধবার ও বৃহস্পতিবার লাভপুর ব্লক প্রশাসনের উপস্থিতিতে স্কুল চত্বর পরিষ্কার করা হল। শুধুমাত্র নেশারুদের আড্ডা নয়, স্কুলের বারান্দায় জমা করে রাখা হয়েছিল খড়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পঠনপাঠন বন্ধ থাকায়জঙ্গলময় হয়েছিল স্কুলের চারপাশ।সব পরিষ্কার করা হল। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এখানে অতিথি শিক্ষক নিয়োগ করে পুনরায় পঠনপাঠন শুরু করা হবে। স্বাভাবিকভাবেই স্কুল শিক্ষাদপ্তর ও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে খুশি আবাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে গ্রামবাসীরা এলাকায় একটি গার্লস স্কুল করার আবেদন জানিয়েছিল প্রশাসনকে। পরবর্তীতে গ্রামেরই ৫৮ জন বাসিন্দা স্কুলের জন্য দুই বিঘা জমি দান করেন। ২০১৯ সালে গড়ে ওঠে লাভপুর আবাডাঙ্গা শ্রীধর জুনিয়র হাইস্কুল। কিছুদিন অতিথি শিক্ষককে দিয়ে ক্লাস হয়। কিন্তু তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকেই দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি বন্ধ করে রয়েছে স্কুলটি। ধীরে ধীরে স্কুল চত্বরটি হয়ে উঠেছে নেশাড়ুদের আড্ডাখানা। গ্রামবাসীরা বার বার প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও সাড়াপাননি। স্কুলের এই হালের জন্য প্রশাসনিক উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন তারা। সেই খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। লাভপুরের বিডিও শিশুতোষ প্রামাণিক বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসতেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে সমস্ত সমস্যাগুলো রয়েছে অতি দ্রুত তা মেটানো হবে।



