নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পানীয় জলের ট্যাপের মুখে পাইপ লাগিয়ে বেগুন চাষ থেকে গোরুর স্নান সবই করা হচ্ছে। পরিস্রুত পানীয় জলের অবৈধ সংযোগের অভিযোগে গত তিন দিনে পূর্ব মেদিনীপুরে ৩ হাজার ৬৫৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করল পিএইচই দপ্তর। পুলিসের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযানে নেমেছে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর। পানীয় জলের যথেচ্ছ অপব্যবহারে পাম্প থেকে দূরবর্তী এলাকায় ঠিকমতো জল সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। অথচ কিছু লোক ট্যাপ ও জলের লাইন ফুটো করে অবৈধ সংযোগ নিয়ে পানীয় জলের অপব্যবহার করছেন। রিজার্ভার ভরে সেই জলে চাষাবাদ থেকে গোরুকে স্নান, বাসন মাজা থেকে কাপড় কাচা, সব কিছুই করা হচ্ছে।
Advertisement
শনি ও রবিবার ছুটির দিনেও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পিএইচই দপ্তরের সব অফিস খোলা ছিল। কর্মী ও ইঞ্জিনিয়ারদের ছুটি বাতিল করে পানীয় জলের অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। এক্ষেত্রে জেলা পুলিসও সর্বশক্তি দিয়ে ময়দানে নেমেছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের অবৈধ সংযোগে চিহ্নিত করার কাজে লাগানো হয়েছে। পুলিসের উপস্থিতিতে অবৈধ জলের লাইন কাটা চলছে। কবে কোন এলাকায় অপারেশন চালানোর হবে সেই তালিকা পিএইচই দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হচ্ছে। তারপর যৌথভাবে অবৈধ সংযোগ কাটা চলছে।
মাত্র তিনদিনে পূর্ব মেদিনীপুরে মোট ৩ হাজার ৬৫৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী জানিয়েছেন। শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে ৪৯৪, রামনগর-১ ব্লকে ৩০৮ জন, নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে ২৮০ জন, দেশপ্রাণ ব্লকে ২৮২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে পিএইচই দপ্তর। প্রত্যেক অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার এবং সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পুলিসকে নিয়ে অভিযানে নামছেন।
অবৈধ সংযোগ ছিন্ন করে পানীয় জলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই অবৈধ সংযোগ কাটা এবং আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশের পর প্রশাসন, পুলিস এবং পিএইচই দপ্তর একযোগে অপারেশনে শামিল হয়েছে। শীতের মরশুমে রবিশস্য চাষে অনেকেই পিএইচই জল ব্যবহার করছেন। এজন্য কোথাও ট্যাপকল আবার কোথাও পাইপলাইন ফুটো করে সোজা সব্জির মাঠে জল সরবরাহ করা হচ্ছে। অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে বড় বড় রিজার্ভার ভরে সেই জলে গোরুর স্নান থেকে বাসনমাজার, কাপড়কাচার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১১ লক্ষ ৬২ হাজার পরিবার। তারমধ্যে ৫ লক্ষ ৬৪হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে। এজন্য মাথাপিছু দৈনিক ৫৫ লিটার জল বরাদ্দ। সেই হিসেবকে তোয়াক্কা না করেই দেদার পানীয় জলের অপব্যবহার চলছে। এটা বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসন এবং পিএইচই দপ্তরকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।
জেলাশাসক বলেন, পানীয় জলের অপব্যবহার রুখতে গোটা জেলায় অভিযান চলছে। এখনও পর্যন্ত থানায় সাড়ে তিন হাজারের বেশি অভিযোগ হয়েছে। পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পিএইচই দপ্তর অবৈধ সংযোগ কাটছে। পাশাপাশি থানায় লিখিত অভিযোগ কর হচ্ছে।
মাত্র তিনদিনে পূর্ব মেদিনীপুরে মোট ৩ হাজার ৬৫৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী জানিয়েছেন। শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে ৪৯৪, রামনগর-১ ব্লকে ৩০৮ জন, নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে ২৮০ জন, দেশপ্রাণ ব্লকে ২৮২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে পিএইচই দপ্তর। প্রত্যেক অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার এবং সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পুলিসকে নিয়ে অভিযানে নামছেন।
অবৈধ সংযোগ ছিন্ন করে পানীয় জলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই অবৈধ সংযোগ কাটা এবং আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশের পর প্রশাসন, পুলিস এবং পিএইচই দপ্তর একযোগে অপারেশনে শামিল হয়েছে। শীতের মরশুমে রবিশস্য চাষে অনেকেই পিএইচই জল ব্যবহার করছেন। এজন্য কোথাও ট্যাপকল আবার কোথাও পাইপলাইন ফুটো করে সোজা সব্জির মাঠে জল সরবরাহ করা হচ্ছে। অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে বড় বড় রিজার্ভার ভরে সেই জলে গোরুর স্নান থেকে বাসনমাজার, কাপড়কাচার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১১ লক্ষ ৬২ হাজার পরিবার। তারমধ্যে ৫ লক্ষ ৬৪হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে। এজন্য মাথাপিছু দৈনিক ৫৫ লিটার জল বরাদ্দ। সেই হিসেবকে তোয়াক্কা না করেই দেদার পানীয় জলের অপব্যবহার চলছে। এটা বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসন এবং পিএইচই দপ্তরকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।
জেলাশাসক বলেন, পানীয় জলের অপব্যবহার রুখতে গোটা জেলায় অভিযান চলছে। এখনও পর্যন্ত থানায় সাড়ে তিন হাজারের বেশি অভিযোগ হয়েছে। পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পিএইচই দপ্তর অবৈধ সংযোগ কাটছে। পাশাপাশি থানায় লিখিত অভিযোগ কর হচ্ছে।



