সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শহরে পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি জায়গায় পরিস্রুত জলের এটিএম বসিয়েছে পুরসভা। আরও দু’টি জায়গায় এধরনের এটিএম বসানো হবে। পুরসভা জানিয়েছে, পাঁচ টাকা এবং দশ টাকার কয়েন ঢুকিয়ে দিলে মেশিন থেকে জল পাওয়া যাবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এনবিএসটিসির বাস টার্মিনাস ও কোর্টচত্বরে এটিএম বসানো হয়েছে। কলেজমোড় এলাকায় আরএকটি বসানো হবে। অপরএকটি বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে। পুরসভা জানিয়েছে, আপাতত সাধারণ পানীয় জল এবং ঠান্ডা জল পাওয়া যাবে।
Advertisement
তবে হাসপাতাল চত্বরে এটিএম বসানোর জন্য জায়গা নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সেটা মিটে গেলে এটিএম বসানো হবে। প্রতিটি পরিস্রুত পানীয় জলের এটিএম বসানোর জন্য খরচ হয়েছে দু’লক্ষ টাকা। তারা জানিয়েছে, জেলার সবচেয়ে বড় মহকুমা মাথাভাঙার তিনটি ব্লক থেকে নানা কাজে হাজার হাজার মানুষ শহরে আসেন। তাদের চড়া দামে পানীয় জল কিনে খেতে হয়। বোতলবন্দি জলের গুণমান কি থাকে তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেন। পুরসভা এজন্য পানীয়জলের এটিএম বসানোর পরিকল্পনা নেয়। জনবহুল এলাকা চিহ্নিত করে চারটি জায়গায় পানীয় জলের এটিএম বসানোর পরিকল্পনা নেয়। প্রথমদিকে এনবিএসটিসির বাসটার্মিনাস ও কোর্ট চত্বরে এটিএম বসানো হয়েছে। পুরসভা জানিয়েছে, কয়েন দিয়ে স্যুইচ টিপলেই জল বেরিয়ে আসবে।
এব্যাপারে মাথাভাঙার পুরচেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, বাইরে থেকে আসা লোকজন সহ শহরের ব্যবসায়ীরা যাতে সহজে পরিস্রুত পানীয় জল পান সেকারণেই জলের এটিএম বসানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরাও হামেশাই বোতলবন্দি জল কিনে খান। আমাদের পানীয় জল একশো শতাংশ পরিস্রুত। গরমের দিন আসছে। পথচারী এবং ব্যবসায়ীরা যাতে সহজে পরিস্রুত পানীয় জল পায়, সেজন্য আমরা এই প্রকল্প নিয়েছি। আমরা শীঘ্রই কলেজমোড় এলাকায় এটিএম বসাব। পরবর্তীতে জায়গার সমস্যা মিটে গেলে হাসপাতাল চত্বরেও এধরনের এটিএম বসানো হবে।
এব্যাপারে মাথাভাঙার পুরচেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, বাইরে থেকে আসা লোকজন সহ শহরের ব্যবসায়ীরা যাতে সহজে পরিস্রুত পানীয় জল পান সেকারণেই জলের এটিএম বসানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরাও হামেশাই বোতলবন্দি জল কিনে খান। আমাদের পানীয় জল একশো শতাংশ পরিস্রুত। গরমের দিন আসছে। পথচারী এবং ব্যবসায়ীরা যাতে সহজে পরিস্রুত পানীয় জল পায়, সেজন্য আমরা এই প্রকল্প নিয়েছি। আমরা শীঘ্রই কলেজমোড় এলাকায় এটিএম বসাব। পরবর্তীতে জায়গার সমস্যা মিটে গেলে হাসপাতাল চত্বরেও এধরনের এটিএম বসানো হবে।



